somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রিয় নির্ঝরিণী।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


চিরকুট:১০
তারিখ:- ১৪ বৈশাখ ১৪২৬ বাংলা
প্রিয় নির্ঝরিনী
পত্রের শুরুতে জানাই কুয়াশাচ্ছন্ন রোদ্দুরে অষ্ট পাপড়ি মেলে ফোটা উর্ধ্বমুভি রক্তবর্ণী কসমস ফুলের মাতাল করা সদ্য ঘ্রান বিলানো শুভেচ্ছা।ব্যস্তময় দিবার দিন ও রাত্রির সন্ধিক্ষণে সমুদ্রের তলদেশে ডুবে যাওয়া সূর্যকে সাক্ষী রেখে তোমায় স্বরণ করছি।কেমন আছো আমার আকাশের ধ্রুবতারা? আমি খুব ক্লান্ত ও মনমরা।আমি আর আগের মত নেই,হয়ত অনেকটা বদলেছি। বদলে যাওয়ার কারণটা বুঝি কারো দেওয়া অভিমান।পথহারা বিষন্নতায় প্রাগুক্ত ম্মৃতিগুলো শার্টের পেছন থেকে টেনে ধরছে আমায়। আমার বৃদ্ধা আঙুলের মন্হর স্পর্শ তোমার অধরে ছড়াবে হাসির প্লাবণ,সে ইচ্ছে ভেঙে গেছে কাঁচের দন্ডে। গল্পের শেষে সবাই ফাঁকিতে মত্ত,কেউ দাড়াবেনা গল্পের শেষে।তাই তো গানটা ভীষণ গায়তে ইচ্ছে করছে,
পৃথিবীতে কেউ ভালো তো বাসেনা
এ পৃথিবী ভালবাসিতে জানেনা!''.....
নিঃস্বার্থে ভালবাসা ছড়াতে জানে কেবলি ফুল,তাদের কোন অহংকার নেই বা কাউকে অবহেলা করার ইচ্ছে নেই।
বরং কখনো কখনো এই পুষ্প কারো জন্য অবহেলায় শুকিয়ে যায় কখনো ধূলোয় লুটিয়ে পড়ে।
আমার ভালবাসার গগণ খুঁড়ে দেখি তুমি নামক অনুভূতি ছাড়া কিছুই নেই। তবুও তুমি ভাবছো এ আমার মিথ্যেমুখ।
তুমি জানোনা,কতটা ভালবাসলে তোমাকে হারানোর শংকায় কাটে বিনিদ্র রাত হিম তটিনী।হয়ত হৃদয় ভাঙার শব্দ দূষণে আমি দূষিত তোমার শহরে,তুমি ম্মৃতির অনলে করে যাও দগ্ধ।।তুমি বুঝবে সেদিন যেদিন আমার জন্য ভিজবে তোমার উৎসুক অক্ষি।শেষ সন্ধ্যাদীপের হিম বাতাসে আমার জলে ভেজা চোখ খোঁজে তোমার অমলিন হাসি,জানো কি ভাল লাগে ওই সলাজ হাসির তুফান।তুমি কার আকাশে উড়াও ঘুড়ি আমার অগোচরে?
ওহে আমার ছায়ামানবী! তোমার নীল কথনের মাত্রারিক্ত দহনে আমি হয়েছি বড্ড নীল বিষাক্ত।
পত্রের জবাবের আশায় অপেক্ষা করেছি বহুদিবস।তুমি না ধরা দিলেও তোমার মুখ ভাসে আমার ধূসর পান্ডুলিপির পাতায় পাতায়।তোমার নামে লিখা হয় অসংখ্য চিরকুট। আমি তোমাকে নিয়ে লিখা কাগজের চিরকুটের শব্দগুলো যেন চুপিসারে গান গায় আমার কর্ণকুহরে।ছদ্মবেশী পাগল তোমাকে ভালবাসে বলেই আজও কাউকে ভালবাসেনি।শেষ প্রহরের ক্লান্ত প্রহরী আমি তোমার অপেক্ষায় এখনো থাকি,শুধু তোমাকে একটাবার দেখার জন্য।ম্মৃতির উষ্ণ দ্বীপে তোমার হাতের আঙুলের ছাপ লেগে আছে আমার গালে।আজও খুঁজি সে স্পর্শ তোমার শূন্যতার আড়ালে।কুয়াশার ভীড়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম অনেকক্ষণ হৃদয় নামের মহাসাগরের তীরে, সে সাগরের জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে আমি লন্ডভন্ড তোমার ঠুনকো আঘাতে।নীল গল্পের ছেড়া পাতাতে তোমার আঁচড়ে গল্পটা রঙিন হয়েছিল,গল্পটা শুধু তোমার আমার। দাপিয়ে বেড়ানো প্রজাপতির মত তোমার কাছে বারংবার ছুটে আসি রোদ্দুরে তোমার শহর ছুতে।মনের গোপন বার্তা তোমার ঠিকানায় পৌছে ঠিক,তবে মনের ঠিকানায় তার বুঝি আজও কোন দিশে মিলেনি। নিরাশায় চলছে জীবনের নৌকা মাঝ সমুদ্রে,নৌকাটি আমার দিকশূন্য,সে তার ঠিকানা খুজে পেতে চায়,সে তোমাকে নিয়ে জয় করতে চায় বিশ্ব অহংকারকে।লিখতে লিখতে পত্রের শেষ প্রান্তে আমি উপনীত,মাগরিবের আযান আমায় ডাকছে,সে আযানের ডাকে প্রার্থনারত অবস্হায় চোখের শীতল অশ্রু ঝরিয়ে মনিবের কাছে তোমাকে চাইবো। মনের অনেক কথাই এখনো বাকি,সেগুলো অন্য কোন দিন তোমায় শোনাবো।
ভালো থেকো ওহে আমার জীবনের চিরকুটের বিপরীত চরিত্র।
ইতি:-
ভিনদেশী তারাদের বন্ধু।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২৩
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পি ভি নরসিমা রাও - ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের জনক

