somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মেজাজ গরম ও বিদ্যা জাহির করতে ইংরেজিই আসল!

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমার বন্ধু শাহরিয়ার তার মোবাইল ফোন সার্ভিসিং এর জন্য চট্টগ্রামের রিয়াজুদ্দিন বাজারে যাবে। আমি বিকেলে এদিক সেদিক ঘুরছিলাম। ছাত্র বলতে যে আলাদা পোষাক তাতো আমার শরীরে ছিল না। শাহরিয়ার আবার হুজুর। আমরা দু’জনে গেলাম। দেখে হয়ত মোবাইল মেকার ভাবলেন আমরা পড়ালেখা কিছুই জানি না।

লোকটি মোবাইলটি ঠিক করতে পারছিল না। এক সময় আমি বললাম ফ্লাস দিয়ে দিলেই ঠিক হবে মনে হচ্ছে। এই কথায় উনি রেগে গিয়ে ইংরেজি ভাষা জাহির করতে আরম্ভ করলেন! লক্ষ্য করলে দেখবেন, রাস্তাঘাটে, অফিস-আদালতে, নাটক-সিনেমায় কারও মেজাজ উঠলেই ইংরেজি কথা বের হয়।

বিদ্যা বুঝি ইংরেজিতেই প্রকাশ করতে হয়! আর ইংরেজি বললেই বুঝি মোবাইল ফোন ঠিক হয়ে যায়! তাই বাধ্য হয়ে আমিও বলা শুরু করলাম। এবার ওনার বোধদয় হল। বাংলা কথা বলা শুরু দিলেন। পরে কিন্তু ফ্লাস দিয়েই মোবাইলটা ঠিক করতে হয়েছিল। নিজেকে তখন বড় ইঞ্জিনিয়ার মনে হচ্ছিল। অবশ্য এই লোকটা আসল মেকার ছিলেন না। পরে জানতে পারছিলাম এটা তার ভাইয়ের দোকান এবং ভাইয়ের অনুপস্থিতে কাজ শেখার জন্য বসে আছে।

যাইহোক, ইংরেজিতেই আমাদের বিদ্যা জাহির করতে হবে কেন? আমি বলব না ইংরেজি শেখা থেকে আমাদের দূরে থাকতে হবে। তবে ইংরেজি বলতে পারলেই কি তাকে বিদ্বান বলা হবে? আমাদের ইংরেজি শেখার অবশ্যই দরকার আছে। সেই সাথে ইংরেজি ভাষার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করতে হবে। ইংরেজি ভাষা উপকারে লাগে দেখেই বাংলাকে অবজ্ঞা করতে হবে কেন? এখন ধরুন, কোন লোক আপনার উপকার করেছে। যে উপকারটি আপনার বাবাও হয়ত করেনি। এর মানে কি আপনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশে সেই উপকারী ব্যক্তিকেই বাবা বলে ডাকবেন? আমি মনে করি বাংলাকে সন্মান দেখিয়ে আপনি যেকোন ভাষায়ই শিখতে পারেন। __মোঃ সাইফুল ইসলাম (১৩৪০৫)
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ, রাজনীতিতে আতঙ্ক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫০


দেশে এখন যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা মধ্য ডানপন্থী রাজনৈতিক দলের মানুষজন । সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে আছেন প্রবীণ নেতা নিতাই চন্দ্র রায়। এই অবস্থায় শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেয়ালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের ধর্মীয় পরিচয়, গ্রাফিতিতে চুনকালি ও পলিটিক্যাল ইসলাম

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০৪


রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন প্রগতিশীল লেখকের লেখা পড়ে আমি হতাশ ও বিস্মিত হয়েছি। তাঁদের মধ্যে একাধিকজন লিখেছেন, রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ছিলেন না, তিনি ছিলেন ব্রাহ্ম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×