somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোটগল্পঃডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১১:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছাদের রেলিংটা একদম ভেজা। কিছু আগেই বৃষ্টি হল। ছাদের নানা জায়গায় এখনও পানি জমে আছে। ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি এখনও পড়ছে। নাকের উপর, চোখের উপর, গালের উপর, চুলের উপর, রেলিং ধরে রাখা তাহেরের হাতের উপর পড়ছে বৃষ্টির ফোঁটা। সাত তলা বিল্ডিংটার উপর থেকে নিচে দেখা যাচ্ছে না কিছু। অন্ধকার। একদম গুটগুটে অন্ধকার। একটু বৃষ্টি হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়। বৃষ্টি থামার পরও বিদ্যুৎ আসার নাম নেই। গালটা মুছল তাহের। গালের উপরের পানি। এই পানি চোখের পানি না। বৃষ্টির পানিই। চোখ দিয়ে এতো সহজে পানি পড়ে না তাহেরের। অনেক কষ্ট পেলেও না, অনেক ব্যথা পেলেও না, অনেক অপমানেও না। আজ আবার মরতে ইচ্ছা করছে তাহেরের। কয়েকদিন পর পর মনের ভিতর এই ইচ্ছা জাগে। নানা সময় নানা রকম ভাবে মরার চেষ্টা করলেও, প্রতিবার কেন যেন ব্যর্থ হয়। ঠিক মরে যাওয়া হয় না। এইতো গতমাসে এক বন্ধুর থেকে শুনল, ঘুমের ওষুধ এক পাতা খেলে সাবার। একেবারে শান্তির মরা। কিনে আনল এক পাতা ঘুমের ওষুধ। এনে রেখে দিল টেবিলে। রুমমেট এক বন্ধু সেখান থেকে,সর্দির ওষুধ হিসেবে ২ টা খেয়ে নিল। তাহেরের হাতে আর ৮ টা ট্যাবলেট। তাই এক এক করে খায়। ৬ টা খেয়ে মনে হল, ২ টা থাক। ৬ টা খেয়ে ঢলতে ঢলতে ঘুমিয়ে গেল। খানিক পর প্রচণ্ড অস্বস্তি। মরে নি তাহের। কেমন নেশা নেশা ভাব। শরীরের ভিতর কেমন যেন অস্বস্তি লাগে। রুমমেট বন্ধুরা এসে টানাটানি করে, উঠিয়ে বসায়। তাহের আবার ঢলে পড়ে, বিড়বিড় করে কি সব বলে। বন্ধুদের অশ্লীল ভাষায় বকা দেয়। তিন দিন অমন নেশা নেশা ভাব থাকে। ঘুমায়, আবার উঠে পাগলামি করে। ডাক্তার দেখানো হয়, ডাক্তার কি পচা একটা ওষুধ খাইয়ে দেয়, সাথে সাথে বমি। তিন দিন পর সুস্থ হয়ে, তাহেরের মাথায় কিছুই থাকে না, এই তিন দিন কি করেছে। তবে বেশ বুঝতে পারছিল, খুব কষ্ট হচ্ছিল। ঘুম হচ্ছিল না। আর কখনও ঘুমের ওষুধ না খাবার সিদ্ধান্ত তাই নিয়ে ফেলল তাহের।
আজ মনে মনে ঠিক করেছে, ছাদ থেকে লাফ দিবে। লাফ দিয়ে মরে যাবে। আজ অকারণে মরতে চাইছে না তাহের। খুব বড় একটা কারণ আছে মরে যাবার পিছনে। এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে, তাহেরকে দিয়ে আসলেই কিছু হবে না। কষ্ট হচ্ছে তাহেরের। আজ পরীক্ষার রেসাল্ট দিল। ৬ বিষয়ের সবকটাতে ফেল। ভাবতেই লজ্জা লাগছে। অবশ্য পাশ করার মত পরীক্ষা দিয়েছিল তা না। কোনদিন বই ধরেও দেখেনি। তাহেরের জীবনের লক্ষ্য কি তাহের জানে না। তাহেরের কি করতে ভাল লাগে তাও জানে না। তাহেরের রুমমেট শাকিল, ভাল ছাত্র। পরীক্ষায় বরাবর ভাল ফলাফল। ওর জন্মই হয়েছে মনে হয় পড়ালেখার জন্য। সারাদিন বইয়ের সাথে লেপ্টে থাকে। আরেক রুমমেট রেজা, সারাদিন টিউশনি করার। অনেক টাকা উপার্জন করে। বাকি সময় প্রেমিকা নিয়ে ঘুরে। সুন্দরী এক প্রেমিকা আছে, তার সাথে ঘুরে ঘুরে টাকা খরচ করে। অন্য একজন উজ্জ্বল। বাবার টাকা দিয়ে সমাজ সেবা করে। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে অসহায় মানুষকে টাকা দান করে। ছোট বাচ্চাদের, সপ্তাহে একদিন আজিমপুর গার্লস স্কুলের সামনে পড়ালেখা করায়। এই বাচ্চাদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ নেই। তাই পড়ালেখার বিনিময়ে তাদের খাবার দেয়া হয়। এতেই এরা ছুটে আসে। পড়তে না, খেতে। নিয়মিত থিয়েটার করে, আবৃতি করে। বাকি রইল তাহের। তাহের সারাদিন বিছানায় শুয়ে থাকে। কিছুই করে না। না করে ক্লাস, না পড়াশুনা, না প্রেম, না টিউশনি। সমাজ সেবা, তাও সম্ভব না। গরীব রকম কেউ হাত পাতলে, তাহেরের মনে হয়, এই লোক সত্যি গরীব তো? নাকি ভং ধরছে? ভেবে পায় না আসলে, তাহের বেঁচে আছে কি কারণে? একটা কাজ শুধু করে, একটার পর একটা সিগারেট ধরায়, আর সারাদিন তা টানে। মাঝে মাঝে শাকিলকে ডেকে বলে, বন্ধু, আমার কি মনে হয় জানিস? আমার তো জীবনের কোন লক্ষ্যই নাই। মাঝে মাঝে ভাবি, আমি পৃথিবীতে আসছিই শুধু সিগারেটের পাছা টানার জন্য।
শাকিল বিরক্ত ফুটিয়ে বলে, পড়ালেখা কর। আর আমি বলছি না, আমার সাথে পচা কথা বলবি না?
- কি পচা কথা বললাম?
- সিগারেট ভাল। সিগারেটের সাথে ঐটা বলার কি দরকার?
- কোনটা? সিগারেটের পাছা?
- হ্যাঁ।
- ঐটা তো তোমারও আছে, আমারও আছে। পচা কথা হইল কি করে?

