জানা গেছে,বড়দের পাশাপাশি প্রায় 10-12 লাখ শিশু-কিশোর নানা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে শুধুই গড়াগড়িই খাচ্ছে। সরকারী হিসাবে যেখানে শিশু-কিশোর মৃত্যুর যে খতিয়ান দেখানো হয়েছে বেসরকারী হিসাবে এর সংখ্যা আরো বেশি হবে বলে উল্লেখ করেছে মানবাধিকার সংস্থা গুলো। তবে জাতিসংঘের ইউনিসেফ ইরাকে শিশু-কিশোর হত্যার সঠিক পরিসংখ্যান বের করতে ব্যস্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। আরো বলা হয়েছে,এ পর্যন্ত যে পরিমাণে মানুয়ের মৃত্যু হয়েছে তার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই শিশু-কিশোর । যারা এখনো কোনো রকমে বেঁচে আছে,তাদের অবস্থাও খুব একটা ভাল নয়।চলমান ভয়াবহ যুদ্ধ বেশির ভাগ শিশু-কিশোরের বয়স রীতিমতো বাড়িয়ে দিয়েছে।করুন অবস্থার পরিপ্রেেিত এরা এখনো বাড়িঘর,খেলাধুলা সমবয়সীদের সাথে আড্ডা ইত্যাদি ফেলে খুব প্রয়োজনীয় যা কিছু আছে তাই নিয়ে পরিবারের লোকদের সাথে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাচ্ছে বাঁচার তাগিদে। নিরাপদ স্থান ভেবেও এদের অনেকে পাচ্ছে না নিস্তার।সেখানেও ইঙ্গ-মার্কিন সেআদের হানা।বয়স অনুপাতে বোঝা বইছে যথেস্ট ভারী ও বড়সর।টিভিতে দেখা গেল,আনুমানিক5-6 বছরের একটি শিশু একটি মাঝারি আকারের টেবিল মাথায় নিয়ে পিতা-মাতার সঙ্গে রাজপথ অতিক্রম করে পাড়ি জমাচ্ছে।ইরাকের বাগদাদ, নাজাফ, কারবালা, তিরকুক, নাসেরিয়া,উমকছর ও দাজালার রাজপথ.অলিগলি ইত্যাদি প্রায় সর্বত্রই বহুশিশু-কিশোর রয়েছে,যাদের মুখের দিকে না তাকালে প্রকৃত কঠিন বাস্তবতা মোটেই উপলব্ধি করা যাবে না।যুদ্ধের বাস্তব ও শাণিত অভিগজতার ছাপ এখনো ওদের চোখে-মুখে।
পাইকারিভাবে শিশু-কিশোরদের হত্যা করা হলেও যারা এখনো জীবিত রয়েছে তাদের বেশিরভাগই নানা ধরনের কঠিন মানসিক চাপ বহন করে চলেছে।মুসলমান অধ্যুষিত দেশ হলেও ঈদের আনন্দের কথা ওদের খেয়ালে নেই।শিশু-কিশোরদের গণকবরও সৃষ্টি হয়েছে।অনেক শিশু-কিশোরকে শুধু বেত্রাঘাতের মাধ্যমে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।নানা অত্যাচার-র্নিযাতন দেখে ও সহ্য করে অনেক শিশু-কিশোর শেষ পর্যন্ত মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে।ইরাকের বেশিরভাগ জায়গায় পানি,বিদ্যুত,গ্যাস না থাকার কারণে বড়দের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদেরও অবর্ননীয় অসুবিধা হচ্ছে।লাইন ধরে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।পানির অভাবে তা পান তো দূরে কথা,শেীচ র্কম পর্যন্তকরতে পারছে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের যেমন দুষ্প্রাপ্যতা চলছে,তেমনি দামও আকাশছোঁয়া।কোথাও কোথাও পানি বিক্রি হয় দুধ বা সফট ড্রিংকের চেয়ে বেশি দামে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


