somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেজুতি_শিপু
একজন অস্থির মানুষ। বৈপরীত্যকে লালন করি নিজের ভিতরে । সময়ের ধুলোবালি দৃষ্টিকে ঝাপসা করে- তবু চোখ মেলে চেয়ে থাকি নির্বিকার। অন্তরাত্মা চিতকার করে তবু শান্ত ভাবে হেঁটে চলি -যেন অন্যকারো চলা । উচ্চারিত কথামালা-সে ও যেন অন্য কারো বলা।

ধর্ম : আমার একান্ত বিশ্বাস ও স্রষ্টার সাথে একলা আমার সম্পর্ক

২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মানুষ যে সমাজ গড়েছে , যে সভ্যতা নির্মাণ করেছে সেখানে ধর্মের একটি শক্তিশালী অবস্থান র‌য়েছে। মহাবিশ্বের দিকে তাকিয়ে মানুষ যখন আত্মপরিচয় অনুসন্ধাণ করে, জাগতিক অনেক প্রশ্নের জবাব পায় না তখন ধর্ম তাকে পথ দেখায়। মহান সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস তাকে স্বস্তি দেয়, আত্মসমর্পন তাকে মুক্তি ও শক্তি দেয়। রবীন্দ্রনাথ যেমন বলেছেন,

"মহাবিশ্বে মহাকাশে মহাকাল-মাঝে
আমি মানব একাকী ভ্রমি বিস্ময়ে, ভ্রমি বিস্ময়ে ॥
তুমি আছ, বিশ্বনাথ, অসীম রহস্যমাঝে
নীরবে একাকী আপন মহিমানিলয়ে ॥" -এই "তুমি" আছো অনুভব মানুষের পাথেয় হয়। অজানা পথে কেউ আমাকে কোন উদ্দেশ্যে নিয়ে এসেছে, হাত ধরে আছে, পথ দেখাচ্ছে, বিপদে রক্ষা করছে , কারো কাছে হাত পেতে চাওয়া যায়- এই বিশ্বাস মানুষকে সাহসী করে । শক্তি যোগায় । এখানেই ধর্মের উন্মেষ ঘটে। আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে আত্মমুক্তির পথ খোঁজার পাশাপাশি ধর্ম ব‍্যক্তি ও সমাজ জীবনে শৃঙ্খলা , ন‍্যায়, সততা ও সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠার কাজটিও করে। খুব লক্ষ‍্য করলে দেখা যাবে, ধর্ম মানুষকে যে মুক্তির পথ দেখায় তা মূলত: অর্জন করা সম্ভব তখনই যখন সমাজ ও ব‍্যক্তি জীবনে যে সমস্ত শৃঙ্খলা, ন‍্যায় আচরন, ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার কথা বলেছে সেগুলি যথাযথভাবে পরিপালিত হবে।

বাংলা 'ধর্ম' এসেছে একটি সংস্কৃত শব্দ থেকে, যার মূল অর্থ 'ধারণ করা' (√ধৃ ধাতু থেকে) । সহজ কথায়, যা ধারণ বা বহন করা হয়, অর্থাৎ মানুষের সহজাত গুণ, কর্তব্য, সততা, এবং নৈতিক জীবনযাপনের নিয়মই হলো ধর্ম । প্রতিটি জিনিসের নিজস্ব ধর্ম র‌য়েছে, যেমন আগুনের ধর্ম- তাপ ও আলো, পানির ধর্ম, বায়ুর ধর্ম। তেমনি জন্মগতভাবে মানুষের ধর্ম -মনুষ্যত্ব। মনুষ্য সমাজের বাইরে যে শিশুটি জন্মের পর কোন ধর্মশিক্ষা পায়নি, কোন গ্রন্থ তার হাতে তুলে দেওয়া হ্য়নি- ধরেন, টারজানের মত জংগলে তার ধর্ম কি হবে? মানুষ হিসেবে -তার কেবলই মনুষ্যত্ব থাকবে । কিন্তু সমাজবদ্ধ জীবনে সে ধর্মকে পায়। এই ধর্ম কেবল বিশ্বাস নয়, বরং মানুষের কল্যাণ ও উন্নত জীবনের পথ । কখনও আবার ধুরন্ধর মানুষদের অস্ত্র ও বটে।

