আমরা মেধা নির্ধারণ করছি ক্লাশের ফাইনাল পরীক্ষা বা বিসিএস র্যাংকিং নিয়ে। এদেশের শিক্ষিত তরুণদের বেশীরভাগই হয়ত **হাসিন হায়দারের** নামই শুনেনি অথচ সুশান্ত পালকে(উনিও গ্রেট পিপল ফর এক্সাম লাভার,বাট উনাকে আন্ডারমাইন করার জন্য এ ষ্ট্যাটাস নয়) নিয়ে যে ধরনের উন্মাধনা সেই উন্মাদনা যদি হাসিন হায়দারদের মত লিজেন্ডদের দিয়ে হত তাহলে এদেশের মেধার সুস্বাস্থ্য বুঝা যেত। আমাদের ধারনা এক্সামের পরই সব শেষ,পা তুলে আরামের অধ্যায় শুরু হল। জাপান,তুর্কীসহ পশ্চিমাদের অনুস্বরণ করে দ্বিতীয় যুগে ধনী হওয়া দেশগুলির দিকে থাকালে দেখা যাবে তারা প্রথমেই শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কারে পদক্ষেপ নেয়। জাপানের কথা বলতে গেলে ওরা টপ পশ্চিমা দেশে বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে শিক্ষাসহ সার্বিক ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করে শিক্ষাসহ সর্বক্ষেত্রে একটি কার্যকর কর্মপন্থা নির্ধারন করে। উল্লেখ্য জাপানী প্রতিনিধিদল জার্মান ব্যবস্থা অবলম্বন করে এবং নব্য তুর্কী জাতীয়তাবাদীর অধিকাংশ জার্মানীতে পরাশুনা করায় তারাও তুর্কীতে শিক্ষা ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থায় জার্মান কর্মপদ্ধতি অবলম্বন করে। আর আমরা এখনও বৃটিশদের এদেশে প্রয়োগকৃত কেরানী তৈরীর শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে আছি,যার পরিনাম এ-প্লাসের সমুদ্রে হাবুডুবু খাওয়া। উপমহাদেশের ইন্ডিয়া,পাকিস্থান কিংবা শ্রীলঙ্কা এদের সবাই বৃটিশদের ভারতীয় সাম্রাজ্যে অনুসৃত কেরানী তৈরীর শিক্ষাব্যবস্থাকে কবে ডাষ্টবিনে ছুড়ে ফেলেছে, আর আমরা এখনও মায়ার বন্ধনে ধরে আছি।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



