'আজহার' এখন কেমন আছেন, তা সঙ্গীতা বিজলানীই ভালো বলতে পারবেন। আমরা বড় জোর বলতে পারি আজহার মানে 'ফুল' বা 'কুসুম'। তা , আজহার ভাই, ভক্তরা কি আজও শ্লোগান দেয় : 'আজহার ভাইয়ের চরিত্র , ফুলের মতো পবিত্র'?
অঙ্কে আমি বরাবরই কাঁচা! তাই পাশের বাড়ির আসলাম সাহেবের বিলাত পড়ুয়া বড় ছেলের নাম 'আসগর' (সর্বকনিষ্ঠ) শুনে আমি হিসাব মেলাতে পারি না। আবার তার চার বছর বয়সী ছোট ছেলের নাম 'রুশদ' (সাবালক) দেখে রীতিমতো ভিমড়ি খাই। শুধু কি তাই? ভদ্রলোক তার প্রথম মেয়ের নাম রেখেছেন 'রাবেয়া'। রাবেয়া মানে চতুর্থ। এবার বুঝুন, ঠ্যালা সামলান। যে হুজুর এ নাম রেখেছে বা রাখতে সহায়তা দিয়েছে, তাকে মনে মনে অভিধান বহিভর্ূত অনেক গালি দিয়েছি।
আরবি ভাষাটা আসলে ইলাস্টিকের মতো। তাই পত্রিকার ওয়াসিম আকরামের বাংলা বানান দেখে হাসি পায়। আমরা যেভাবে 'আকরাম' লিখি, আরবি উচ্চারণ রীতিতে তার অর্থ দাঁড়ায় : 'বড় উটের নাম'। বড় উটকে 'দয়াশীল' বানাতে হলে 'আক্বরাম' লিখতে হবে। তবে অমি রহমান পিয়াল যদি আকরামের আসল বানান লিখে তাহলে খবর আছে। আমি একবার ফুটবলের বাংলা 'পাদগোলক' লিখে হেভি ধোলাই খেয়েছিলাম। অথচ আমার বাক্যটি ছিল বড়ই নিরীহ গোবেচারা টাইপের : 'এক মাস ধরে ফেভেরনোভা' নামক পাদগোলকের পেছনে রোনালদোরা যৌবন ছুটালো আর ভূগোলকটা কাঁপলো'।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



