
সুরম্য কবিতা সমগ্র,
সকালের শুভ্রতা
আর শেষ বিকেলের রং মেখে
তোমরা তারুণ্যের পরম আরাধ্য হয়ে ওঠতে।
তোমাদের পদচুম্বন করে ধন্য হত
বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যস্ত পথ
বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ;
তোমাদের দর্শনে ধন্য হত
সুদর্শন যুবকের স্বপ্নিল দু’চোখ।
তোমাদের খোলা চুলে, রক্তিম ঠোঁটে
পথিক হারাত পথ।
তোমরা প্রখর রৌদ্রে বৃক্ষতলে বসে
স্বর্গের রূপরহস্য উন্মুচন করে দিতে প্রতিনিয়ত।
আবার পৌরাণিক হেলেন হয়ে
সূত্রপাত করতে বিবাদের;
কত ভীতু যুবক বীর পুরুষ হয়ে ওঠলো ইশারায় তোমাদের!
কত বিচার শালিশ উৎসব আয়োজন তোমাদের ঘিরে!
কত তরুনের পাষাণ দূর্গে অবলীলায় ফাটল ধরালে!
বোধের প্রাচীর ভেদ করে নায়াগ্রা জলপ্রপাত ঝরালে!
অথচ নদীর মতই সমুদ্রের নোনা জলে গড়লে স্থায়ী আবাস।
স্বর্ণালী কবিতা সমগ্র,
তোমাদের আবৃত্তি করার জন্য এক সময় তীর্থের কাকের মতন
দাঁড়িয়ে থাকত উদাসী সুদর্শন কবির দল;
সেই তোমাদের এখন নিত্য সেজে গুজে সেবা দিয়ে অর্ঘ্য সম্পাদন করতে হয় যার
সে কোন পৌরাণিক বীর নয়!;
অতি নগন্য পুরুষ ভীরু দূর্বল।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মে, ২০১৭ দুপুর ২:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



