আমার কয়েক জন বন্ধু আছে যারা সরকারি অফিসে চাকরি করে । তাদের কাছে মজার একটি তথ্য জানতে পারলাম।
তথ্যটি হচ্ছে
সরকারি অফিসে চাকরি করলে তার বেতনের একটি নির্দিষ্ট অংশ সরকারী হিসাবে জমা রাখতে হয় এই টাকাটা জমা রাখতে হয় মূলত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে । সরকার মনে করে যে , এক জন সরকারি কর্মচারী যে টাকা বেতন পায় সেই টাকা বেতন পায় সে যদি পুরোটাই খরচ করে ফেলে অথবা কিছুটা সে নিজের সঞ্চয় করে সে যাই হোক সে যেটাই করুক না কেন তার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সরকার বেতনের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অংশ কেটে নিয়ে তাদের হিসাবে জমা করে রাখে। যখন উক্ত কর্মচারী অবসরে যাবেন তখন সেই টাকাটা তুলে নেন এবং বড় একটা অংক তার হাতে আসে। এই টাকাটা শেষ জীবনের নিরাপত্তা হিসেবে কাজ করে।
সরকার যে অংশ বেতন থেকে কেটে নেয় সেই অংশের উপর সরকার বাৎসরিক একটা চক্রবৃদ্ধি আকারে সুদ প্রদান করে । এই সুদের পরিমাণ খুবই আকর্ষণীয় । বর্তমানে কোন ব্যাংকে ৬-৭ শতাংশের বেশি সুদ দেয়া হয় না। কিন্তু সরকার এখানে ১২ শতাংশেরও বেশি সুদ দিয়ে থাকে।
সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশে ধার্মিক মানুষের সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে ।তাই দেখা গেছে অনেক সরকারি কর্মচারী সুদ খেতে আর রাজি না। আবার লোভে পরে আকর্ষণীয় বড় অঙ্কের টাকা ছেড়েও দেওয়া যায় না ।
কিন্তু সাধারণ কিন্তু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে টাকাটা সরকারের হিসাবে জমা করে রাখে সেই হিসাবে চক্রবৃদ্ধিহারে বছরে যে সুদ দেওয়া হয় সেটা তারা না নিয়েও পারছেন না।
তাই বেশ কয়েক দিন আগে বিভিন্ন জ্ঞানী লোক জন মিলে এই সুদের নাম পরিবর্তন করে মুনাফা রেখেছেন।
কেননা সুদ খাওয়া হারাম। মুনাফা খাওয়া হারাম নয়।
পানিকে আপনি/ আপনারা যেই নামেই খান/পান করুন না কেন উহা পানিই থাকবে। উহার গুণগত কোন তারতম্য হবে না।
মানুষের তৃষ্ণা মেটাবে।
সরকার নাকি এক ঘোষণায় বলেছে, এখন থেকে আর সুদ দেওয়া হবে না । দেওয়া হবে মুনাফা।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



