
সেইদিন বীর চট্টলার সর্কিট হাউজ যেন পলাশীর প্রান্তর, বিশ্বাস ঘাতক মীরজাফর,
আবারো অবনীর বুকে— রক্তের আল্পনা দিয়েছিলো এঁকে;
একাত্তরের এক মহান যিশু— যেন ক্রুশ বিদ্ধ হলেন।
তাজা রক্ত, ফিনকি দেয়া রক্ত— রক্তে সয়লাব স্বাধীন বাংলার পবিত্রভূমি।
লুটিয়া পড়িলো ধূলোয় চিরো ভাস্বর— স্বাধীনতার কন্ঠস্বর।
বাংলার সবুজপ্রান্তর সূর্যাস্তের লালিমা মেখে গায়ে
যেন লালসবুজ পতাকা – আর একটিবার।
হায় হেক্টর! হায় জিয়া!
মহান মুক্তিযুদ্ধের অপরাজিত কমান্ডার —
হে অধিনায়ক, এই ছিল নিয়তি তব!
ছেড়া টিশার্ট গায়ে— কাস্তে-কুদাল হাতে নিয়ে
মেহনতী মানুষের মতো—
কি কাব্য লিখিয়া ছিলে বাংলার মসনদে বসে
মরণে তোমার মানুষের ঢল নেমেছিলো ,
বীরজনতার মিছিলে নামাজে জানাজায় তিল পরিমান— দাঁড়াবার ঠাঁই নাই।
আকাশে বাতাসে ক্রন্দনরোল— জিয়া নাই, জিয়া নাই
বিলাপের জনসমুদ্র তখন — ঢাকামহানগর;
সময় অতন্দ্র প্রহরী — ইতিহাসের নিপূণ কারিগর।
বাংলার রাখাল রাজা,
স্বাধীন বাংলার খোলা হাওয়ায়
মনের বনে ;
বাংলার্ ইতিহাসে যেন নীলদিগন্তের ঐ প্রখর সূর্য তুমি—
বাংলার শস্যভাণ্ডারের জাগরণি গান—
কৃষকের মুখের অম্লান হাসি— সে তোমারি দান;
তোমার মরণে তাই বিয়োগের ক্রন্দনরোল বাংলার দিগন্ত কাঁপিয়া—
আজিকার এই দিনে
জিয়া তোমায় পড়ে মনে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
