নেটে মন্তব্যটা বারবার পড়ছিলাম। পেছনে দাঁড়িয়ে গিনি্নও যে পড়ে নিচ্ছিল, তা খেয়াল করিনি। শেষে প্রসন্ন হাসির দু্যতি ছড়িয়ে বলল : আসলে মেয়েরা একটু হিসেবী, এই যা। টাকা কটা সরিয়ে রাখি বলে মাসের শেষে তোমার দিনটা ভালো করেই চলে।
মাথা নেড়ে সম্মতি দিলাম। তবে মাথায় ঘুরছিল সেই পুরনো কৌতুক:
স্বামী : আমাদের হানিমুন পর্বতো শেষ!এবার ঘর গোছানোর পালা। তুমি ঘরের কি হতে চাও ? সভাপতি নাকি সহ-সভাপতি?
স্ত্রী : কোনটাই নয়। আমি হবে স্রেফ কোষাধ্যক্ষ!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



