somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আড়ি , আড়ি, আড়ি X((

২০ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১১:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ছোট বেলার ছোট থেকে বড় সব ঘটনাই এখন মনে পরে খুব। সবারই মনে থাকে। কি করেছি, কি খেলেছি, কি পড়েছি, কি দুষ্টুমি করেছি :P কোনটাই ভুলে যাবার মত না। বড় বেলার দিন গুলো সেই দিন গুলোর জন্য হা হুতাশ করতে করতে কেটে যায়।
কিন্তু তখন মানে সেই পিচ্চি বেলায় যে শুধু আনন্দই হত বা খেলাই হত তা কিন্তু না।
রাগ হত, ঝগড়া হত, মারামারিও হত :P অভিমানও থাকত আমাদের।

রাগ বা ঝগড়া যে খুব বড় বিষয় নিয়ে হত তা কিন্তু না। ছোট মানুষদের রাগ অভিমানও ছিল ছোট ছোট বিষয় নিয়ে :P

" ও কেন আমার কথা শুনেনি!
কেন আমাকে বয়ল দেয়নি!
কেন আমাকে আগে খেলতে দেয়নি!
কেন আমাকে আউট করে দিল!
হেন তেন :P "

আর তারপরেই গাল যেত ফুলে আর চোখ লাল এখুনি কান্না শুরু হবে।
ছোট বেলার অভিমান বা রাগের ছিল অদ্ভুত বহিঃপ্রকাশ।তখন রাগ অভিমান প্রকাশ করার পদ্ধতি ছিল -
যার উপর রাগ হবে তার কেয়া আঙ্গুলে আঙ্গুল ছুয়ে বলতাম "আড়ি, আড়ি, আড়ি"
বলেই দূরে ছুটে যেতাম।
এই আড়ি ছিল অনেক রকম।

"শুধু আড়ি" X(
"জীবনের আড়ি" X(( X( X((
"মরনের আড়ি" X(( X(( X(( X( X( X(( X((

শুধু আড়ি এমনি এমনি অল্প রাগ হলে দিতাম ।
আর জীবনের আড়ি মানে আর জীবনেও কথা বলব না।
মরনের আড়ি মানে মৃত্যুর পরও কথা বলব না!
শেষের টা ছিল সব থেকে ভয়ঙ্কর আড়ি!

:| কি যে বুঝতাম জীবন কি আর মৃত্যু কি! কিন্তু জানতাম এটা খুব ভয়ঙ্কর রাগ। যে রাগ করত আর যার সাথে রাগ হত দু'জনেরই মন ভীষণ খারাপ হয়ে থাকত। কখন রাগ ভাঙ্গবে আর কথা বলবে বা কখন কথা বলতে পারব সেই চিন্তায় নিজেই অস্থির হয়ে যেতাম!
আরও মজার ব্যাপার ছিল যে,
যে যত ভয়ঙ্কর আড়ি দিত তত তাড়াতাড়ি রাগ চলে যেত :P
আসলে কেউই বেশী সময় রাগ করে থাকতে পারতাম না। রাগ অনেক আগেই চলে যেত কিন্তু মুড মেরে বসে থাকতাম :P কথা বলব না X(( কিন্তু আসলে কথা বলার জন্য মরে যাচ্ছি :P ...

রাগ ভাঙ্গার ব্যাপারটাও ছিল মজার। রাগ ভাঙ্গলে দুজনই বলতাম "ভাব" :)



কি সব দিন কাটিয়েছি! এখন ভাবি আর হাসি! কত মজারই না ছিল দিন গুলো! :(

এখন মাঝে মাঝে সবার উপর, পুরো দুনিয়ার উপর, সব মানুষের উপর ভীষণ রাগ হয়, অভিমান হয়,
মনে মনে আড়ি কাটি, বেশী রাগ হলে জীবনের আড়ি বা মরনের আড়ি। যত ভয়ঙ্কর রাগ হয় তত দ্রুতই রাগ চলে যায়! :(
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১১:৩৪
৮৩টি মন্তব্য ৮০টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বইমেলার কবিতার বই: পাঁচ বছরে বাজারে এসেছে প্রায় ছয় হাজার, মান নিয়ে বিতর্ক

লিখেছেন এম ডি মুসা, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সকাল ১১:৫২

তবে কবিতার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গবেষণারাও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বায়তুল্লাহ কাদেরী বলেন,হ্যাঁ, কবিতার মান ঠিক নেই। কিন্তু এখন মান দেখার তো লোক নেই। যার যেমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোরআনের যে দ্বন্দ্বগুলোর সমাধান নেই।

লিখেছেন কবি হাফেজ আহমেদ, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১২:০১

এসবের উত্তরে গোজামিল দিয়েছেন খোদ খলিফা আলী নিজে।


কোরআনের সূরা আল-নিসার ১১-১২ নাম্বার আয়াত অনুসারে কেনো সম্পত্তির সুষ্ঠু বন্টন করা সম্ভব হয় না? [যখন একজন ব্যাক্তি শুধুমাত্র ৩ বা ততোধিক কন্যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পবিত্র মাহে রমজানের প্রস্তুতি -ঈষৎ সংশোধিত পুনঃপোস্ট

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১২:৫৩

পবিত্র মাহে রমজানের প্রস্তুতি

ছবিঃ অন্তর্জাল হতে সংগৃহিত।

প্রাককথনঃ

দেখতে দেখতে পবিত্র মাহে রমজান-২০২৪ আমাদের দোড়গোড়ায় এসে উপস্থিত। রমজান, মুমিনের জীবনের শ্রেষ্ঠতম আনন্দের ক্ষণ, অফুরন্ত প্রাপ্তির মাস, অকল্পনীয় রহমতলাভের নৈস্বর্গিক মুহূর্তরাজি। রমজান... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাপ-মেয়ের দ্বৈরথ

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৫৩


আমার দাদির ঝগড়াঝাঁটির স্বভাব কিংবদন্তিতুল্য ছিল। মা-চাচীদের কাছ থেকে শোনা কষ্ট করে রান্নাবান্না করলেও তারা নাকি নিজে থেকে কখনও মাছ-মাংস পাতে তুলে খেতে পারতেন না। দাদি বেছে বেছে দিতেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বৃষ্টি খাতুনই অভিশ্রুতি, এনআইডিতে নাম সংশোধনের আবেদন করেছিল। ধর্মান্তরিত হওয়ার পিছনে দায়ী কে?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ০৩ রা মার্চ, ২০২৪ রাত ৮:৩৩





বেইলি রোডের সেইদিনের অগ্নিকাণ্ডে নিহত অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর প্রকৃত নাম বৃষ্টি খাতুন। অভিশ্রুতি ও বৃষ্টি খাতুন নামে দুইজন একই ব্যক্তি বলে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ সূত্রে নিশ্চিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×