somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বার্ষিক আয়ের পুরো অংশই নিয়ে যায় পুলিশ: জামায়াত

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

‘দল
পরিচালনার জন্য সারা দেশ থেকে
জামায়াতে ইসলামীর হাজার
হাজার সদস্য, কয়েক লাখ কর্মী ও
শুভাকাঙ্ক্ষীরা প্রতি মাসেই
নির্ধারিত হারে দলীয়ফাণ্ডে
টাকা প্রদান করে থাকেন। বছর
শেষে ২০১৫ সালের দলীয় আয়-
ব্যায়ের হিসাব-নিকাশ চূড়ান্ত
করার সময় ২ জানুয়ারী পুলিশ হানা
দিয়ে দলের অর্থবিভাগের ৫ জন
দায়িত্বশীলকে গ্রেফতার করে।
একই সঙ্গে জনশক্তি ও
শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রদত্ত বাৎসরিক
অর্থের পুরো অংশ নিয়ে যায়।
পাশাপাশি এ ঘটনা নিয়ে
বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টাও করা
হচ্ছে।’
আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এ
বিবৃতিতে এসব ব্যাখ্যা দেয়
জামায়াতে ইসলামী। দলের পক্ষে
ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল
ডা. শফিকুর রহমান এ ঘটনার তীব্র
নিন্দা এবং প্রতিবাদও জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘দেশবাসী
সকলেই জানেন, জামায়াতে
ইসলামী একটি আদর্শবাদী
গণতান্ত্রিক দল। ইসলামী দাওয়াহ
কার্যক্রম, সমাজকল্যাণমূলক
কর্মকাণ্ড ও গণতান্ত্রিক
রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার
জন্য জামায়াতের জনশক্তিগণ অর্থ
প্রদান করে থাকেন। তাদের দেওয়া
অর্থ দিয়েই দল পরিচালিত হয়।
জামায়াতের আয়ের উৎস তাদের
নিজস্ব জনশক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীগণ।
জামায়াতের এ আয় এবং ব্যয়
দৃশ্যমান। জামায়াতের আয়-ব্যয়ের
হিসাব নির্বাচন কমিশনে দাখিল
করা আছে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার
২০১১ সাল থেকে জামায়াতের
কেন্দ্রীয় এবং মহানগরী অফিসসহ
সারা দেশের জেলা ও উপজেলা
পর্যায়ের কার্যালয়সমূহ বন্ধ করে
রেখেছে। সরকার একদিকে অফিস
ব্যবহার করতে দিচ্ছে না, অপরদিকে
কোথাও বসতেও দিচ্ছে না।
জামায়াতের জনকল্যাণমূলক
কার্যক্রম পরিচালনার জন্য
যেখানেই বসে কার্যক্রম
পরিচালনা করা হচ্ছে, সেখানেই
পুলিশ হানা দিচ্ছে।
তিনি বলেন, ২০১৫ সালের শেষ
প্রান্তে জামায়াতের জনশক্তি ও
শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রদত্ত অর্থ
সংগঠনের নিকট জমা হয়। সারা
বছরে জনশক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের
প্রদত্ত অর্থের হিসাব-নিকাশ
চূড়ান্ত করার সময় পুলিশ হানা দিয়ে
সংশ্লিষ্ট বিভাগের ৫ জন
দায়িত্বশীলকে গ্রেফতার করে।
এসময় জনশক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের
প্রদত্ত বাৎসরিক অর্থের পুরো অংশ
নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, দেশবাসী নিশ্চয়ই
জানানে, জামায়াতের জনশক্তি ও
শুভাকাঙ্খীদের প্রদত্ত অর্থ
কল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা হয়।
জামায়াতের ইতিহাসে কোন
ধরনের নাশকতা তো দূরের কথা,
অবৈধ ও বেআইনি খাতে অর্থ ব্যয়
করার কোন নজির নেই। রাষ্ট্রের
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
নাশকতার কাজে অর্থ ব্যয়ের যে সব
কথা অপপ্রচার করছে তা সম্পূর্ণ
রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
আমরা এ অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও
প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
জামায়াতের আয় থেকে সাংগঠনিক
ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম
পরিচালনার পাশাপাশি জামায়াত
অফিসের কর্মকর্তা এবং
কর্মচারীদের বেতনভাতাও এ অর্থ
থেকে দেয়া হয়।
তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট ভাষায়
বলতে চাই, জামায়াতে ইসলামী
সকল প্রকার নাশকতামূলক
কর্মকাণ্ডকে ঘৃণা করে। সরকার
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে
মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে
নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি
বলেন, গতকাল আইন-শৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনী জামায়াতের
জনশক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রদত্ত
সারা বছরের অর্থই শুধু নেয়নি,
অফিসের আসবাবপত্র ও জরুরি
জিনিসপত্রও নিয়ে যায়। আমি
সরকারের ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের
তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি
এবং সকল অর্থ ও আসবাবপত্র ফেরত
দেয়ার এবং গ্রেফতারকৃতদের এই
মুহূর্তে মুক্তি দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান
জানাচ্ছি।’
শীর্ষ নিউজ
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাষ্ট্রের ভুলের মূল্য কি তবে শিশুদের জীবন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৪


যেকোনো দেশে শিক্ষিত নাগরিককে রাষ্ট্রের সম্পদ মনে করা হয়। তাদের জ্ঞান, বুদ্ধি আর অভিজ্ঞতা দিয়ে রাষ্ট্র উপকৃত হবে, এটাই স্বাভাবিক প্রত্যাশা। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক সময় চিত্রটা যেন উল্টো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের সুদিন ফিরিয়ে আনতে ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত আবেদন

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৬


শ্রদ্ধেয় ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত নিবেদন,
ব্লগের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কিছু কথা দীর্ঘদিন ধরেই মনে জমে আছে। কথাগুলো কোনো অভিযোগ হিসেবে নয়, বরং একজন সাধারণ ব্লগার ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে কোন 'জঙ্গী' নেই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:২৫

'জং' শব্দটার অর্থ 'যুদ্ধ'। এভাবে, জঙ্গী কথাটার অর্থ দাঁড়ায় - যোদ্ধা বা যুদ্ধ করেন। যে কোন যুদ্ধই প্রাণহানি ডেকে আনে। আগের কালে, রাজারা যুদ্ধ করে দেশ জয় করতেন। তাঁদের অণ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম

লিখেছেন অপলক , ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×