বুয়েট থেকে বাসায় ফিরছিলাম সেদিন। বেশ কিছু দিন হলো শাহবাগ হয়ে আসি না তাই শাহবাগের প্রযন্ম চত্তর হয়ে বনানী আসছিলাম। প্রযন্ম চত্তর পার হয়ে বাংলা মটর আসতেই খেয়াল করলাম আমার ভেসপার হর্ন বাজছেনা। একটুদুর যেতে খেয়াল করলাম হর্ন চাপ দিতেই হর্নের বদলে কি যেন আওয়াজ হচ্ছে। ভাল করে শুনে দেখলাম কি যেন বলছে। এবার ভেসপা থামাইয়া জোরে হর্ন বাজাতে থাকলাম, কিন্তু একি ? ভেসপা থেকে আওয়াজ আসছে স-তে সুমন, তুই নাস্তিক, তুই নাস্তিক। আবার বাজালাম... সেই একই আওয়াজ স-তে সুমন, তুই নাস্তিক, তুই নাস্তিক। পড়লাম মহা বিপদে। শেষ পর্যন্ত উপায় না দেখে হর্নের ক্যাবলটা আনপ্লাগ করতেই ধোয়া বের হতে লাগলো... কিছু বুঝে উঠার আগেই............ মুহাআআআআআহাআআআআ... হুকুম করুন মালিক (বুঝলাম জ্বিনের পাল্লায় পরছি)।
আমিঃ কি করি বলোতো জ্বিন ? মান সম্মান নিয়া কি বাসায় যাইতে পারুম না ?
জ্বিনঃ মালিক আপনিতো মস্তবড় ভুল কইরা ফালাইছেন।
আমিঃ কি ভুল ?
জ্বিনঃ ঢাকা শহতে এত রোড-ঘাট থাকতে আপনি প্রজন্ম চত্তর দিয়া আসছেন কেন? এখন ঠেলা সামলান
আমিঃ এখন কি করবো তাই বলো।
জ্বিনঃ তাড়াতাড়ি মাজারে গিয়া মুসলমান হইয়া আসেন।
আমিঃ মাজার ? কোন মাজারে ? কেমনে যামু কউ।
জ্বিনঃ ডাইনে গিয়া সোজা পল্টন চলে যান। ওইখানে জিজ্ঞাস করবেন “লাল গোলাপীর” মাজার কোনটা।
আমিঃ মাজারে গিয়া কারে খুজমো, আর কি কমু ?
জ্বিনঃ মাজারের তিন তলায় গিয়া দেখবা গোলাপী বেগম বইসা আসছে। তার কাছে গিয়া বলবা যা করছি ভুল করছি, আমি আর নাস্তিক থাকতে চাইনা। আমাক আস্তিক বানাইয়া দেন।
(গল্পের প্রতিটি চরিত্র কাল্পনিক, কারোসাথে আংশিক বা হুবুহু মিলে গেলে মাফ কইরা দিয়েন)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



