somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুক্তির মন্দির সোপান তলে...

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


জাহিদ রুমান
প্রতিদিন খবরের কাগজের প্রথম পাতায় চোখ বুলিয়ে দিনের কাজ শুরু করি। কাগজে কী দেখি- পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক শ্রমিকের মৃত্যু, ফ্লাইওভার ধ্বসে নিরীহ মানুষের প্রাণহানি, দুই শীর্ষনেত্রীর পারস্পরিক তর্কযুদ্ধ- কাদা ছোড়াছুড়ি, প্রকল্পে দুর্নীতি, পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ-সমাবেশ, পুলিশের রণপ্রস্তুতি এরপর হরতাল-পিকেটিং-ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ-গ্রেপ্তার- এমনি নানা দুঃসংবাদ, আঘাত-প্রতিঘাতের ধ্বংসকাব্যে ঠাসা প্রতিদিনের কাগজের পাতা। ভীতি, অনিশ্চয়তা আর দুর্ভাবনায় ঘেরা তাই প্রতিটি সকাল। কখনো কখনো ভাবি- একটু আলো কিংবা ভালোর ঠিকানা বুঝি কাগজওয়ালাদের জানা নেই।
এত কিছুর মধ্যেও প্রতি বছর ডিসেম্বর মাস এলে আমরা ‘বিজয়’ এর কথা ভাবি। বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা- শব্দগুলো আমাদের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠে নতুন দ্যোতনা নিয়ে। আনন্দে উদ্বেল হয়ে কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্মরণে আমরা গেয়ে উঠি বিজয়ের গান- পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে রক্ত লাল... মুক্তির মন্দির সোপান তলে...।
হ্যাঁ, এরই মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ৪১ বছর কেটে গেছে। দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, যোগাযোগ, শিল্প-বাণিজ্য, সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ সর্বত্র আমূল পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। সময়ের সঙ্গে আমরা অনেকখানি বদলে গেছি। তবু ডিসেম্বর মাস এলে যে প্রশ্নটা সবচেয়ে জোরালো হয়ে উঠে- শৃঙ্খল মুক্তির যে দুর্বার শপথে একাত্তরে আমরা জীবনবাজি রেখেছিলাম, ত্যাগ করেছিলাম নিজের সর্বস্ব; সেই লক্ষ আদৌ অর্জিত হয়েছে কি? আমরা কি পেয়েছি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, শিক্ষা-সাংস্কৃতিক মুক্তি, জীবনের স্বাভাবিক নিরাপত্তার গ্যারান্টি? আমাদের সার্বিক অবস্থান আজ কোথায়? আমরা কি বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছি? পরনির্ভরতা আর বিদেশি ঋণের বোঝা কেন আমাদের কাঁধে চেপে আছে? সার্বিক দুরবস্থার উত্তরণের আকাক্সক্ষা আমাদের মধ্যে আছে কি? নাকি রাজনীতির নামে আমরা কেবল হানাহানি, স্বার্থলিপ্সা, আত্মচিন্তা আর সংঘাতে লিপ্ত থেকেছি?
এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আশার চেয়ে হতাশাই বেশি জেগে ওঠে। স্বাধীন দেশে যে ধরনের সর্বজনীন মানবাধিকার, আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য এবং গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ সংস্কৃতি গড়ে উঠবে আশা করেছিলাম, তা অর্জিত হয়নি। এদেশের আপামর জনসাধারণের ভাগ্যেরও সত্যিকারের পরিবর্তন ঘটেনি। জীবনযাপন, শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ, প্রযুক্তিসহ অন্যান্য সুবিধা সমাজের একটি ক্ষুদ্রতম অংশের জন্য সীমাবদ্ধ। কৃষক-শ্রমিক, মজুর-মুটেসহ সাধারণ নিম্নবিত্ত বৃহত্তর মানুষের জীবনের ন্যূনতম সুবিধা নিশ্চিত হয়নি। ক্ষমতাসীনরা দেশের উন্নয়নের চেয়ে নিজেদের উন্নয়ন, মসনদ কুক্ষিগত রাখতেই বেশি ব্যস্ত থেকেছে।
তবু একাত্তর পরবর্তী গত চার দশকে আমাদের অর্জন নেহায়েত কম নয়। হতাশার উল্টো পাশে আমাদের আশা, সম্ভাবনার দিকও অসামান্য। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে দেশ গণতন্ত্রায়নের পথে এগিয়ে চলছে। এখন পর্যন্ত গণতন্ত্র শক্তিশালী ভিত্তি না পেলেও রাষ্টের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। আইন ও বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার কথা জোর গলায় বলা হচ্ছে। আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষার একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে উঠেছে। সারাদেশের অবকাঠামোগত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। শহর-গ্রাম সর্বত্র নিজ নিজ অবস্থানে মানুষের ব্যক্তিগত সামর্থ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাধীনতার সোপান বেয়ে আমরা অনেক কিছুই অর্জন করেছি, পূর্বে যা অকল্পনীয় ছিল।
