
আমি কাদাজলে নেমেছিলাম ।
নৌকো হয়ে মাঝির প্রেরণায়
কাদা ছুড়াছুড়ি করতে নয় ।
তবু আমার গায়ে কাদা ছুড়া হয়েছে।
আমার চেহারায় কালিমা লেপন করা হয়েছে।
হয়তো হিংস্র কোন পশুর অবয়বমত অবয়বে ছিল নিত্য বিচরণ।
স্বজাতীয়দের আচরণে নিজেকে ছোট মনে হত খুব ।
যদিও তাদের চাকচিক্যে দারুন বেমানান ছিলাম।
সহপাঠীদের চোখে ভয়ের ছায়া দেখে বিব্রত হতাম খুব।
স্নিগ্ধ হাসিতে আমার সেই প্রবচন;
আমাকে ভয় করোনা প্রিয়তম অথবা প্রিয়তমা ।
প্রাণখোলে ঘৃণা করো আমার গায়ে লেপ্টে থাকা ধূলো অথবা কাদার প্রলেপ।
একজনমে রাজরোগের নিরাময় হয়না ।
রক্তে মাংসে মিশে যাওয়া নিকোটিন থেকে গেছে কালের পরিক্রমায়।
যদিও নতুন চেহারা পরেছি আর পরেছি নতুন কোমল পোষাক।
মস্তিষ্কের নিউরনে ধরেছি অনুসন্ধানী নেশা।
বুক পকেটে তাজা কলম।
মাংসল ঘর্মাক্ত দুটি হাতে তুলে নিয়েছি কর্মযজ্ঞ।
ক্ষমতার লালসা ছুড়ে ফেলেছি সেন্ট হেলেনা দ্বীপে।
দৃঢ় চোয়ালে বুক পেতে নিয়েছি লক্ষ্যভেদী প্রেরণার অবশেষ ।
তবু কি সাতজনমেও হবেনা প্রতিক্ষার শেষ !
ভালবাসার লাল গোলাপের কাঁটার আচড়ে ঝাঝড়া হয়েছে মেঘমালা।
কামনার সাতরঙ্গি দূর আকাশের নক্ষত্র যখন ।
মনে মনে হুলিয়া জারি করেছি আকাশলীনা ।
লীন হয়ে গেছে বন্যতার বেশ ।
লীন হয়ে গেছে কবিতার ছদ্মবেশ।
সুদীর্ঘ পথ পারি দিয়ে উঠে গেছি স্পর্ধার চূড়ায় দৃপ্ত পদচারণায়।
নীলবেদনার সাতটি অমরকাব্য হয়ে গেছে বিরচন ।
ভালবাসার গভীরতর অনভূতি, এখনো শেকড় আকড়ে আছে কিনা ?
নাকি কাদায় লেপ্টে শুধু ঘৃণা কুড়িয়েছি আকাশলীনা ?
এ আমার প্রেমের পরাকাষ্ঠায় রূপান্তরিত রূপ ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


