রাত ৮টার দিক খুলনা রুপসা ষ্টান্ডের বাড়ী থেকে মনু ভাই ফোন দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললেন ওরা তোর জুয়েল ভাইকে ধরে নিয়ে গিয়েছে। তুই উচ্চ পদস্থ সরকারী গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা, সরকারের হয়ে কাজ করিস। ধার্মিক আর এলাকার সবার প্রিয় মুখ শান্ত শিষ্ঠ ও পরোপকারী জুয়েলকে পুলিশ ধরে নিয়ে এখন ইয়াবা ধরিয়ে দিয়ে ইয়াবা চোরাকারবারী হিসাবে চালান দিচ্ছে। মেঝ ভাইকে আস্বস্ত করলাম চিন্তা করেন না দেখি কি করা যায়। ভাই জানালেন থানা পুলিশ ১ লক্ষ টাকা চেয়েছে জুয়েল ভাইকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য, নচেৎ জেল হাজতে ও আদালতে সোপর্দ করার হুমকি দেওয়া হয়েছে পুলিশ থেকে। আমি জুয়েল ভাইয়ের আর আমার পরিবারের এ অসহাত্বের কথা শুনে নিজেকে বড় অপরাধী মনে হলো। পুলিশ এ দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য সরকারের মূখপাত্র হিসাবে কাজ করার কথা থাকথেও তারা জঙ্গী দমনের নামে আজ মানুষদের হয়রানি করছে বলে চারিদিকে বিস্তর অভিযোগ। সরকার চেয়েছে মানুষের শান্তি নিরাপত্তা নয়, পুলিশের ঘুষ মানিজ্য। জুয়েল ভাইয়ের মতো পত্রিকা জুড়ে পুলিশের বিরুদ্ধে এমন নিরাপরাধ মানুষকে ধরে নিয়ে ঘুষ বানিজ্যোর অভিযোগ প্রতিদিনের। জঙ্গী নিধনের নাম পুলিশের এ বানিজ্যের অভিযোগ সরকারকে বিব্রত করছে। জানিনা পুলিশের এ চক্রে কতজন সন্ত্রাসী চাঁদা দিয়ে বাইরে ঘুরছে আর অসহায় নিরাপরাধ সাধারণ মানুষরা জেলে ঢুকছে। পুলিশের এ বানিজ্যের কারনেই ২০১৩-২০১৪ সালে গ্রেফতারকৃত হাজার হাজার সন্ত্রাসীরা আজ জামিনে মুক্ত হয়ে দেশে মানুষ হত্যা করছে। পুলিশ এর কি জাবাব দিবে? এদের হিসাব তাদের দিকট আছে কি?
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




