তুমিময় উৎসব
ভূবন ভুলানো হাসি— ওষ্ঠে তোমার
দু’চোখের যেন খুশির জোয়ার;
সময় যেন থমকে গেছে
অবণীটা চমকে গেছে
দেখে সোনার রূপ অঙ্গ তোমার।
তুমি আলো ছড়াতে যেন সেই প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে
ভরা পূর্ণিমার চাঁদটি যেমন বিলোয় আলো ভরা পূর্ণিমা রাতে।
তুমি ফোঁটাতে পারো ফুল—্ এই তপ্ত মরুর বুকে,
তুমিহীনা পৃথিবীটা যেন সদা নিমজ্জিত প্রিয়াহারার মহাশোকে
তুমি জন্মেছিলে এই আমাকে করবে সুখি বলে
আমি আজও বেঁচে আছি
ওগো প্রেমী সর্বনাশি তোমার প্রেমপেয়ালা পান করবো বলে।
তোমার ছুঁয়ায় বেদনা সব কেমন হলো প্রজাপতি; দুঃখরা সব ফুল,
তোমার আমার ভালোবাসায় গোটা পৃথিবীটা যেন রয়েছে মশগুল!
তোমার উড়না উড়ে দামাল হাওয়ায় সঙ্গে উড়ে আমার উতলা মন
খোলা হাওয়ায় দাঁড়িয়ে তুমি সৃজিতে পারো মহেন্দ্র এক ক্ষণ।
তুমিহীনা পৃথিবীটা যেন শূন্য লাগে খুব
তুমি এলে তেজ কটাল উৎসব উৎসব…
কোথায় তুমি প্রিয়া?
কোথায় তুমি প্রিয়া?
দেখছি না যে— তাই ব্যথায় ভরা হিয়া
চাতক চোখে খুব পিপাসা
তোমায় তাই ডাকছি কাছে
দু’চোখ ভরে দেখবো তোমায়
তোমাকে দেখার সাধ লেগেছে
দেখে যদি দু’নয়ন জুড়ায়
আসছো না যে চোখের তারায়
বুকের মাঝে—মন বধূয়ার সাজে
তোমার কথার মাঝে প্রেরণা আছে
করবো লেহন সঞ্জীবনী সুধা
তোমার দেহের ফাটল থেকে
... ... ... ... ...
যেথা মৃগনাভীর সুঘ্রাণ আছে
সুঘ্রাণে মন হবে মাতোয়ারা
কোথায় তুমি সুখের বিলাসভূমি কাব্যসদা?
তোমায় খুঁজবো কোথায়, প্রিয়ংবদা?
আসলে কাছে নাই ক্ষতি নাই
তোমার ছুঁয়ায় ওঠবো জেগে
যৌবনের অনুরাগে এবার এসো
এসোগো সোনা—ভালবাসার কাব্যখানা
করিবো বিরচন, আনমনে করবে পাঠ
ভালোবাসার ধারাপাত, নক্ষত্রের আগুনজ্বলা রাতে
অথবা ভোরের শিশির মাখা প্রাতে।
শরৎবেলার কাব্যরা সব
সাদা মেঘের ভেলায় চড়ে
যাচ্ছে ভেসে ঐ নীল আকাশের গায়
চাতক দু’চোখ কেবল খুঁজিছে তোমায়
ভালোবাসার কাব্য গড়ে…

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


