এবছর ৯ মে নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৪ আগস্ট ২০১৮ তারিখে ৩ মাসেরও বেশী সময় পরে এমপি হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Tan Sri Muhyiddin Yassin . এ প্রসঙ্গে মালয়েশিয়ার এমপিদের শপথ গ্রহণ নিয়ে আজকের পোস্ট।

মিস্টার মুহিদিন প্রধানমন্ত্রী তুন মাহাথিরর খুব কাছের লোক। মাহাথিরের নতুন প্রতিষ্ঠিত দল Parti Pribumi Bersatu Malaysia ( PPM) এর তিনি চেয়ারম্যান।



গুরুতর অসুস্থ থাকায় এক মাসের ছুটি নেন চিকিৎসার জন্য। তার চিকিৎসা শেষ হওয়ায় তিনি এমপি হিসাবে শপথ নিলেন।

আমাদের বাংলাদেশে নির্বাচনের দিন ভোট গ্রহণের পরপরই সন্ধ্যায় ভোট গণনা শুরু হয়। সারা রাত ধরে চলে গণনা। সব শেষে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সংশ্লিষ্ট আসনের ফল ঘোষণা করেন। এটাকে বলা হয় বেসরকারী ফলাফল। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারী ফল ঘোষণা করেন।

মালয়েশিয়াতে নির্বাচনের পরপরই ভোট গণনা শুরু হয়। গণনা শেষ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ফলাফল রাজধানী পুত্রাজায়াতে পাঠান। সব আসনের ফল চলে আসলে শেষ রাতে নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান (এখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলে কেউ নেই) ফল ঘোষণা করেন। এটাই সরকারী ভাবে ঘোষিত আনুষ্ঠানিক ফল। এই ফলাফলের উপর ভিত্তি করেই বিজয়া জোট বা দলের নেতাকে রাজা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ ও সরকার গঠনের জন্য আহবান জানান।

বাংলাদেশে নির্বাচনের ফল গেজেট হবার পর নতুন এমপিদেরকে শপথ নেয়ার জন্য ডাকা হয়। সাধারণত একটি দলের সব এমপি একই তারিখে শপথ নেন। শপথ করান সাবেক স্পিকার। (৫ম সংসদের সাবেক স্পিকার জাতীয় পার্টির হওয়ায় শপথ পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এটি একটি ব্যতিক্রম। )

শপথ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা শপথ নেন। সরকার গঠিত হয়। এর পর সংসদের অধিবেশন বসে।
মালয়েশিয়াতে এমপিরা শপথ নেন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশনের দিন।বাংলাদেশের মতো দলগত ভাবে নয়।

এখানে প্রত্যেক সদস্যকে পৃথক পৃথক ভাবে শপথ গ্রহণ করতে হয়।যার যার শপথ তাকেই নিতে হয়। কেউ শপথ পাঠ করায় না। শপথ পাঠ শেষ হলে রাজা নতুন সংসদে ভাষণ প্রদান করেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১১:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



