somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কারাংছড়ি ঝর্ণা

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কারাংছড়ি নামটা একেবারেই নতুন লাগছে? অস্বাভাবিক কিছু না। মেঘালয়ের পশ্চিম জৈন্তিয়া পাহাড় জেলার ভেতরে অবস্থিত চমৎকার এই নীল জলের ঝর্ণা। খুব বেশীদিন হয়নি এই ঝর্ণাটা আবিস্কৃত হয়েছে। তাই আগে মেঘালয়ে গেলেও এটার নাম শুনিনি। আর কিছুদিন আগে মেঘালয়ে যাওয়া আমাদের ভ্রমণ বাংলাদেশ টিমের কাছে নাম শুনে ও ছবি দেখেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি ওখানে যেতেই হবে।

মেঘালয়ের পাহাড়ের উপর দিয়া যাওয়ার সময় সব সময়ই আমার কাছে ওয়েষ্টার্ণ মুভিতে দেখা এলাকার মতো লাগে। তো বাংলাদেশের তামাবিল বা ভারতের ডাউকি বর্ডার পার হয়ে জৈন্তিয়া পাহাড়ের উপর দিয়া এমন ওয়েষ্টার্ণ এলাকা দিয়ে ঘন্টাখানেক পাড়ি দিয়ে পৌছতে হয় কারাংছড়ি ক্যাম্প সাইটে। ওখান থেকে বেশ কিছুদূর পাহাড়ি সরু রাস্তায় হেটে তবেই পৌছতে হয় কারাংছড়ি ঝর্ণায়। এবার আসু দেখে নেওয়া যাক আমার ক্যামেরায় কারাংছড়িকে...........


(২/৩) কারাংছড়ি ক্যাম্প সাইট, এখানে অতি সম্প্রতি নির্মিত কয়েকটি ছোট টিন সেড দালান ও নারকেল বা তাল পাতায় ছাওয়া কিছু কূড়ে বিদ্যমান। এখান থেকে হেটে নেমে যেতে হয় কারাংছড়ি ঝর্ণার দিকে।




(৪) পাহাড়ি জঙ্গলের মাঝখান দিয়ে এমন সরু ইট বিছানো পথ ধরে এগিয়ে যেতে হয় ঝর্ণার দিকে।


(৫) কিছু দূর নামার পর ডান হাতে পরা ভিউ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে দেখা যাবে দুই পাহাড়ের মধ্যিখানে সরু একটা নদী, নদীরে শেষ মাথার জল আছড়ে পড়ছে একটা গিরিখাদে, এটাই আমাদের কাংখিত কারাংছড়ি ঝর্ণা।


(৬) ভিউ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে ক্যমেরায় জুম টানলে ঝর্ণাটা যেমন দেখায়।


(৭) ভিউ পয়েন্টে আমাদের ভ্রমণ বাংলাদেশ টিম।


(৮) ঝর্ণায় পৌছতে এমন আরো কিছুটা পথ পাড়ি দিতে হয়, ঝর্ণার জল এই ভাঙ্গাচোড়া ব্রীজের নিচ দিয়ে কলকল ধ্বনিতে ছুটে চলছে অজানা কোন গন্তব্যে।


(৯) এখান থেকে টিকেট কেটেই ঝর্ণার জলে ঝাপানো যায়।


(১০) উপর থেকে দেখা দুই পাহাড়ের মাঝখানের নদী এটা। এখানে বোটে চড়ে ঘোরা যায়।


(১১) লাইফ জ্যাকেট পড়ে বোট রাইডিংএ কিছু পর্যটক।


(১২) নদীটার শেষ প্রান্তে এবং ঝর্ণাটার শ'খানেক গজ আগে সিমেন্ট দিয়ে একটা বাধ দেওয়া, বাধের কারণে নদীর নাব্যতা সব সময় অটুট থাকে। আর বাধ উপচে পড়া পানিটুকু ঝর্ণার দিকে ছুটে যায়।


(১৩/১৪) আরো একটা মজার বিষয় হলো ইচ্ছে হলে এই ঝর্ণার পাশে পাহাড়ি জঙ্গলে তাবুতে বসবাস করতে পারেন।




(১৫) কাছ থেকে তোলা ঝর্ণার ছবি। তবে এই শীতে পানি অতি সামান্য, ভেবে রেখেছি আগামী জুলাই বা আগষ্টে ওর পূর্ণ যৌবন দেখতে যাবো।


(১৬) এই হিম শীতল জলেও কোন কোন পর্যটকের জল কেলীতে কোন কার্পণ্য নেই।


(১৭) ঝর্ণার নীল জল দেখার জন্য এখানে রয়েছে আরো একটা সুন্দর ভিউ পয়েন্ট।


(১৮) পাহাড়ি পথে নীল জলের ঝর্ণা দেখে ফিরে এসে ক্ষুধা লাগাটাই স্বাভাবিক, ক্যাম্প সাইটের তাল পাতার কুটিরে তাই সবাই খেতে বসে গেলাম।


(১৯) খাবারে বিশেষ কিছু ছিল না, তবে খাবার ছিল অমৃত।


(২০) সব শেষে এক কাপ র চা খেয়ে শরীরটাকে পুরোপুরি চাঙ্গা করে উঠে গেলাম আমাদের সুমু টাটায় এবং ছুটে চললাম পরবর্তী গন্তব্যের উদ্দেশ্যে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১৩
৩১টি মন্তব্য ৩১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রগলভ (ড্রাফট কবিতা-২)

লিখেছেন সোনালী ডানার চিল, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫৭



বলিনি আমার দূ:খেও তুমি থাকো-
অন্ধকারে শীতল ঘরের কোণে
বলিনি আমার দূ:স্থতা তুমি নাও
বিষাদ মাখানো একাকীত্বের ক্ষণে!

আমি তো বলিনি কোথায় কান্না রাখা
বিগলীত করো হরিনী চোখের বাকে
চাইনি আমি তো কোমল বাহু-জোড়া
মৃদ্যু উষ্ণতায় যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুভকামনা কবি গুলতেকিন..!

লিখেছেন সোহানী, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৩



কি বললেন? গুলতেকিন বিয়ে করেছে?...

- ছি: ছি: এ বয়সে এ মহিলার ভীমরতি হয়েছে।..... নাতি পুতি নিয়া সুখে থাকবে না তো, নানি এখন বিয়ের পিঁড়িতে...খিক্ খিক্ খিক্ !!

- ওওও তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ লাভ অন ফায়ার

লিখেছেন অপু তানভীর, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৯




মেঘলা চোখ খুলে প্রথমে বুঝতে পারলো না ও কোথায় আছে । মাত্র কয়েক সেকেন্ড লাগলো ওর সব কিছু মনে করতে । সাথে সাথেই মনে পড়ে গেল অজ্ঞান হওয়ার আগে কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি এসেছি

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫২



আমার সোনা বন্ধুরে তুমি কোথায় রইলা রে
দিনে রাইতে তোমায় আমি খুইজা মরি রে
যদি না পাই তোমারে আমার জীবনের তরে
সোনার জীবন আঙ্গার হইবে
মরন কালে যেন বন্ধু একবার তোমায় পাই
যদি না পাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয়তমা ও ভালোবাসায় অন্যরকম সম্ভাষণ

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৯


প্রিয়তমা
যখন তুমি হাসো ,এই পৃথিবী থমকে যায় ,চমকে তাকায় ।
আর আমি তোমার নেশায় ,
অবাক চেয়ে রই ।
আকাশের যত তারকারাজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×