হঠাৎ একটা ফোন এল, আচ্ছা ফেসবুকে বই নিয়ে আপনিতো একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন তাইনা? আমি সায় দেই হ্যাঁ কিন্তু কেন।
আবার প্রশ্ন: আচ্ছা,কেউ কি আপনাকে এ কে খন্দকারের সেই বইটি দিয়েছে? আমি বলি না, যার কাছ থেকে আশা করেছিলাম সেই তো দেয়নি। আমি ভাবছিলাম বইটি না জানিয়ে কিনে এসে কেউ একজন (বিশেষ) আমাকে সারপ্রাইজ দিবে আর আমি আনন্দে আহ্লাদিত হব। সেটাও হয়নি। আসলে আমি হলে দিতাম। কারণ আমি সারপ্রাইজ দিতে যেমন পছন্দ করি তেমনি পেতেও।
এবার ফোনের অপরপ্রান্তের ব্যক্তি বললেন, শুনেন আপনার জন্য একটি বই রেখেছি। কোথায় আছেন বলেন?
আমি ততক্ষণে বাসার কাছাকাছি এসে গেছি তাই বইটি আনতে যেতে পারলাম না, তবে আগামীকাল তাঁর শিডিউল নিয়ে রেখেছি। বইটি আনতে যাব।
আসলে বইটি যিনি দিচ্ছেন তিনি আমার কাছে বিশাল একজন মানুষ অর্থাৎ বড় মাপের একজন ব্যক্তিত্ব্। হাজার লোকের ভীড়ে থাকলেও যিনি আমাকে দেখে অ্যাভয়েড করেন না (অনেক উচ্চ পর্যায়ের লোককে দেখেছি স্ব-প্রকৃতির লোকদের সঙ্গে কথা বললে আমাকে দেখেও কেমন ভাব নেন, আমিও তেমনি উল্টো ভাব নিয়ে চলে আসি।)। এই ব্যক্তি এদের মত নন। তিনি কিছুটা ব্যতিক্রম। আমাকে দেখে ভাবতো নেনই না বরং ডেকে নেন এবং সঙ্গে যারা থাকেন তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন আর বলেন, আফরিন আগে চা কিংবা কফি খান তারপর কথা বলি। আজ তিনি যখন বইযের কথা বললেন আবেগে আমার কান্না আসছিল কারণ তিনি যে মাপের মানুষ বই পাওয়ার ক্ষেত্রে আমি এখনো সে মাপে যেতে পারিনি। কারণ তার অনেক অনেক শুভাকাঙ্খী আছে বইটি পাবার ক্ষেত্রে তারা আমার চেয়ে বেশি যোগ্যতা রাখেন।
যাই হোক প্রিয় সুহৃদ আমি আপনার স্নেহ ও ভালোবাসায় কৃতজ্ঞ। দোয়া করবেন যেন আমি বদলে না যাই। আপনার প্রতি আমার শ্রদ্ধার জায়গাটা আজীবন এমনই থাকবে একজন ক্ষুদ্র মানুষ হিসেবে এ নিশ্চয়তা আমি আপনাকে দিতে পারি।
বি:দ্র: প্রিয় বন্ধুরা একা লিঙ্ক দেই। বিশাল মনের ঐ মানুষটি কিন্তু একজন সাংবাদিক এবং আমার ফেসবুক বন্ধুও বটে
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



