(1)
আমি আগুনের কবিতা লিখি
পাথর হৃদয় বুকে চেপে
ফাগুন ফোটায় আগুনের ফুল
যে আগুনে আমি ছাড়া আর কেউ পোড়েনা ।
(2)
যদি আমাকে ভালবাস তবে আমার সর্ব
কবিতাকে স্বাধীনতার স্বাদ দাও।
(3)
তোমার কাছে থেকে তোমাকে চাইব না ?
তোমাকে চাইব আকাশের কাছে, নদীর কাছে থেকে।
(4)
শিমুল তোমার শরীরে এতো কাঁটা
আমি ছোঁব কিভাবে ?
শিমুল তোমার এত যন্থ্রণা, লাল রক্ত ক্ষরণ
তবুও আমায় করছ স্বরণ!
তোমাকে ভালোবেসে হয় যেন আমার মরণ।
(5)
আমি আর কিছুই চাইনা তোমাকে ছাড়া
তোমার ভিতরে আমি দেখেছি কপোতাক্ষ নদ,
তোমার বুকে শুনেছি বিরহী বাঁশীর সুর
তাই শুধু তোমাকে চাই।
(6)
যে যত হাসতে জানে, সে ততো যন্ত্রণা
লুকাতে জানে।
তুমি মুছে দাও আমার অশ্রুজল
জীবনের সব ভুল গুলো ফুল হয়ে ফুটবে।
জীবনের সব কবিতা লেখা যাকে নিয়ে
সেই বুঝি আজ আমা হতে দূরে!
(7)
কেমন আছ ? ভালো থাকার চেষ্টায়
রাজপথে ঘার্মাক্ত শরীরে ছুটছ !
কেমন আছ ? পালটা প্রশ্ন আমায় করছ
আমি খুঁজছি রাজপথের নিষ্ঠুরতা !
(8)
সেদিন সন্ধ্যায় ছিল দু'চোখে শ্রাবণ
তুমি প্রষ্ফুটিত কদম পাবার আশায়
মত্ত ছিলে সুখে !
সবকিছু ভালো বাহিরে যা কিছু দেখ,
শুধু আমার কাছে এলে-
তোমার চোখে তখন কালো কাঁচের চশমা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


