দিনে দিনে বাড়ে শুধু ঋণ
জানি না কিভাবে শোধিতে হইবে সেই ঋণ? —ভালোবাসা অমলিন।
আহত শালিকের বুকে
ভালোবাসার অর্ঘ্য অথবা স্নেহের অনুশাসন
বলো ক’জনে পেরেছে করিতে নিবেদন?
সেই স্মৃতি আজও কড়া নাড়ে —আবেগ তাড়িত করে
কৃতজ্ঞতা চিত্তে আন্দোলিত করে;
কেন পারিনি দিতে সাড়া?—জানি দিশেহারা হৃদয়
তখন সতত নিমজ্জমান প্রিয়াহারার শোকে।
ক্ষণিকের বিচ্ছেদে আহত শালিক হায় পারে কী উড়িতে
মুক্তবিহঙ্গের মতো?—তাইতো পারেনি—তবু করেছে ঋণী..
কবিতা লিখে তার হয় কী পরিশোধ?
বিবেক ও বোধ যখন—অন্যের করতলে, দখলে।
ভেবোনা ভালোবাসার বুদবুদ— কর্পূরের মতন উবে যায়!
মনে হতে পারে তা, আসলে তা নয়;
নিষ্ঠুর পৃথিবীটা বাঙময়— হয়ে ওঠে; শুধু প্রেম আছে বলে।
বাকিসব অযাচিত দূর্লভ বিলাসিতা মরিচিকা—কখনো সুখ নয়;
কেবল ক্ষুধিত সময়ের পীড়নমাত্র।
তুমি আছো বলে,
রঙিন প্রজাপতি পাখা মেলে—তাইতো ঋণী.
ঋণবোধ থেকে যায় ভেবোনা আশ্বিনে বাতাসেই তা ভেসে যায়;
থেকে থেকে বিবেকের দরজায় কড়া নাড়ে শুধু
—যেন বেদনার বালুচর
মরুভূমি ধুধু!
বিবেক ও বোধের দেয়ালে শ্যাওলা পড়ে গেলে
হয়তো অনেকে ভুলে যায়—জানোতো বৈরী পরিবেশে
লোহায় মরিচা ধরে যায়। অতঃপর ক্ষয়ে তা ভঙ্গুর হয়ে যায়;
থাকে শুধু অভিমান করচা থম থমে মেঘলা আকাশে
বৃষ্টি হয়ে তা ঝরে না আর—হয়তো ঝরে;
তবু ভালোবাসার কুঞ্জবনে থেকে থেকে কেবল তাহারেই মনে পড়ে...
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