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৪৩



পি ভি নরসিমা রাও ১৯৯১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তৎকালীন ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় যে ঐতিহাসিক সংস্কারনীতি গ্রহণ করেন, তা "এলপিজি সংস্কার" (LPG Reforms - Liberalisation,... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দোষ গাজী সাহেবের!

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৫৩



ধরেন, এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে। শেখ হাসিনা সংসদ ভবনের সামনে ভারতের স্বাধীনতা দিবস জাঁকজমক করে পালন করলেন। ভারতের শীর্ষ নেতা এলেন, ভারতের পতাকা উড়ল...

এখন চুপ করে থাকা পাকিস্থানপন্থীরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি শোক সংবাদ

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:০৯



পেটের দায়ে সপরিবার নীলফামারি থেকে কুমিল্লা শহরে এসে,
ব্যাটারি চালিত রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন মোঃ শরিফুল ইসলাম;
তিনি এখন মরহুম! স্ত্রী ও ২ কন্যা নিয়ে ছিলেন কোনোরকমে বেঁচেবর্তে।

গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিসাব বিষয়ক ভাবনা

লিখেছেন করুণাধারা, ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৩



সংখ্যাওয়ালা কোনো লেখা দেখলে হিসাব ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করা আমার অভ্যাস। ইদানিং বিভিন্ন রকম সংখ্যাওয়ালা কিছু বিজ্ঞাপন সামনে আসছে, এগুলো ফ্ল্যাট বিক্রির বিজ্ঞাপন। এসব বিজ্ঞাপনে যেসব সংখ্যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুনাফেকি নাকি Diplomatic situationship?

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ০৯ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০


গত শনিবার (৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় উদযাপিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক অংশীদারিত্ব আরো জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×