আমি যখন খুব ছোট ছিলাম, তখন সবার অনেক আদর পেতাম। এখন যে পাই না, তা কিন্তু না তবে পিচ্চিকালের আদরের সাথে কোন বেইল নাই (ক্যান বেইল নাই তা পরে বুঝবেন)। সবার আদর নিয়া এবং তাদের কোলেই ইয়ে করে বড় হইতে লাগলাম। বড় আপুরা এবং তার বান্ধবীরা বাসায় এলে গাল টিপা আদর করত, মিষ্টি করে চুমু দিত (আহা)।
তারপর বড় হইতে লাগলাম. . . . . । আমি তখন মোটামুটি অল্পবড় হইবার রানওয়েতে, ক্লাস সিক্সে পড়ি। আমি যে স্কুলে ভর্তি হইসিলাম ওই স্কুলে আমার এক কাজিন ও পড়ত। সেই আপুও আমাকে ভীষণ আদর করত (সব কাজিন দের চেয়ে পিচ্চি আসিলাম তো)। তো ওই আপুর কারনেই তার সকল সুন্দরী বান্ধবীরাও আমাকে চিনত। অনেকে আদর করত, দুষ্টামি করত আবার অনেকে জ্বালাইতও ভীষণ।
তখন আবার চুমুতে আমার এলার্জি কাজ করতে শুরু করসে। মানে সহ্য হইতো না আরকি। কেও চুমু দিলেই মেজাজ চরম খারাপ হইয়া যাইত। এই কথাটাও আমার শয়তান আপুর কল্যাণে জেনে যায় তার বান্ধবীরা। এদের মাঝে একজন আমারে ভীষণ জালাইতো। এই কথা জানার পর তার জ্বালানির মাত্রা বিরাট বাইরা গেল। কোন জায়গায় দেখলেই চুমু দিত। এমন কি সারের সামনেও রক্ষা নাই। আর আমি পরলাম বিপাকে। তাই তারে দেখলেই পালাইতাম।
কিন্তু এতে ওই আপুর শয়তানি আরও বাইরা গেল। মানে হিতে বিপরীত। এরপর আমারে সবার সাথে পরিচয় করায় আমি নাকি তার রেডিমেড হাসব্যান্ড। আমার মানইজ্জত তো মাটিতে লুটাপুটি খাওয়ার অবস্থা। আর আমিও ইমুন হতভাগা আসিলাম যে স্কুলে গেলে ওই আপুর সাথে দেখা হইতই, ক্যামনে যে পালাইতাম এই আমিই খালি জানি।
এরপর আস্তে আস্তে শয়তানীর পরিমান কমতে লাগলো। আমি যখন এইটে উঠলাম তখন ওই আপু এসএসসি পাশ করে চলে যায়। কিন্তু পরে সেই আপুরে বিরাট মিস করি (অনেক সুন্দরী আসিল আর আমিও বড় হইসি না তখন
কিন্তু কয়েকদিন আগে হঠাৎ ওই আপুর সাথে দেখা
জানতে পারলাম আমি যে ইন্সটিটিউটে আছি উনিও সেইখানে। ডিপার্টমেন্ট আলাদা। এইবার তুমি যাইবা কই চান্দু??? আমারে কম জ্বালাও নাই এইবার আল্লায় আমারে চান্স দিসে। হের পর থেইকা জ্বালাইয়া আসতাসি, দোয়া রাইখেন জানি ঠিক মত শোধ নিতাম পাড়ি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