শাকিল বিরক্ত নিয়ে পড়তে শুরু করে। তাহেরের মুখের পচা কথা শুনতে ভাল লাগে না। তাহের একটু পর আবার বলা শুরু করে, বন্ধু শাকিল, দিবা দুইটা টান?
- তাহের, তুই আমাকে এতো বিরক্ত করিস কেন? কত পড়া বাকি।
- এতো পড়ে বন্ধু কি হয়? এর চেয়ে একটু প্রেম কর। রাতের বেলা কথা বলবি, কোলবালিশ জড়িয়ে। আমি পাশে গিয়ে শুনব।
- ওহ। তুই চুপ করবি?
- চুপ তো করতেই চাই। এতো বার মরতে চাই, কিন্তু কেন যে মরতে পারি না।
- তুই এমন করিস কেন তাহের?
- আমার কিছুই ভাল লাগে না। সব অসহ্য। দুনিয়াটাই অসহ্য।

তাহেরের খারাপ লাগা পৃথিবীটা আরও খারাপ লাগে, যখন পরীক্ষায় ফেল করে। না পড়লেও ঠিক পরীক্ষা দিতে যায়। সুন্দর করে খালি খাতা জমা দিয়ে চলে আসে। জানে ফেল করবে। খালি খাতায় শিক্ষকরা মার্কস দিবেন কেন? তবুও রেসাল্ট দিলে খারাপ লাগে। খারাপ লাগে এই ভেবে, তাহের সব বিষয়ে ফেল। বাসায় ফোন দিয়ে বলে, মা টাকা লাগবে। জরিমানা দিব।
- কিসের জরিমানা?
- ফেল করছি।
- আবার ফেল করছিস তুই? প্রাইভেটে ভর্তি করছি এমনিতেই কত গুলা টাকা খরচ করে। আবার ফেল করে করে জরিমানা। আমি টাকা দিতে পারব না। তোর আব্বুর কাছে বলে, তুই নে।

মায়ের কাছে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে গেছে। তাহের ভার্সিটিতে ভর্তির পর থেকে নিয়মিত ফেল করে। আসলে তাহের কেন যেন খুঁজে পাচ্ছে না, জীবনের আনন্দের উৎস। ