
কক্সবাজার জেলার পেকুয়া থানার এসআই তৌহিদুল ইসলাম ভাইয়ার শরীরে ট্রাকের ধাক্কা লাগার অভিযোগে মীর কাশেম নামক এক পিতার বয়সী ট্রাক চালককে প্রকাশ্যে খোলা রাস্তায় কান ধরে সিজদাহ দেওয়াতে বাধ্য করা হয়েছে!
পিতার বয়সী মীর কাশেম এখন অপমানে আত্মহত্যা করতে চাইতেছে। মীর কাশেম একজন দাঁড়ি-টুপি, পাঞ্জাবীওয়ালা লোক বলেই কি তাকে সিজদাহ দেওয়ানো হল?
এটা বাংলাদেশ! অসাম্প্রদায়িকতার বাংলাদেশ! এখানে সবই করা যায় কিন্তু বলা যায় না। বললে জঙ্গির তকমাসহ আরো অনেক কিছুই লাগতে পারে।
এসআই সাহেব খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন, ট্রাক, রিকশা, ভ্যান চালকের ছেলেমেয়েও আপনার চেয়ে অনেক বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী নিচ্ছে। ডিএমসিতে পড়ছে।
আপনি ভাবছেন আপনি অনেক বড় ক্ষমতা পেয়ে গেছেন? আপনার মেধা কাগজে কলমে আছে মস্তিষ্কে নেই। সুশিক্ষা আপনি পাননি। যেটাই আপনার মত মহৎ পেশার লোকদের জন্য জরুরী। তাছাড়া অযোগ্যের হাতে অধিক ক্ষমতা পড়লে তার অপব্যবহার হতেই পারে।
অবশ্য এদেশে র্যাংকিং হয় ডাণ্ডার ভিত্তিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি যদি কোন রাস্তা দিয়ে হাঁটতে থাকে, তবে তাকে কজন স্যার স্যার করবে? কিন্তু একজন পুলিশ রাস্তায় যখন ডাণ্ডা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে দেখবেন তাকে অনেকেই স্যার স্যার করবে। একজন এসএসসি পাশ পুলিশকে দিয়ে যদি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে পেটানো যায়, তবে এসআই হয়ে ট্রাক চালকের কান ধরাতে সমস্যা কোথায়?
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ৯:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



