মুসলিম হিসেবে আমরা ইসলামী নাম রাখতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। এটা অন্যায় কিছু নয়। তবে নামের অর্থ না বুঝে শিশুর নামকরণে আমাদের জুড়ি নেই। পাড়ার হুজুরের কাছে শিশুটির নামের অর্থ বড় নয়, নগদ-নারায়ণই হয়তো বড়। অনেক ক্ষেত্রে পাড়ার হুজুরও নামের অর্থ বলতে পারেন না। 'খায়রুল বাশার' নামটি চমৎকার। অর্থ 'সর্বশ্রেষ্ঠ মানব'। আরবী ভাষাভাষী লোক এ নাম রাখেন না। কারণ এ নামটি একমাত্র নবীজীর (স
নামকরণ মূলত শিল্প। তাই কানা ছেলের নাম যেমন 'পদ্মলোচন' রাখা ঠিক নয়, তেমনি কুৎসিত ছেলের নাম 'হাসানুজ্জামান' ( যুগ-সুন্দর) বা 'জামিল' ( সুন্দর) রাখাও বেমানান।
'মাসুম' নাম রাখলেই কি মানুষ নিষ্পাপ হয়? নামের শেষে 'আযমী' রাখাও বিভ্রান্তিকর। কারণ আযমী মানে 'অনারব'। এটা ভুল পরিচয়।
'সালেহ' (সৎ), 'সাদিক' (সত্যবাদী), 'আদেল' (ন্যায়বিচারক) নামগুলোও শিশুর চরিত্রের বিপরীত হয়ে যেতে পারে। তেমনি 'শাহ আলম' (জগতের বাদশা) অথবা 'শাহজাহান' (জগতের সম্রাট) নামগুলোও বিভ্রান্তিকর।
মেয়েদের নামের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি আরও হাস্যকর। 'কামরুননাহার' মানে 'দিনে চাঁদের আলো'। আরে বাবা! চাঁদের তো আলোই নেই। তেমনি একটি নাম শামসুন নাহার। এ নামের অর্থ হচ্ছে 'দিনে সূর্যের আলো'। সূর্য পুরুষবাচক হবার কারণে নামটি বেখাপ্পা। সুরা আর রহমানের প্রেমে মুগ্ধ হয়ে একজনতো মেয়ের নাম রেখে ফেলেছেন 'বেগম তুকাজ্জীবান'।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



