
বিলিয়ার রহমানের লেখা টা পড়ার পর, যখন একটা লেখা লিখতে বসছি তখন বারবার মনে হচ্ছে এক একটা লেখা সম্পন্ন করতে লেখক কতই না কষ্ট করে। হোক না সেই লেখা মানহীন কিংবা মান সম্পন্ন। কিন্তু সেই লেখাটা কপি পেস্ট মানে চুরি করে যখন অন্যত্র নিজের নামে প্রকাশ করে বাহ্ বাহ্ কুড়ায় সেই বাহ্ বাহ্ আসল লেখকের কলিজাটা হয়তো ছিদ্র করে দেয়। জানিনা অন্যান্যদের কেমন লাগে কিন্তু আমার অন্তত খুবই খারাপ লাগে।
দুপুর থেকে একটা বিষয় নিয়ে লেখার চেষ্টা করছি। এজন্য প্রায় ২৫-২৬ টা লেখা ঘাটতেছি। পাশাপাশি কিছু প্রিন্ট বইও আছে। এখন এত পরিশ্রমের পর যদি লেখাটি অন্যজন বিনা নামে অথবা নিজের নামে প্রকাশ করে তবে তাকে ক্ষমা করা যায় কী? কিন্তু করারই বা আছে কী? আমার জানা নাই।
বিভিন্নস্থানে দেখা যায়, পুরো লেখা কপি করতে পারছে কিন্তু লেখকের নামটাই ভারী হয়ে গেছে। তাই লেখকের নাম কপি করতে পারেনি।
অনেকে আছে লেখা কপি করে লিখে দেয় কালেক্টেড বা সংগৃহিত। হাজার বছর আগের লেখার লেখকের নাম ঠিকানা পাওয়া যায় অথচ ১০ মিনিট আগে প্রকাশিত লেখার লেখকের নাম খুঁজে না পেয়ে কালেক্টেড বা সংগৃহিত লিখে দেয়!
কালেক্টেড লেখার প্রয়োজনীয়তা কোথায়? লেখকের নাম লেখায় এত কষ্ট কেন? আমার বোধহয় ওরা লেখা পছন্দ করে কিন্তু লেখককে না। কিংবা অন্যের ঢোল বাঁজাবো কেন এমন মন-মানসিকতা নিয়ে থাকে। আবার হতেও পারে আমাকে দিয়ে অন্যজনের নাম ছড়াবে কেন?
আমাদের মন-মানসিকতার পরিবর্তন হোক। কালেক্টেড বা সংগৃহিত শব্দ নিপাত যাক।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



