কন্ঠশিল্পী ন্যান্সি। শুধু কন্ঠশিল্পী বললে ভুল হবে বিভিন্ন ঘটনার জন্ম দিয়ে আজ দেশব্যাপী আলোচিত তিনি। এর শুরু আজ থেকে বেশ কিছুদিন আগে ন্যান্সির ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা যে কোন একটি দলকে সমর্থণ করতেই পারেন। এটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। গণতান্ত্রিক দেশে এটা হতেই পারে।
স্ট্যাটাসের আলোচনায় পানি পড়ার আগেই ন্যান্সি ঘুমের বড়ি খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালালেন। আল্লাহ তাকে এ যাত্রায় বাঁচিয়ে দিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যম এ নিয়ে বিভিন্ন কথা বলেছে সবাই অপেক্ষা করছিল দেখা যাক সুস্থ হয়ে ন্যান্সি কি বলেন । কিন্তু সুস্থ হয়ে তিনি যা বললেন বিষয়টা আমার ঠিক ততটা পছন্দ হল না। ন্যান্সি তার ক্যারিয়ারের জন্য বর্তমান সরকারকে দায়ী করেছে। আসলে কি তাই? যদি তাই হত তবে বেবি নাজনীন কিংবা মনির খানের মত গুণী শিল্পীরা কি করে এখনো দেশে বিদেশে স্টেজ শো করছে। তাদের চেয়েও কি ন্যান্সি বড় শিল্পী? ন্যান্সি এই লেখাটি পড়লে আমি তার কাছে এর উত্তর চাইতাম।
সবচেয়ে বড় বিষয় বর্তমান সরকারের আমলেই ২০১১ সালে ন্যান্সি গানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। যদি সরকার ন্যান্সির ক্ষতিই করতে চাইতো তবে এত বড় সম্মান ও স্বীকৃতি দিত কী? এটাও ন্যান্সির কাছে জানতে চাইতাম।
আসলে মনে হচ্ছে ন্যান্সি এখন বিএনপির নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে যাচ্ছেন সেটা জীবন দিয়ে হলেও(এ জন্যই হয়তো স্লিপিং পিল খেয়েছিলেন)। ন্যান্সি শুধু শুধু মানুষের দোষারূপ না করে এখনো সময় আছে নিজেকে শোধরান। রাজনীতিকে কলুষিত না করে সুস্থ রাজনীতি নিয়ে ভাবুন,সেটা হোক না বিএনপি, আওয়ামীলীগ কিংবা আম জনতা পার্টি.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




