
এই যে জনতা, আর নহে মৌনতা—
এবার জাগো, জেগে ওঠো — সুনামির ঢেউয়ের মতো,
সক্রিয় আগ্নেয়গিরির উত্তপ্ত লাভার মতো —হও উদ্ধত।
এই যে ছাত্র, কার পাত্রে ঢালছো গায়ের ঘাম- জল?
পাপিষ্ঠের উপাসনায়,
জীবনটা আর করোনা নিষ্ফল—
তাতে নিহিত কেবল দেশের দশের অমঙ্গল।
এই যে দিনমজুর, কোথায় ঝড়ালে এত ঘাম?
ভুলের পিছনে পরিলে কেবলি হয়ে যাবে বদনাম।
এই যে সাংবাদিক —ছুটিয়া দিগ্বিদিক
কারে তবে করিছো নিবেদন?
তোমার মেধা আর অনন্ত পরিশ্রম ।
সততা আর দেশপ্রেমের পথটি ধরো
যে ধরেছে চেপে রুখে দিতে সত্যের কলম
তার টুটি চেপে ধরো , লিখনীতে—
কলমে ঝড় তুলো—দেশের মঙ্গল কামনায়,
গণতন্ত্র রক্ষা করো—
স্বৈরাচারের উপাসনা আর নয়!
এই যে মুক্তিসেনা, করিতেছো কেবল কার স্তুতি বন্দনা?
আর কাহারে করো অপমান ? স্বৈরাচারের ধ্বজা ধরে
এই যে নেতা, সর্বোত্তম পন্থা হলো সততা
মানুষের পূজা ছাড়ো— দলের চেয়ে দেশটি বড়ো
দেশের তরে সব করো।
আস্তিক নাস্তিক স্রষ্টার কাছে চাওগো ক্ষমা
বন্দী আছে দেশমাতৃকা স্বৈরাচারের কারাগারে
একজোট হয়ে লড়াই করো;
অপশক্তির বিষদাঁত ভেঙে দাও—
বজ্রকঠিন শপথ করো।
প্রিয়তমা, ছলনা আরনা।
কবিতা বাঙময় হয়ে ওঠো
প্রকৃত অর্ধাঙ্গিণী হয়ে কহো হে কবুল!
ওই যে সাহসী বীর তারে।
প্রেরণা দাও শক্তি দাও যৌবনের সবটুকু অনুরাগ —ঢেলে দাও
অপশক্তি ভাঙার মন্ত্রযপে— প্রলুব্ধ করো তারে।
আমি ভেঙে দেবো—তছনছ করে দেবো
অশুভ শক্তির সব চক্রান্ত
কলমের কালিতে তোমার কাগজে
লিখে দেবো এক অমর কবিতা অজেয়— অক্ষয়
চিরন্তন সুন্দর শ্বাশত ।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


