আমি মাঝে মাঝেই শুনি, এটা হচ্ছে না আমাকে দিয়ে। এটা খুব কঠিন কাজ/ এই বিষয়টা খুব কঠিন।
অনেকে তো কঠিন ভেবে সেই কাজটা বা বিষয়টারই আর ধারে কাছে ঘেষেনা।
আপনি আমি সবাই মানুষ। একটা মানুষ সব বিষয়ে পারদর্শী হবে, সেটা ভাবা ভুল। আমি কোচিং এ পদার্থ আর রসায়ন পড়াই।
তাই প্রায় সময় আমাকে শুনতে হয়, ভাইয়া রসায়ন কঠিন, এই বিষয় কম বুঝি অথবা ভাইয়া পদার্থ বিজ্ঞান পারিনা।
তাই আমি ক্লাসে শুরুর দিকে প্রায় সময় একটা কথা বলি্, সেটা হচ্ছে 'তুমিও চাইলেই আইনেস্টাইন, নিউটন অথবা মাদাম কুরি হতে পারো! কিন্তু এর জন্য তোমার যা চাই, তা হচ্ছে প্রবল ইচ্ছা শক্তি। তোমার যেমন ২টা চোখ, ২টা হাত-পা, ২টা কান, ১ টা নাক। তাদেরও কিন্তু একই। তারা পারলে তুমি কেনো পারবেনা? এমনকি তাদের মেধা আর তোমার মেধাও একই। শুধু তারা তাদের মেধা বেশি কাজে লাগিয়েছে, আর তুমি কম। তাই তুমিও তোমার মেধাকে খাটাও, দেখবে তুমিও তাদের মতো হতে পেরেছো।'
আমার এই কথা গুলো কোন আশার বাণী নয়, বরঞ্চ সত্যি।
আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে, কোন কিছু কঠিন বা না পারলে আমরা আর তা চেষ্টা করিনা। তাই সেই কঠিন আমাদের কাছে আজীবন কঠিনই থেকে যায়।
তবে একবার যদি সাহস করে এগিয়ে যাই, ভাবি কেনো এটা কঠিন লাগে, এটাকে সহজ করেই ছাড়বো, তাহলেই কিন্তু তা আর কঠিন থাকবে না, সহজ হয়ে যাবে।
শুরুতে হয়তো আপনার কাছে এটা খুব কষ্টকর হবে। তবে, যখন আপনি এর পেছনে সময় দিতে থাকবেন। কয়েক হাজার ঘন্টা!!!!! এর পেছনে ব্যয় করবেন তখন এটা সহজ হয়ে যাবে। এমনকি আপনি তখন সেই বিষয়টার পটু হয়ে যাবেন।
তবে হ্যাঁ আপনি ঠিকই পড়েছেন, কয়েক হাজার ঘন্টা এর জন্য আপনাকে ব্যয় করতে হবে। তাও আবার যা আপনার কাছে খুব কঠিন লাগে তার পেছনে। তবেই আপনিও পারবেন সেই সকল ব্যক্তিদের মত।।
জানি কাজটা কঠিন, তবে অসম্ভব নয়।
যখন আমরা কোন কাজের/ বিষয়ের পেছনে অনেক সময় দেই, তখন তা আমাদের নখদপর্ণ হয়ে যায়। তা সে যত কঠিনই হোক, সফলতা আসেই।
আপনারা নিশ্চই টমাস আলভা এডিসন এর কথা জানেন, যিনি এই আধুনিক লাইটের পথ প্রদর্শক। তিনিও কিন্তু ৯৯ বার লাইট বানাতে গিয়েও পারেনি। তাই বলে সে সেই কাজ ছেড়ে দেয়নি। উল্টো আরো বেশি সময় দিয়েছে। এবং ১০০ বারের সময় সফল হয়েছেন।
তাই, যে কোন কাজে সফল হওয়ার জন্য তা মন থেকে চাইতে হয়, এবং তার পেছনে সময় দিতে হয়।।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০১৬ ভোর ৫:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




