বর্তমান সরকারের অর্থনীতির প্রধান লক্ষ্য হলো গ্রামের উন্নয়ন। ২০২১ সালে বাংলাদেশ মধ্যআয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে হলে সর্বপ্রথম প্রয়োজন গ্রামের উন্নয়ন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়। দেশ থেকে নিরক্ষরতামুক্তসহ ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করা হয়। গ্রামের অর্থনীতি দেশের প্রাণ গ্রামীণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। বিরোধী দলের সময়ে বন্ধ করে দেয়া ১৬ হাজার ক্লিনিকের মাধ্যমে এখন গ্রামীণ মানুষের চিকিৎসা সেবাসহ তাদের বিনামূল্যে ত্রিশ প্রকার ওষুধ দেয়া হচ্ছে। দেশে দারিদ্র্যের হার কমেছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশ সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। দেশে রিজার্ভের পরিমাণ ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দেশের বিশেষ জায়গায় একশটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে দেশ। আগামীতে কোনো ঘর অন্ধকারে থাকবে না, প্রতি ঘরে আলো জ্বলবে এই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। বিরোধী দল বাংলাদেশকে সন্ত্রাসের চারণভূমিতে পরিণত করেছিল। ২০১৪ সালে ১৩৫ জনকে হত্যা করেছে। মন্দির, গির্জায় অগ্নি সংযোগ করেছে। চলন্ত বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করেছে। রিকশা ও সিএনজি ড্রাইভারকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। তাদের তান্ডবে ৫০৮ জন অগ্নিদগ্ধসহ ৫৬৯ জন আহত হয়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস মোকাবেলায় সারাদেশে ব্যাপক জনমত গড়ে তুলে দেশ থেকে সকল জঙ্গি ও সন্ত্রাস দূর করতে সফল হয়। বাংলাদেশে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। আগামীতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিণত হবে। এই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে বর্তমান সরকার সমুদ্রসীমানা জয় করে সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগাতে চায়। এ জন্য কক্সবাজারে গড়ে তোলা হচ্ছে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট। পরবর্তীতে করা হবে সি এ্যাকোরিয়াম।এভাবেই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




