এই মুহূর্তে জাতীয় সংলাপই আমাদের একমাত্র পথ। এই সংলাপ শুধুমাত্র একদিনের নির্বাচনের গণতন্ত্রের জন্য নয়, একটি শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনের জন্য সংলাপ এখন সময়ের দাবী।
১। আমাদের রাজনৈতিক চিন্তাধারার পরিবর্তন আনতে হবে। প্রথমত, রাজনীতিবিদের মনে রাখতে হবে, তাদের রাজনীতির মুল শক্তি হচ্ছে দেশের জনগন। তারা তাদের মেধা, ও প্রজ্ঞা দিয়ে দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করলেই কেবল মানুষ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। ভাল কাজ করলে, মানুষ বারংবার তাকে নির্বাচন করবে। এটি হতে হবে একটি সুস্থ প্রতিযোগি্তর মধ্য দিয়ে। রাজনীতি পরিচ্ছন্ন হলে সৎ, যোগ্য মানুষরা এমনিতেই ভাল রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চ্যাঁলাঞ্জ গ্রহণ করবে ।
২। যুদ্ধ-অপরাধীর বিচারকাজ সম্পূর্ণ করতে হবে, রাজাকার হিসাবে সাজাপ্রাপ্ত বাক্তি এবং তাদের সংগঠন দেশ পরিচালনার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
৩। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে, লেজুড় ভিত্তিক রাজনীতির প্রয়োজন নাই। আমরা প্রত্যেকেই কোন না কোন লেজুড় লেজুড় ভিত্তিক রাজনীতির সাথে জড়িত।শুধুমাত্র সামান্য ক্ষমতা আর স্বার্থের জন্য আমরা নিজের সততা, ও আদর্শকে বলি দিয়ে কোন একটি পক্ষের হয়ে কাজ করে দেশের আজ বারটা বাজায় দিচ্ছি।এটা এখনই বন্ধ করতে হবে।
৪। ছাত্র, শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাংবাদিক, শ্রমিক কেউ দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারবে না। তবে, নিজ নিজ আধিকার এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের জন্য সংগঠন থাকতে পারে। প্রজাতন্ত্রের কোন কর্মকর্তা, কর্মচারী চাকুরীকালীন অবস্থায় রাজনীতি করতে পারবে না। প্রত্যেকে তাদের স্ব-স্ব ক্ষেত্রে নিজ দায়িত্ব পালন করবে।
৫। রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে সরকার যোগ্যতার ভিত্তিতে জনবল নিয়োগ প্রদান করবে।
৬। একটি উন্নত বাংলাদেশ গঠনে গবেষণার উপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে, দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে বিশেষ বারদ্দ প্রদান সাপেক্ষে টার্গেট নির্ধারণ করতে হবে।
সংলাপে বসলে আরও অনেক সমস্যার স্থায়ী সমাধান বের করা সম্ভব। আমরা সবাই এই এক জিনিসের পিছনে অযথা সময় নষ্ট না করে, নিজ নিজ দায়িত্ব সততা, আদর্শ ও বিবেক দিয়ে পালন করেই কেবল আমাদের দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে পারি। তবেই বাংলাদেশ একদিন সত্যিকারের গণতান্ত্রিক, উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উচু করে দাঁড়াবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