কিন্তু আমাদের আরো বহু পথ পাড়ি দিতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে আমাদের ইতিবাচকভাবে অনেক অনেক বদলে যেতে হবে, পরিবর্তন আনতে হবে চিন্তা-মানসিকতায়। সব কিছুর আগে বর্তমানের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে আমূল পরিবর্তন আনা বাপ্রতিদিন খবরের কাগজের প্রথম পাতায় চোখ বুলিয়ে দিনের কাজ শুরু করি। কাগজে কী দেখি- পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক শ্রমিকের মৃত্যু, ফ্লাইওভার ধ্বসে নিরীহ মানুষের প্রাণহানি, দুই শীর্ষনেত্রীর পারস্পরিক তর্কযুদ্ধ- কাদা ছোড়াছুড়ি, প্রকল্পে দুর্নীতি, পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ-সমাবেশ, পুলিশের রণপ্রস্তুতি এরপর হরতাল-পিকেটিং-ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ-গ্রেপ্তার- এমনি নানা দুঃসংবাদ, আঘাত-প্রতিঘাতের ধ্বংসকাব্যে ঠাসা প্রতিদিনের কাগজের পাতা। ভীতি, অনিশ্চয়তা আর দুর্ভাবনায় ঘেরা তাই প্রতিটি সকাল। কখনো কখনো ভাবি- একটু আলো কিংবা ভালোর ঠিকানা বুঝি কাগজওয়ালাদের জানা নেই।
এত কিছুর মধ্যেও প্রতি বছর ডিসেম্বর মাস এলে আমরা ‘বিজয়’ এর কথা ভাবি। বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা- শব্দগুলো আমাদের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠে নতুন দ্যোতনা নিয়ে। আনন্দে উদ্বেল হয়ে কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্মরণে আমরা গেয়ে উঠি বিজয়ের গান- পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে রক্ত লাল... মুক্তির মন্দির সোপান তলে...।
হ্যাঁ, এরই মধ্যে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ৪১ বছর কেটে গেছে। দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, যোগাযোগ, শিল্প-বাণিজ্য, সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ সর্বত্র আমূল পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে। সময়ের সঙ্গে আমরা অনেকখানি বদলে গেছি। তবু ডিসেম্বর মাস এলে যে প্রশ্নটা সবচেয়ে জোরালো হয়ে উঠে- শৃঙ্খল মুক্তির যে দুর্বার শপথে একাত্তরে আমরা জীবনবাজি রেখেছিলাম, ত্যাগ করেছিলাম নিজের সর্বস্ব; সেই লক্ষ আদৌ অর্জিত হয়েছে কি? আমরা কি পেয়েছি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, শিক্ষা-সাংস্কৃতিক মুক্তি, জীবনের স্বাভাবিক নিরাপত্তার গ্যারান্টি? আমাদের সার্বিক অবস্থান আজ কোথায়? আমরা কি বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছি? পরনির্ভরতা আর বিদেশি ঋণের বোঝা কেন আমাদের কাঁধে চেপে আছে? সার্বিক দুরবস্থার উত্তরণের আকাক্সক্ষা আমাদের মধ্যে আছে কি? নাকি রাজনীতির নামে আমরা কেবল হানাহানি, স্বার্থলিপ্সা, আত্মচিন্তা আর সংঘাতে লিপ্ত থেকেছি?
এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আশার চেয়ে হতাশাই বেশি জেগে ওঠে। স্বাধীন দেশে যে ধরনের সর্বজনীন মানবাধিকার, আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য এবং গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ সংস্কৃতি গড়ে উঠবে আশা করেছিলাম, তা অর্জিত হয়নি। এদেশের আপামর জনসাধারণের ভাগ্যেরও সত্যিকারের পরিবর্তন ঘটেনি। জীবনযাপন, শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ, প্রযুক্তিসহ অন্যান্য সুবিধা সমাজের একটি ক্ষুদ্রতম অংশের জন্য সীমাবদ্ধ। কৃষক-শ্রমিক, মজুর-মুটেসহ সাধারণ নিম্নবিত্ত বৃহত্তর মানুষের জীবনের ন্যূনতম সুবিধা নিশ্চিত হয়নি। ক্ষমতাসীনরা দেশের উন্নয়নের চেয়ে নিজেদের উন্নয়ন, মসনদ কুক্ষিগত রাখতেই বেশি ব্যস্ত থেকেছে।
তবু একাত্তর পরবর্তী গত চার দশকে আমাদের অর্জন নেহায়েত কম নয়। হতাশার উল্টো পাশে আমাদের আশা, সম্ভাবনার দিকও অসামান্য। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে দেশ গণতন্ত্রায়নের পথে এগিয়ে চলছে। এখন পর্যন্ত গণতন্ত্র শক্তিশালী ভিত্তি না পেলেও রাষ্টের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। আইন ও বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার কথা জোর গলায় বলা হচ্ছে। আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষার একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে উঠেছে। সারাদেশের অবকাঠামোগত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। শহর-গ্রাম সর্বত্র নিজ নিজ অবস্থানে মানুষের ব্যক্তিগত সামর্থ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাধীনতার সোপান বেয়ে আমরা অনেক কিছুই অর্জন করেছি, পূর্বে যা অকল্পনীয় ছিল।
কিন্তু আমাদের আরো বহু পথ পাড়ি দিতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে আমাদের ইতিবাচকভাবে অনেক অনেক বদলে যেতে হবে, পরিবর্তন আনতে হবে চিন্তা-মানসিকতায়। সব কিছুর আগে বর্তমানের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে আমূল পরিবর্তন আনা বাঞ্ছনীয়। কাগুজে নয়, চাই সর্বসাধারণের প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র চর্চার পরিবেশ। বিজয় দিবসে কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, সত্যিকারের দেশাত্মবোধ জাগ্রত করতে হবে। ভাঙন, বিভেদ আর বিদ্বেষ পরিহার করে আমাদের সৌহার্দ্য ও ঐক্যের মন্ত্রে উদ্দীপ্ত হতে হবে। মনে রাখতে হবে এই দেশ আমাদের সবার।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গরীবের বউ সবার ভাবি

