ফুরায় যাইতে থাকে উৎসবের রাইতগুলা,
সাধারণত একলাই থাকি আমি এবং আমরা।
আগন্তুক কোন একটা দিনে কথা আছিলো আমাগো উৎসব থাকবো
পার্সোনাল আকাশে লাল-নীল তারাবাতি আর-
চাইর ঠোঁটের মইধ্যে তেইশটা মোমবাতি।
শেষ পর্যন্ত সুনীল বাবুর মতো কারোই কথা রাখার মতো লোক থাকেনা।
আমাগো আতশবাজি পোড়াইতে জানে, ধোয়া উড়াইতে জানে,
কোন স্পেশাল রঙ নাই তার, এমনকি নাই উৎসবের শব্দও!
এবং থাকেনা সাধারণত।
শুকনা নেশার ফুল পোড়াই আমরা, ধোঁয়া ওড়াই, আতশবাজি ফোটাই
নিউরোনের তৈরী ভার্চুয়াল আকাশে। চোখে রঙ লাগে, নকল রঙ, আসল রঙ।
বুকে চাপায় রাখা পাথরটা তবু নড়েনা। নিজেরে দুর্বল লাগে তখন।

তারা দেখি, নকল তারা, আসল তারা। অন্ধকার আকাশ
কেউ কেউ আলো নিয়া খেলা করে। অন্তরে অন্ধকার
চুপসায় যাইতে থাকি আগুন নিভ্যা যাওয়া ফানুশের মতোন।
বাতাসে উলটাপালটা উড়ি, খাবি খাই।
দোকানে রুটি-কলা খাই, সিগারেট টানি।
আমার কলম দুঃখ খায়, স্পাইরাল খাতাডা দুঃখ খায়।
আশা খাই, দুরাশা খাই, আপোষের দেওয়ালে মাথা গুইঞ্জা রাখি।
আমার ভাল্লাগেনা, উৎসব বিরক্ত লাগে। হিংসা লাগে
কইলজা জ্বলে, বুক দপ দপ করে। পালপিটিশন বাইড়া যায়।
ঘুমাইতে ইচ্ছা করে, ঘুম আসেনা।
এক দুঃখ পরিমান সময় ক্যান ঘুমান যায়না?
ক্লোনাজিপামও হাইরা যায় বারবার।
আমার ঘুমাইতে ইচ্ছা করে, ঘুম আসেনা
কানতে ইচ্ছা করে, কান্দন আসে না।
তাইলে কি আমি অসামাজিক? যদিও-
চা-রুটিওয়ালাগো মইধ্যে আমি সুখ খুঁজতে পারি। আজ সেইটাও পাইতেছিনা।
আমার ভাল্লাগেনা। ঘুমাইতে ইচ্ছা করে, এক দুঃখ পরিমান ঘুম।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ভোর ৬:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



