মৃত্যুর তার কারন ছিল সবার জানা;
না মেনে সে সকল লোকের মানা,
গিয়েছিল একলা নিজেই কালকে রাতে,
ঝিলের মাঝের শাপলা বনের মাঝে।
হঠাৎ-ই তার খল-বলিয়ে কারন হাসার,
রহস্য নয়, জানা সবার।
পিছলে পরে কেমন করে কানাই সেবার,
হয়েছিল জব্দ ভীষন,ফন্দীটা তার।
আহা মরি অমন করে কাঁদতে আছে!
পাগলা ছেলে,অভীমানি, সবাই জানে।
দুই পয়সার খেলনা গেল ভেঙে,
তাই বলে কি অমন করে কাঁদতে আছে!
কখন যে তার কান্না এসে জোটে!
কখন আবার হাসিতে মুখ ভরে!
এইত ভীষন মনযোগে অংক কষে!
কখন আবার দুপুর রোদে বৃথাই ছোটে!
ছুটতে গিয়ে হোচট খেলেও কাদেনি যে,
সেই দেখি ভাই,অরন্য দার ছেলে
পায়না খেতে মিঠাই কিনে পূজোর দিনে
তাই, চোখ ভাসাবে জলে।
ভাসিয়েছিল দীঘির জলে নতুন ভেলা,
ফিরবে বলে প্রহর গেলে উঠলে বেলা।
স্বপ্ন গুলো তার,রয়েই গেল ঠিক অজানা,
মৃত্যুর তার কারন শুধু সবার জানা।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