লিখেছেন অপলক , ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০২



৩৬ জুলাই আন্দোলনের পর অনেক আশায় ছিলাম। আশার গুড়ে বালি। তত্বাবধায়ক সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক গভর্ণর ড. আহসান এইচ মনসুর বুদ্ধিদীপ্ত প্ররিশ্রম করে ২০২৬ জানুয়ারীতে রিজার্ভে রেখে গেছেন ৩৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন থেকে যারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসেন এখন তাদেরকে আওয়ামী লীগের প্রয়োজন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০



ক্ষমতায় গেলে কোন দল যাদেরকে মনে রাখে না ক্ষমতায় গেলে তাদেরকেই তারা সবচেয়ে বেশী মিস করে। সেই নিখাঁদ দল প্রেমিকদেরকে এখন আওয়ামী লীগ খুঁজছে। তারা লগি বৈঠা নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩২


একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা
শুধু ২১ আগস্টের সেই ভয়াল গ্রেনেড হামলাই নয- বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে ১৯৮৮ সাল থেকে আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন লা-মাযহাবিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কারণ কী ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩২


আজকে নতুন চারটি মুখ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলো। এর মধ্যে একজনকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে । বলছি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকনের কথা। তিনি একজন লা মাযহাবি বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×