ফলে, চারদিকে ধর্ম নিয়ে চরম উন্মাদনা ও সংঘাত, রেষারেষি আমরা দেখে আসছি অনাদি কাল থেকে। এর মূল কারণ হলো গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবেগ, যা অনেক সময় অজ্ঞতা বা ভুল ব্যাখ্যার কারণে সহনশীলতা হারিয়ে উগ্রতায় রূপ নেয় । নিজের বিশ্বাসকে একমাত্র সত্য মনে করা, রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের ব্যবহার, এবং ভিন্ন মতের প্রতি অসহিষ্ণুতা এই পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।
ধর্ম নিয়ে মানুষের এত মাতামাতি—এটা নতুন কিছু নয়, বরং মানব ইতিহাসের খুব পুরোনো এবং গভীর একটি প্রবণতা। এর পেছনে কয়েকটা শক্তিশালী কারণ কাজ করে:

১. পরিচয় ও নিরাপত্তা : ধর্ম অনেক মানুষের জন্য শুধু বিশ্বাস নয়, নিজের পরিচয়ের অংশ। “আমি কে?”—এই প্রশ্নের উত্তর তারা ধর্ম থেকে পায়। এতে একটা মানসিক নিরাপত্তা তৈরি হয়।

২. অর্থ ও উদ্দেশ্য খোঁজা: জীবন, মৃত্যু, কষ্ট—এসব কঠিন প্রশ্নের সহজ উত্তর ধর্ম দেয়। ফলে মানুষ সেখানে আশ্রয় খোঁজে, বিশেষ করে অনিশ্চয়তার সময়ে।

৩. সামাজিক বন্ধন :ধর্ম মানুষকে একত্র করে—একই রীতি, উৎসব, আচার পালন করতে গিয়ে একটা “আমরা” বোধ তৈরি হয়। এটা যেমন শক্তি, তেমনি কখনও “ওরা” বনাম “আমরা” বিভাজনও তৈরি করে।

৪. আবেগ ও বিশ্বাসের গভীরতা : ধর্ম যুক্তির চেয়ে অনেক সময় আবেগের জায়গায় কাজ করে। তাই কেউ ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুললে মানুষ সেটা ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে নিতে পারে—এখান থেকেই অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া বা “মাতামাতি” দেখা যায়।

৫. রাজনীতি ও ক্ষমতা: অনেক সময় ধর্মকে ব্যবহার করা হয় মানুষের আবেগকে প্রভাবিত করতে—রাজনীতি, ক্ষমতা বা স্বার্থের জন্য। এতে বিষয়টা আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

৬. পরিবর্তনের ভয়: সমাজ দ্রুত বদলালে মানুষ অনেক সময় পুরোনো বিশ্বাস আঁকড়ে ধরে। ধর্ম তখন এক ধরনের স্থিতিশীলতা দেয়, ফলে সেটাকে নিয়ে বেশি জোড়াজুড়ি দেখা যায়।

তবে একটা স্বস্তির ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—সবাই ধর্ম নিয়ে “মাতামাতি” করে না। কারও জন্য এটা খুব ব্যক্তিগত ও শান্ত বিশ্বাস, স্রষ্টার সাথে তার একান্ত সম্পর্ক। আত্মনিবেদন । নীরবে পালন করা ও শান্ত চিত্তে স্রষ্টাকে ধারন অজানা অচেনা জীবন পেরিয়ে যাওয়া।
ধর্মকে শান্তভাবে পালন করা আর সেটাকে মানব শান্তির জন্য ব্যবহার করা—এটিই আসলে জগতে শান্তি বয়ে আনতে পারে। যার শুরুটা ভেতর থেকে করতে হবে, বাইরের তর্ক দিয়ে নয়। আমি মনে করি, জোর করার, চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয় এটি।

