somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

‘গুহা’ যৌন বিশ্বাস, ব্যক্তি চিন্তার স্বাধীনতা, সমকালীন পীড়া ও নারীবাদ-নারী সামাজ চিন্তা ভিত্তিক একটি রোমান্টিক পত্রোপন্যাস...

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আমার চারটি মৌলিক বইয়ের মধ্যে এই প্রথম কাউকে নাম লিখে বই উৎসর্গ করলাম ! তাও মৃত মানৃষকে !! জীবনানন্দ দাশের বউকে !!!গুহায় প্রবেশ করতে কিংবা গুহা দর্শন করতে চলে আসুন...

‘গুহা’ একটি রোমান্টিক পত্রোপন্যাস...

সৌখিন ফটোগ্রাফার শুভ্র। তার পৃথিবী মমতাহীন শূন্যতায় ভরা। একে একে কাছের মানুষদের প্রস্থান তার জীবনকে ক্যামেরার ক্লিকের সাথে বন্দি করে ফেলে। এক সময় তার নিঃসঙ্গ জীবনে আসে দুঃখ ভাগ করে নেয়ায় আগ্রহী মানুষেরা। হয়তো তারা একই মানুষ। ভিন্ন তাদের নাম। তারা সেতু-ঋতু-রূপা অথবা স্বাতী। যারা শুভ্র’র মনস্তাত্ত্বিক ভাবনা-যৌন বিশ্বাস-উড়ন্ত নেশা ও বিপন্ন ক্ষতের সাথে ইচ্ছায় অনিচ্ছায় জড়িয়ে যায়। অথবা তারা কেউ না। শুধু শুভ্র। শুধু নিঃসঙ্গ একজন মানুষ। নিজস্বতায় নিমগ্ন। যে ক্রমশ ঢুকে যায় অচেনা এক জগতে! নিষিদ্ধ ভাষা ও চিঠির ভাঁজে...

দলে দলে ‘গুহা’ কিনতে বলবো না। কারণ ‘গুহা’ সবার জন্য নয়। ‘গুহা’ অগ্রসর চিন্তার পাঠকদের বই। তবে সময় সুযোগ হলে পড়তে বলবো।
‘গুহা’ যৌন বিশ্বাস, ব্যক্তি চিন্তার স্বাধীনতা, সমকালীন পীড়া ও নারীবাদ-নারী সামাজ চিন্তা ভিত্তিক একটি রোমান্টিক পত্রোপন্যাস...


হলদে খামে এখন আর চিঠি আসেনা। গলির মোড়ে দাড়িয়ে থাকা লাল বাক্সগুলো চলে গেছে ভাঙ্গারীর দোকানে। গাঁয়ের বধূরা এখন আর শোনেনা হরকরার ডাক। কিন্তু ভার্সুয়াল আগ্রাসনের অপপ্রভাবের ফলে চিঠি বা পত্র পাঠের পুরনো আবেগ ফিরে এসেছে মানুষের স্বভাবে।

সেই আবেগ অনুভূতির মূল্য দিতে গিয়ে লেখা হলো ‘গুহা’ পত্রোপন্যাস।

‘‘আমি কি অপরাধ করেছিলাম শুভ্র? তোমার আল্লাহ আমাকে এইরকম একটা পরীক্ষার মধ্যে কেন ফেললেন বলো। ছেলেটাকে এখন ক্রাচ কিনে দিয়েছি। ক্রাচে ভর দিয়ে একটু একট করে হাঁটতে পারে। ওর দিকে আমি তাকাতে পারি না। তাকালেই আমার চোখ ভিজে ওঠে। ওর কী দোষ বলো? ওর তো কোনো দোষ নেই। ওর একজন মা আছে।
একজন বাবারও দরকার ছিল। কিন্তু আমি গলা উঁচু করে ওর বাবার পরিচয় দিতে পারি না। এই যে নিজের এলাকা থেকে এতো দূরে এসে চাকুরী করছি, তা কেবল ওর বাবার পরিচয়টা গোপন করার জন্যই হয়তো।’’


বই : গুহা
লেখক: সানাউল্লাহ সাগর
প্রকাশনী: অনুপ্রাণন প্রকাশন
প্রচ্ছদ : আল নোমান
ধরন : পত্রোপন্যাস
পৃষ্ঠা : ১১২
মলাট মূল্য : ২৪০ টাকা

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯
স্টল নং-৫৬৫

অনলাইন পরিবেশক: rokomari.com / boibazar.com
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৫
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ঘুমিয়ে আছে কারা

লিখেছেন আরমান আরজু, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩৫




এখানে ঘুমিয়ে আছে কে?
আমি তো দেখছি সবাই জেগে
চাঁদ সূর্য হতে শুরু করে এ্যমাজন বনের অদ্ভুত প্রজাপতিটিও
ভিনগ্রহের শত বছর আয়ুর বাসিন্দারা
প্রতিটি ধূলিকণা এমনকি অদৃশ্য পবনও
গভীর সায়রের মৎস্যকন্যা হতে শুরু করে বিস্তৃত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


আব্বাসউদ্দীন আহমদের কণ্ঠে ভাওয়াইয়ার সেই কালজয়ী সুরটা আজকাল ঘনঘন খুব মনে পড়ছে-

... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারের যে কোন বড় সিধান্ত গুলো কেমন হওয়া উচিত!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭

সরকারের যে কোন বড় সিধান্ত গুলো কেমন হওয়া উচিত! বহুবার বলেছি, যারা আমার সাথে আছেন তারা নিশ্চয় দেখেছেন। সরকার যে কোন সিধান্ত দেবার আগে তার হাতে গবেষণা পত্র (কোন শিক্ষক... ...বাকিটুকু পড়ুন

জলরেখার নীচে

লিখেছেন তাহমিদ রহমান, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৫১

পৃথিবী প্রতিদিন একটি নতুন উচ্চতা আবিষ্কার করে।
কোনো জানালায় আলো জ্বলে,
কোথাও কাচের গায়ে সাঁটা হয় আরেকটি সাফল্যের বিকেল।
সিঁড়িগুলো মানুষের পদচিহ্নে মসৃণ হতে থাকে।

আমি দূর থেকে দেখি—
যেন আমার চোখই কেবল যাত্রা করে,
শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মান্তরের ক্ষুধা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১২ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:০৮




ঝিরিঝিরি বৃষ্টি, সেই সাথে গুমোট আকাশ। মেঘাচ্ছন্ন  আবহ । একটানা টুপটাপ আওয়াজ ছাড়া চারদিক সুনসান।বৃষ্টি তার ক্লান্তি কাটাতে  যেই একটু থমকে দাঁড়িয়েছে অমনি বুনো শালিকেরা নেমে এলো খাবারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×