
লাগাম ছেড়ে দেয়া ঘোড়ায় চড়ে ফিরেছি বাড়ি। ঘোড়াটা কি করে পথ চিনলো সেই জানে। শুধু জানিনি আমি। বুঝতেই পারিনি কিছু। কারণ বাড়িটাই যে চিনতাম না। বন্ধুর পথের উত্থান পতনেও কোন দিশা পাইনি। ছুটিয়েছি চেনা ঘোড়া অচেনা পথে। এতে অবাক হওয়ার কিছু ছিল না। নির্বাক দিকশূন্য দিকেও দিক থাকে। অভীষ্ট গন্তব্যে অবিচল চলাটাই কর্তব্য। অভিমুখের সরল হাতছানি কুয়াশাময় মরীচিকা। তাই প্রকৃত কুয়াশা চাই। গহীন বনে ঘন শীতের রাত, মাদকাসক্ত বরফ খণ্ড সব পেরিয়ে যেতে হবে। যেতে হবে এক বিন্দু শিশিরের জন্য হাহাকার করা মরুভূমির বুক ডিঙ্গিয়ে।
তপ্ত স্রোতে কারো দেহের তপ্ত ঠোঁটের আহ্বান প্রত্যাখান করে হলেও যেতে হবে।
সুদূর শহরে কেউ একজন হয়তো মুখোমুখি হবার অপেক্ষায় থাকবে। আধা দিনের সমরেই মিটে যাবে জীবনের অর্ধেক গল্প। তখন বুক ফুলিয়ে আবারো এক আগুন্তুক আসবে বাড়ি। তাঁর শুভ্র মুখই বলে দেবে কতটা পথ পেরিয়ে সে এসেছে এই সুখী শহরে। সেদিন নতুন করে গান বাঁধতে হবে পৃথিবীর জন্য। মানুষের ভালোবাসায় মুখরিত চারপাশ শব্দে শব্দে বাঁধবে ঘর। হাসিতে হাসিতে চলবে শুধু ছোঁয়াছুঁয়ির খেলা। এমনি এক সময়েই পূর্ব জনমে ফিরে যাবো আমি। সাথে নিয়ে আসবো এই সকল মানুষের ভুবন বিস্তৃত হাসির সাথে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র মানবিক ভালোবাসা।

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




