ও মোর রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
খুব বেশি না, মাত্র ৫-৬ বছর আগেও শেষ রোজার দিন ইফতারির পানি মুখে দিয়েই ছুটে ছাদে গিয়ে দেখতাম চাঁদ উঠেছে কিনা।
চাঁদ দেখলেই বাসার সবাই একসাথে গেয়ে উঠতাম বিখ্যাত সেই গান, ঈদের গান।
টিভি গুলোতেও একসাথে বাজতে থাকতো ঈদের গান। এই গান না শুনলে আর গাইলে ঈদের আমেজটাই যেনো আসতো না।
বিটিভিতে প্রতিদিনের অনুষ্ঠানের সূচি বলতে আশা লোকটাও একটা পাঞ্জাবি পড়ে এসে জানিয়ে দিতো কাল ঈদ।
এখনকার সময়ের ছেলে-মেয়ে গুলো এখন আর ছাদে ছুটে যায় না চাঁদ দেখতে। তারা গায় না গলা মিলিয়ে ঈদের গান। হয়তো অনেকে জানেই না এই সুন্দর ,মিষ্টি গানের লেখক বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
কষ্ট হয় ভেবে যে, এরা হয়তো কখনোই পাবে না সেই একসাথে ছাদে গিয়ে চাঁদ দেখার আনন্দ। পাবেনা একি সুরে গান গাওয়ার আনন্দ। তাদের বড়োই দুর্ভাগা মনে হয় আমার কাছে। তাদের জীবনটা কৃত্তিমতায় ভরপুর। তারা সত্যিকারের অনেক আনন্দ থেকেই দূরে।
পরিশেষেঃ আজ বিটিভিতে ঈদের গানের নতুন ভার্সন দেখে খুবই কষ্ট পেলাম, সেই মধুর গানটিকে এরা কি বানিয়েছে!!! কোথায় সেই পুরোনো মধুর সুর, যা শুনলেই ঈদের আনন্দ শুরু হয়ে যেতো, আর কোথায় এই মিউজিকে ভরপুর কৃত্তিম গান।
সবই বদলে যায়, মানুষ ও বদলে যায়। শুধু বদলায় না কিছু নিয়ম। ঈদ আসবে যাবে, আবার আসবে। এটাই নিয়ম। শুধু বদলে যাবে ঈদ পালনের ধরনের।
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

