আবুল বাশার নামটি বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। নামটির অর্থের দিকে না তাকিয়ে এটা রাখা হয়। আবুল বাশার মানে 'মানব জাতির পিতা' । নামটি কেবল হযরত আদম (আ

এর জন্য প্রযোজ্য হতে পারে। এটা আদম (আ

এর খেতাব। এ খেতাবকে নাম হিসেবে ব্যবহার করা অযৌক্তিক। তেমনি ভাবে 'কলিমল্লাহ' নামটি ব্যবহার করা অনুচিত। এ নামটি স্রেফ হযরত মুসা (আ

এর জন্য প্রযোজ্য । তিনি আল্লাহর সাথে কথা বলেছিলেন বলে তাকে 'কলিমুল্লাহ' বলা হয়। মুন্সিগনজের গজারিয়া উপজেলার চেয়ারম্যানের নাম ছিল কলিমুল্লাহ। আমার এক বন্ধুর নামও কলিমুল্লাহ।
'আবুল কাশেম' নামটি রাখতে নিষেধ করা হয়েছে। বোখারী শরীফে আছে : মহানবী (স

বলেছেন , 'আমার নামে নাম রাখো, তবে আমার কুনইয়ার নাম রেখ না।' উল্লেখ্য, মহানবীর (স

প্রথম সন্তানের নাম ছিল কাশেম। একটি গ্রন্থে বলা হয়েছে : মহানবী (স

মোবারক, খায়ের, নিয়ামত, সুরূ ইত্যাদি নাম রাখা পছন্দ করেননি। এ নামগুলোর অর্থ ভালো। যেমন: আশীর্বাদ, মঙ্গল, বরকত ও আনন্দ। তবে অনেক সময় জাগতিক প্রয়োজনে বলা হতে পারে : হ্যা, এখন ঘরে আশীর্বাদ নেই, মঙ্গল নেই, বরকত নেই, আনন্দও নেই। বিষয়টা আর কিছু নয়, অনেক সময় নামের অর্থগুলো পরিস্থিতির কারণে বেখাপ্পা হয়ে যেতে পারে।
আল্লাহর গুণবাচক নামে নাম রাখা যায়। তবে নাম ডাকার ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। যেমন আবদুল খালেক। মানে সৃষ্টিকর্তার দাস। আরবে আবদুল খালেককে আবদুল খালেক নামেই ঢাকা হয়। কিন্তু অসতর্কতার কারণে আল্লাহর এ বিশেষ গুণবাচক নামটি বাংলাদেশে ডাকার ক্ষেত্রে 'খালেইক্যা' হয়ে যায়। আবদুলকে হয়তো 'আবদুইল্যা' বলা যেতে পারে (যদিও বিকৃত নামে কাউকে ডকিা সুরুচির পরিচয় নয়), কিন্তু খালেককে ------। খালেক বাসায় না থাকলে কি বলবেন?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০