somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

চিরকুটের কাহিনী

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ২:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ এক চিরকুটের কাহিনী বলতে কিবোর্ড চাপতে শুরু করলাম । ভবিষ্যত বাণী সম্পর্কিত চিরকুটটি লিখেছিলেন তৎকালীন জার্মানির এক ক্ষুদ্র রাজ্য প্রাশিয়ার রাজা চতুর্থ ফ্রেডারিক উইলিয়াম জার্মান জাতির পিতা অটো ফন বিসমার্ক সম্পর্কে । চিরকুটটিতে লিখা ছিল '' প্রাশিয়া রাজ্যে যদি কখনও সামরিক শক্তি অর্জন তথা যুদ্ধনীতি অনস্বীকার্য হয়ে পড়ে তখন যেন অটো ফন বিসমার্ককে চ্যান্সেলার করা হয় '' । চতুর্থ ফ্রেডারিক উইলিয়াম, ফ্রাঙ্কফুট পার্লামেন্ট এবং অবশেষে সুযোগ্য রাজা প্রথম উইলিয়াম জার্মানীর একত্রীকরণ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়ে পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষরও করেছিলেন । কিন্তু তিনি প্রাশিয়া পার্লামেন্টে পদত্যাগ পত্র উপস্থাপনের আগ মুহুর্তে তার ভ্রাতা চতুর্থ ফ্রেডারিক উইলিয়ামের লেখা চিরকুটটি পড়ার পর পদত্যাগপত্র জমা না দিয়ে শেষ চেষ্টা হিসেবে অটো ফন বিসমার্ককে ১৮৬২ খ্রিঃ সেপ্টেম্বরে চ্যান্সেলার নিযুক্ত করেন । বিসমার্কের মত যুদ্ধবাজ নেতা চ্যান্সেলার হয়েই প্রাশিয়া পার্লামেন্টে তার বিখ্যাত রক্ত ও লৌহনীতি ঘোষণা করেন অর্থাৎ অস্রের মাধ্যমেই জার্মানী একত্রীকরণের সমস্যার সমাদান । তিনি প্রাশিয়া পার্লামেন্টকে পাশ কাটিয়ে উচ্চ কক্ষের মাধ্যমে অর্থ মঞ্জুরী করে ক্ষুদ্র প্রাশিয়াকে অল্পকালের মধ্যেই এক শক্তিশালী সামরিক শিবিরে পরিণত করেন এবং কূটকৌশল ও অস্রের জোড়ে একে একে ডেনমার্ক,অষ্ট্রিয়া-হাঙ্গেরী সাম্রাজ্য ও শক্তিশালী ফ্রান্সকে সূচনীয়ভাবে পরাজিত করে ১৮৭১ সালেই জার্মানীর একত্রীকরণ সম্পন্ন করেন । আমার জানামতে বিসমার্কের মত কূটকৌশলী রাজনীতিবিদ বিশ্ব ইতিহাসে এখনও খুজে পাওয়া যায়নি । তিনি সব সময় ৫টি বল নিয়ে খেলতেন ৩টিকে সর্বদা তার হাতে রাখতেন আর ২টিকে শূন্যে ছেড়ে দিতেন অর্থাৎ ইউরোপের ৫টি বৃহৎ শক্তির ৩টিকে সর্বদা তার পক্ষে রাখতেন আর বাকী ২টিকে সর্বদা পরস্পর বিচ্ছিন্ন রাখতেন । যদিও তিনি এক চিরকুটের বলে প্রাশিয়ার চ্যান্সেলার হয়েছিলেন কিন্তু তার অবদান কোন চিরকুটে লিপিবদ্ধ নয় বরঞ্চ বিশ্ব-ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠায় তার অবস্থান ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সব হারিয়েও বেঁচে থাকা: একজন রোকসানা রুমার নিঃসঙ্গ গল্প

লিখেছেন ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬


জীবন আসলে বড় অদ্ভুত এক গোলকধাঁধা। আমরা ভাবি মেধা, ডিগ্রি আর সাফল্য দিয়ে পুরো জীবনটা সাজিয়ে ফেলা যাবে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মানুষকে কোথায় এনে দাঁড় করায়, তা কেউ জানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিটারে টাকা ভরতে গিয়ে এ কি হলো আমার সাথে। না পড়লে চরম মিস।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১২

বিদুৎ মিটার, দুই প্রকার। এক হচ্ছে প্রিপেইড আরেকটি পোস্ট পেইড। আমার কাছে পোস্ট পেইড ভালো লাগে। কারন এখানে বিলের কপি দিয়ে যায়। ও বিলের কপি নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=নীলাম্বরী সেজে আছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৮



এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।

নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।

হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×