শুভ্র সকাল
-- সাজ্জাদ হোসেন
বেলী ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে গাছটা আজ
সুবাসে তার পূর্ণ হল আমার ঘর,
হয়নি কো সে পর;
তবুও কেন সইছে না যে তর?
তার তরে আছি বসে একেলা
বসে আছি এই বেলা আমি
বসে আছি এই নিরালায়॥
হয়তো আছো তুমি অনেক দূরে,
তবুও লাগে যেন আছো তুমি পাশে
আছো তুমি আমারই পাশে।
হয়ত দেখছো না আমায় তোমার চর্ম চক্ষু দিয়ে
হয়ত বন্ধ আছে তোমার মরমের চক্ষু
চলো যাই উড়ে যাই
যেদিকে চাই উড়াল দেই
ঐ গোধূলি বেলায়
হয়ে শঙ্খচিল,
নয়তো শালিক॥
দেখনিকি তুমি আঁখি দিয়ে ঐ সকালের তারুণ্য?
সূর্যের ঐ কিরণ
আর কিরণমালার বালা,
দুটি যেন হয় একাকার ঐ শুভ্র সকালবেলা
হয়ে যায় যেন এক প্রতীমা মেলা।
দিবাকরের কিরণ করে ধারণ
কিরণমালা হয়ে যায় প্রেমের পলা।
তোমার তনুতে সেই অণুরই উপাখ্যান রচিত আমি,
জান নাকি তা তুমি?
হাজার বছর ধরে আছি বসে আমি
বসে আছি আমি অপেক্ষায় এই প্রহরের তরে।
পেলাম তোমায় আমি এই শুভ ক্ষণে,
ক্ষণে ক্ষণে শুভ ক্ষণে,
এই শুভ্র সকাল বেলার বিমূর্ত ক্ষণে।
চাইব আমি, থাক তুমি
সদা স্মিত হাস্য বালিকা হয়ে।
হয়ে আমার রাজকন্যা।
প্রশংসায় যার হবে সবে পঞ্চমুখ,
সে মুখ দেখে হব আমি উল্লসিত,
পুলকিত, আর উৎফুল্ল - হে রাজকন্যা !
হে রাজকন্যা !
তুমি আমার , বাসি আমি ভাল তোমায়
তোমার ঐ চাহনি
তোমার ঐ দুষ্টুমি
বুঝেও না বোঝার ভণিতা,
ঐ দুষ্টু মিষ্টি স্মিত হাসি,
আমি বড়ই ভালবাসি॥
তাই মনে পড়ে তোমায় এই শুভ্র সকাল বেলায়
ও, হে রাজকন্যা !

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



