করোনা তুমি কর্মহীন ঋণগ্রস্ত ভ্যানচালকের
আত্নহত্যার কারণ, তোমার কারণে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র,
অবহেলার পাত্র চিকিৎসা না পেয়ে,
তার আর্তচিৎকার ভেসে আসে বাতাসে
ছেলেটি মরে গেছে অমানবিকতার দৃষ্টান্ত রেখে
এখন আর জানাজার নামাজে দাফন কাফনে আপনের আপনেরে যায় না পাওয়া,
এখনকার কবিতায় প্রেম যেন সুদূর পরাহত, কবিগণ জায়নামাজে বসে যেন তাসবিহ পাঠে রত, কবিতার রমনীগণ ভীত সন্ত্রস্ত
শবের মিছিল দেখে
যেন ভুলে গেছে সব..
ঠুটে নেই লিপস্টিক নখে নেইলপলিশ
অদ্ভুত যান্ত্রিকতায় মৃত্যুর প্রহর গুনে শুধু ,
কন্ঠ থেকে ভেসে আসে তার বিষাদের অবসাদ।
প্রাণঘাতী অদৃশ্য শত্রু কোভিড নাইনটিন বিরচিত ব্যবধান নীতিমালা ক্রমান্বয়ে প্রকটতরো হয়ে ওঠে অবলা অবণীর পরে ,
সব তারা সরে যায় তবু থেকে যায় ধ্রুবতারা
অবিচল অটল শাশ্বত এক প্রেমে,
ভালোবাসার আকাশে বিচ্যুতি নেই যে তার
শুনো মোর নিরুপমা প্রিয়তমা অপ্সরা
তুমি চাইলে এখনই অভিসার তোমার আমার অপ্রগলভ প্রেমে,
তুমি চাইলে পাবে আমাকে লকডাউনে ঘেরা
তোমার শহরে,
এই ক্রান্তিকালে অযাচিত সব বাঁধা ভেঙে চূড়ে
তোমার প্রেমের সদর দরজায় ,
ওগো মোর নিরুপমা পাবে গো আমারে।
মনে রেখো , আসিবে নতুন ভোর
আবারো সাজবে প্রকৃতি
আরও সবুজ আরো রঙিন হয়ে,
দূর্ভাবনার দিন থাকবে না আর বেশি দিন
আমাদের দুজনার রঙিন স্বপ্ন ঘিরে,
আবারো ফুটবে হাসি কৃষকের মুখে
শ্রমিক দিনমজুর মরবে না না খেয়ে
আবারো হবে আনন্দ জনসমাগম মানবের বিজয়ে,
অদৃশ্য শত্রু বিনাশ করে আবারো পরিপুষ্ট হবে মানব ভ্রূণ সুদৃঢ় প্রত্যয়ে,
প্রেমের নগরে লকডাউন উঠে যাবে
সম্মুখ যাত্রায় মানব সভ্যতা চলছে চলবে...
শুধু তোমার আমার ভালবাসার লকডাউন শাশ্বত বন্ধন থেকে যাবে অনন্ত যৌবনে,
ভালোবাসি শুধু তোমাকেই আজকের গোলাবি
পূর্ণিমা চাঁদ তুমি দেখে নিও দু'চোখ ভরে
আমাকে মনে করে, তুমি এসো গো প্রিয়তমা
আমাদের এই খানে আর কোন ভয় নেই
আর কোন বাঁধা নেই আমরা এখন মুক্ত বিহঙ্গ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