কীভাবে শান্তভাবে ধর্ম পালন সমাজ , জাতি, পৃথিবীর মঙ্গল বয়ে আনতে পারে:
১. ব্যক্তিগত চর্চাকে প্রাধান্য দিন : ধর্মকে নিজের আত্মশুদ্ধি, নৈতিকতা আর মানসিক শান্তির পথ হিসেবে নিন। অন্যকে প্রমাণ করার বা বোঝানোর চাপ কমান। এতে অহং কমে, শান্তি বাড়ে।

২. ভিন্ন বিশ্বাসকে সম্মান করা :আপনার বিশ্বাস সত্য , কিন্তু একমাত্র সত্য—অন‍্য সবাই ভ্রান্ত এমন ধারণা থেকেই সংঘাত শুরু হয়। অন্যের পথ আলাদা হতে পারে—এটা মেনে নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।

৩. কেবল আচার নয়, মূল্যবোধে জোর দিন : সহানুভূতি, সততা, ক্ষমা—এই গুণগুলোই প্রায় সব ধর্মের মূল। শুধু রীতি মানলেই নয়, এগুলো জীবনে আনলে ধর্ম শান্তিময় হয়।

৪. আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও ধৈর্য: ধর্ম নিয়ে আলোচনা হলে উত্তেজিত না হয়ে ধৈর্য রাখা জরুরি। সব কথার জবাব দিতে হবে—এমন বাধ্যবাধকতা নেই।

৫. জ্ঞানভিত্তিক চর্চা: নিজের ধর্ম সম্পর্কে গভীরভাবে জানুন। অনেক ভুল বোঝাবুঝি বা চরমপন্থা আসে অজ্ঞতা থেকে।

মানব শান্তির জন্য ধর্মকে সার্বজনীনভাবে ব্যবহার করা যায়

১. “মানুষ আগে”—এই নীতি: ধর্ম যদি মানুষকে ছোট করে, বিভাজন তৈরি করে—তাহলে সেটা তার মূল উদ্দেশ্য হারায়। মানুষের মর্যাদা আগে রাখতে হবে।

২. সেবামূলক কাজকে গুরুত্ব দিন: গরিবকে সাহায্য করা, অসুস্থের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষায় সহায়তা করা—এই কাজগুলোই ধর্মকে বাস্তব শান্তিতে রূপ দেয়।

৩. সংলাপ ও বোঝাপড়া বাড়ানো: ভিন্ন ধর্মের মানুষের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা করলে ভুল ধারণা কমে। শত্রুতা কমে যায় পরিচয়ের মাধ্যমে।

৪. ঘৃণার বদলে সহানুভূতি শেখানো: ধর্মীয় শিক্ষা যদি ভালোবাসা ও ক্ষমা শেখায়, তাহলে সমাজে সহিংসতা কমে।

৫. নেতাদের দায়িত্ব: ধর্মীয় ও সামাজিক নেতারা যদি শান্তির বার্তা দেন, তাহলে অনুসারীরাও সেই পথেই হাঁটে।

