somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পালানো

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পড়ালেখা নেই কাজ নেই। থমকে গিয়েছে জীবন। বয়:সন্ধি শুধু রমণী কল্পনা করছি, ভাবছি...। খেলাধুলা বন্ধ, ভালো লাগতো না কিছুই খালি ভাবতাম। এলাকার একবড় ভাইয়ের দোকানে আড্ডা দিতাম, চা-টা খেতাম, এখানে সেখানে ঘুরেফিরে সময় কাটতো খুব কষ্টে। চেহারা ছুরুত নষ্ট হতে লাগলো। বিদেশ যাওয়ার নেশা উঠল। তাই মা, ভাইকে জ্বালাতাম। এমব্রয়ডারি কাজ শেখতে শুরু করলাম। বিদেশ আর যাওয়া হয় না। এলোমেলো ভাবে সময় যেতে লাগলো। আমাদের একটি লন্ড্রি দোকান ছিল সেখানে যাওয়া শুরু করলাম। হঠাৎ এলাকায় একটি এমব্রয়ডারি দোকান হলো। আমি যেহেতু এই কাজ শিখেছি তাই তাদের সাথে সময় দেওয়া শুরু করলাম। বাড়ি থেকে পালানো ভাব কাজ করত অনেক আগে থেকে কারণ বসে বসে খাওয়া খুব বিরক্ত লাগতো। বিষণ্ণতায় ভুকতাম। একদিন এমব্রয়ডারি লোকজন বা অস্তাদরা আলোচনা করছে তারা ইন্ডিয়া চলে যাবে। আমি শুনে তাদের অনুরোধ করলাম আমায় নিয়ে যাওয়ার জন্য। তারা রাজি হলো, ঈদের দিন যাব সিদ্ধান্ত নিলো।

ঈদ এলো, আমি অস্থির কখন যাবো! ছটফট আর পায়চারি করছি। ঈদের আগের দিন দোকান থেকে টাকা জোগাড় করে রেখেছি। সকাল হলো মাকে বললাম গ্রামের বাড়ি যাবো। মাও কিছু বললো না। রাজি হলো যাওয়ার অনুমতি দিল। আমিও কাপড় গুছিয়ে প্রস্তুত হলাম যাওয়ার জন্য। যার সাথে ই্ন্ডিয়া যাবো মানে ওস্তাদ যাকে ডাকতাম। তাকে বললাম সেও প্রস্তত হলো। ‍সে টাকা চাইল তার স্ত্রীর জন্য ৫০০ টাকা দিলাম। তারপর রওয়ানা দিলাম ইন্ডিয়ার উদ্দেশ্যে। প্রথম গাবতলি গেলাম সেখান থেকে বাসে করে বেনাপোল গেলাম। বেনাপোল স্টেশন থেকে কিছু দূরে এক কুড়ে করে নিয়ে গেলো। তারপর আমার কাছ থেকে সব টাকা নিলো। এরপর এক লোক আসলো। সকল হলো সে আমাকে সাইকেলে করে সীমান্তে কাছাকাছি নিয়ে গেলো। ঈদের দিন থেকে না খাওয়া ক্ষুধায় আর আতঙ্কে চুপ করে আছি। কি হতে যাচ্ছে বুঝে উঠতে পারছিলাম না।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:০৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নতুন মসজিদের কাজ শুরু করলাম

লিখেছেন প্রামানিক, ২৫ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৬


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

আলহামদুলিল্লাহ্, নতুন মসজিদের কাজ আজ থেকে শুরু হলো। আজ সকাল দশটায় গ্রামের কয়েকজন ধর্মপ্রাণ উদ‍্যোগী মানুষ নিজ উদ‍্যোগেই মাটি কেটে দিয়েছে।

আজ থেকে প্রায় কুড়ি বছর পূর্বে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় কন্যা আমার- ৯২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০



প্রিয় কন্যা আমার-
ফাজ্জা তোমার স্কুল বন্ধ। তুমি তোমার নানা বাড়ি গেছো। এবার অনেকদিন থাকবে নানা বাড়ি। নার্সারি থেকে কেজি ওয়ানে উঠলে। বেতন বেড়েছে। খরচ বেড়েছে। আমি নিশ্চিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসাহাসি থেকে সাফল্যের ইতিহাস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫২



এক সময় অনেক সমালোচনার মুখে ছিল বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (সাবেক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১)। তখন অনেকেই বলেছিল, এত টাকা খরচ করে এসব করে কোনো লাভ হবে না। কিন্তু আজ ধীরে ধীরে সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোসাইপুর ১৯৭১

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৬ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:৫০



জুন মাসের পড়ন্ত বিকেল, ভ্যাপসা গরমে আগন্তুক ঘেমে একাকার। গায়ে ময়লা হাফ শার্ট আর নীল ফুলপেন্ট। শার্টের রঙ কোনো এক সময় হয়তো সাদা ছিলো, ময়লা হতে হতে এখন প্রায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মোহমায়া

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬



খরস্রোতা নদীও একসময়
ক্ষীণ নালায় পরিণত হয়
কালের পরিক্রমায়,সময়ের চাহিদায় ।
তবু আশা বেঁধে রাখি।

ফিরবে সব আগের মত
চলবে জীবন অবিরত
কোন একদিন।


হারানো মুহুর্তরা কি সত্যিই  ফিরে আসে?
শত ব্যস্ততায়- মায়ের মত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×