এক কবি আবেদন করেছিলেন- দাও ফিরিয়ে অরণ্য, লও হে নগর। বিদ্যুৎ বিভাগ শুনতে শুরু করেছে কবির হাহাকার। তাই গুনে গুনে প্রতি ২৪ ঘন্টায় হাজারবার লোডশেডিং করছে। একজন ডিজিটাল গায়ক কাম কবিও বলেছেন- সে যে আসে যায়, যার জন্য চান্দে চান্দে এত চন্দ্রগ্রহন। কবির ভাষায়- এ যেন ডিজিটাল প্রেমিকা- আজ একজনের তো কাল অন্যজনের, পরশু আবার ফিরে আসা। গরম পড়ার সাথেসাথে শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ-এর ঘনঘন আসা-যাওয়া। কারেেন অকারনে বিদ্যুৎ-র লোডশেডিং-কে সহনীয় করে নিয়েছেন চুনারুঘাট উপজেলার লক্ষাাধিক মানুষ। মাঝেমাঝে ঘোষণা দিয়েও কয়েকদিন ধরে উদযাপিত হয় লোডশেডিং উৎসব।একে স্বাভাবিক জীবন যাপনের একটা অংশ করে নিয়েছেন চুনার”ঘাটের সকল শ্রেনির মানুষেরা। অফিস-আদালতের কাজ,পড়াশুনা, গৃহস্থালী কাজ ছাড়াও বিদ্যুৎ-নির্ভর বাসস্থানগুলোর আলো-বাতাস-পানি বন্ধ থাকার মত অনাকাংখিত ঘটনায় অভ্যস্থ হয়ে পড়ছেন ভুক্তভোগীরা। চুনার”ঘাট উপজেলা সদর তথা চুনার”ঘাট পৌরসভায় প্রায়ই দেখা যায়, বাসা-বাড়ির লোকজন পানি সংগ্রহ করতে বালতি, কলসী, হাড়ি-পাতিল নিয়ে ছুটাছুটি করছেন। কল-কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমস্যার কথা বলা বাহুল্য। অথচ, বিদ্যুৎ-র লোডশেডিং এড়ানোর জন্য গত বছর এখানে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এই উপকেন্দ্র স্থাপনের পর লোডশেডিং এর মাত্রা দিনদিন বাড়ছে। অবস্থা এমন যেন, বিদ্যুৎ এর উপকেন্দ্র স্থাপন করে লোডশেডিং-কে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। গরমে-ঘামে-অপেক্ষায় অস্থির চুনার”ঘাট উপজেলার মানুষ বিদ্যুৎ-এর অনবরত লোডশেডিং এর কবল থেকে রেহাই পাবেন না বলেই হয়তো এর দীর্ঘায়ূ কামনা। জাতি হিসাবে আমাদের বিলুপ্তি ত্বরান্বিত করতে বিদুৎব্যবস্থার বিপর্যয় না মেনে কি পারা যায়?
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