আজকাল অনেকে ধর্মমুক্ত পৃথিবীর ধারণাকে প্রচার করতে চায় । যেন ধর্মেই সকল নেতিবাচকতার বীজ । ব‍্যপারটা তো তা নয় । স্বার্থান্বেষী , ক্ষমতালিপ্সু, লোভী মানুষেরা যে কোন কিছুকে হাতিয়ার বানাতে পারে। তাদের হাতে কোন কিছুই নিরাপদ নয়। কাজেই, ধর্ম সমস্যা নয়—সমস্যা হয় যখন মানুষ মর্ম উপলব্ধি করে “আত্মশুদ্ধির পথ” না খুঁজে ধর্মকে “অস্ত্র” বানায়। আমি বিশ্বাস করি স্রষ্টা আমাদের সৃষ্টির সাথে সাথে অন্তর্গত ধর্ম আমাদের সিস্টেমের মধ‍্যে দিয়ে দিয়েছেন। তার বাইরে যাবার ক্ষমতা মানুষের নেই। স্রষ্টা যে সমস্ত ধর্ম আমাদের দিয়েছেন তার অন‍্যতম একটি অংশ হল অনুসন্ধিৎসা। এই অনুসন্ধিৎসা মানুষকে রহস‍্য উন্মোচনে উদ্বুদ্ধ করে। মানুষ খোঁজে। খুঁজতে খুঁজতেই, অন‍্য অনেক জ্ঞান বিজ্ঞানের শতধা বিভক্ত ধারার মত ধর্মের বিকাশ ঘটেছে। যেখানে স্রষ্টাকে খোঁজা , তার সান্নিধ্য ও আনুকূল্য লাভ করাকে অনেক মানুষ জীবনের লক্ষ‍্য হিসেবে গ্রহণ করেছে। খারাপ তো কিছু নয় । এই বিশাল, বিপুল , অপার, অজানা, বিষ্ময়কর বিশ্বব্রহ্মান্ডে নিজের অস্তিত্বের কারন খুঁজে বের করতে চাওয়া তো খারাপ কিছু নয়। খুঁজুক, সবাই খুঁজুক, সব পথে খুঁজতে থাকুক। কে জানে তিনি কোন পথ প্রান্তে বসে আছেন। এমন হতে পারে সকল মহৎ পথই তাঁর কাছে পৌঁছাতে পারে। কেবল আমার পথই তাঁর কাছে পৌছাবার একমাত্র পথ এটা নিয়ে মারা মারি করবেন না। জগতে অশান্তি তৈরী করবেন না। যখনই আপনি তা করছেন তখনই আপনি দূরে সরে যাচ্ছেন। এক অর্থে তাঁর সর্বময়শক্তির প্রতি আপনার অনাস্থা প্রকাশ পাচ্ছে। কেননা তিনি কোন কিছু করতে চাইলে,” হও” উচ্চারণ করাটাই যথেষ্ট। তিনি চাইছেন বলেই এত মত , এত পথ , এত মাধ্যম টিকে আছে। তাইনা?

-------------------------------------
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৩৬
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭


আজ দেশজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৪ -এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভ্ন্নি সময়ে বহু নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরেছে। আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও নাম জানা-অজানা হাজারো ব্যাক্তি তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

তেহরানের ছায়া কি এখন ঢাকা সেনানিবাসে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:০১


সোমবার সকালে জলসিঁড়িতে একটা অনুষ্ঠান হলো। ফিতা কাটা, ফুলের তোড়া, বক্তৃতা, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকে সবই ছিল। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজে হাজির, পাশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাতিঘর (Lighthouse)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৬



বাতিঘর (Lighthouse)

বাতিঘর নিয়ে সেই ছোট্টবেলা থেকেই আমার অনেক কৌতুহল ছিল। কেন ঐ বয়সেই বাতিঘর নিয়ে আমার এতটা আগ্রহ ছিল, তার কারণ আজও খুঁজে পাই না। অথচ আমি নিজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

"৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রয়োজন ছিল বিশ্রাম। আওয়ামী লীগের দরকার ছিল শুদ্ধিকরণ। অন্যান্য দলগুলোরও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে বিষয়ে মজিবর ও হাসিনা এক বিন্দুও ভুল করেনি!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


বাংলাদেশের ইতিহাসে মজিবরের শেষ শাসন কাল ও হাসিনার শেষ শাসন কাল দুটি ভিন্ন সময়ে হলেও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত মিল বহন করে। নির্বাচনী বৈধতার নিরিখে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের সংগে ২০১৪, ২০১৮... ...বাকিটুকু পড়ুন

×