টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০১৪ আসরে আগামীকাল ভারত ও শ্রীলঙ্কা মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। দুই দলই নিজেদের অবস্থানকে পরিষ্কার করেছে। ট্রফি জিতে নিতে আত্মবিশ্বাসী দল দুটো।
শিরোপা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে খেলবে ভারত। ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরেই শিরোপা জিতেছিল তারা। ৭ বছর পর আবারো ফাইনালে ভারত। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় বার ফাইনালে খেলছে শ্রীলঙ্কা। ২০১২ সালে নিজেদের মাটিতে ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরেছিল তারা। এবার আর কোন ভুল করতে চায় না লঙ্কানরা।
গ্রুপ পর্যায়ে চার ম্যাচের তিনটিতে জিতে ফাইনালে উঠেছে দিনেশ চান্দিমালের দল। নিজেদের বোলিং শক্তির পাশাপাশি ব্যাটিংটাও কার্যকর ভূমিকা রাখছে লঙ্কাদের হয়ে। এবারে এক নজর শ্রীলঙ্কার রোড টু ফাইনালে।
এদিকে ভারত ফেভারিট অবস্থানে। এই দলটির বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ব্যাটিংয়ে তো তারা ‘পাওয়ার হাউস’। পেস বোলিং খুব ভালো না হলেও কাজ চলে। কিন্তু স্পিনের বৈচিত্র্যে বোবা বনে যেতে হয়। রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবিন্দ্র জাদেজা ও অমিত মিশ্রের বিষফোঁড়ার মতো যোগ হয়েছেন সুরেশ রায়নাও। অশ্বিন তো ক্যারম বলে বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলেছেন। সেমিফাইনালে প্লেসিসকে বোল্ড করেছিলেন। দাবি উঠেছে, এই ডেলিভারিটিকে টোয়েন্টি২০ ক্রিকেটের সেরা ডেলিভারি বলা হোক।
আগের ফাইনালগুলোয় হারের কারণে শ্রীলঙ্কা মানসিকভাবে পিছিয়ে থাকবে। দলীয় শক্তিমত্তা রয়েছে। মানসম্পন্ন পেসার, স্পিনার ও মাহেলা জয়াবর্ধনে-কুমার সাঙ্গাকারার মতো ব্যাটসম্যান রয়েছে তাদের। বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মাহেলা ও সাঙ্গাকারা আর আন্তর্জাতিক টোয়েন্টি২০ খেলবেন না। ক্যারিয়ারের শেষ আসরে তারা সফল হতে চাইবেন।
শ্রীলঙ্কানরা অধিনায়ক সমস্যায় ভুগছে। দিনেশ চান্দিমাল সরে দাঁড়িয়েছেন। লাসিথ মালিঙ্গা সেমিফাইনালে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফাইনালেও হয়ত তাকেই এই গুরুদায়িত্ব নিতে হবে। নিয়মিত কেউ নেই দায়িত্বে। মালিঙ্গার জন্য চ্যালেঞ্জ বটে।
শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ড চমকও দিয়েছে। দলটি বিশ্বকাপ জয় করলে মিলিয়ন ডলার পুরস্কার পাবে।
ভারত অভিজ্ঞতা দিয়েই জয় করতে চাইবে বিশ্বকাপ। শিখর ধাওয়ান ফর্মে নেই। তবে রোহিত, রাহানে, রায়না, যুবরাজ, কোহলি ও ধোনি সাবলীল রয়েছেন। শ্রীলঙ্কা পিছিয়ে থাকলেও খেলাটির নাম যখন ক্রিকেট। তখন ভাগ্যদেবী কার পক্ষ নেবেন, সেটাই দেখার ব্যাপার। নিয়মিত ভালো খেলছে লঙ্কানরা। তাই ভালো একটি দিনে বিপাকে পড়তে পারে ভারতও।
আলোচিত ব্লগ
৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....
দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...
তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা
প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর
আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন
Sajna

Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন
বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।