
তনুকে মেরে ফেলা হলো।খুব কৌশলেই তাকে হত্যা করা হলো।অনেক আগেই হয়তো টার্গেট করা হয়েছিল।তাকে প্রতিদিন দেখেই কত নরপশুর ঢোলা প্যান্ট টাইট হয়ে গিয়েছিল।তারপর এক সন্ধ্যায় তার মুখ চেপে নিয়ে যাওয়া হলো এমন যায়গায় যেখানে সিসি ক্যামেরা অফ করা ছিল,লাইট ছিলো বন্ধ ,পাশের দুটো পোস্টের দায়িত্বরত সেনাদের ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হলো,কনডম পড়ে ধর্ষন করা হলো যাতে কোনভাবেই বেজন্মাদের সনাক্ত করা যায় আর সব শেষে তাকে মেরে ফেলা হলো যাতে কেস থানাতে নেওয়ার আগেই ক্লোজ।
আর আমরা খুব একটা আগ্রহ দেখাই না তনুকে নিয়ে।কারন তার কোন ভিডিও বের হয়নি।আজকের ফেসবুক সমাজ ট্রল করার কোন টপিক পায় নি তনু থেকে।ডিপ্লোমেটিক সেলিব্রেটিরা আজ এই টপিক থেকে লাইক বেশি পাবেন না।তাই এই ব্যাপার নিয়ে মাথা না ঘামানোই ভালো।বরং বাংলাদেশ আর ইন্ডিয়ার খেলা চলছে তাই আমরা খেলা নিয়ে স্ট্যাটাস দি,চেক ইন মারি,খেলোয়ারদের গালিগালাজ করি,বাংলাদেশ জয়ে বিজয় মিছিল করি।
কাল রাতে আমি অনেককেই একটা ছবি পাঠিয়ে প্রোফাইল পিকচার দিতে বলি।তনুর জন্য আন্দোলন না করতে পারি কিন্তু ব্যাপারটা হাইলাইটতো করতে পারি।হয়তো এই ছবি দেখে কেউ না কেউ হয়তো আপনাকে জিজ্ঞাসা করবে "তনু কে?" অনেকেই কথা রেখেছেন,অনেকে সকালে চেঞ্জ করবেন বলেছেন,অনেকে আবার খুব সুন্দরভাবে এড়িয়ে গিয়েছেন।অনেকে আবার আশাহত হয়েছেন।আমাকে বুঝানো চেষ্টা করেছেন যে শুধু শুধু টাইম নষ্ট করছি।কিছুই হবে না এই থেকে।সত্যি কথা বলতে কি আমি নিজেও জানি এইগুলো করে কোন লাভ নেই।কিন্তু তনুর জায়গায় নিজের বোনদের কথা চিন্তা করলে যে স্থির থাকতে পারি না।
ধর্ষকরা শুধু তনুকেই ধর্ষন করে হত্যা করে যায় নি,করেছে আমাদের বিবেককেও।কিছুদিন পর সব থেমে যাবে।সামনের বছরের এই দিনে আবার তনুর ধর্ষন ও হত্যার বিচারে নতুন কোন ইভেন্ট খোলা হবে।সেলফি প্রেমি সমাজ সেই ইভেন্টে গোয়িং দিবে।আর যে সব বেজন্মা বলছে যে পর্দা করলে আর ধর্ষন হতো না তাদেরকে বলি, তোর কাছে তোর মা বোন মেয়েও নিরাপদ না কারন তারাতো বাসায় আর পর্দা করে না।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ২:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



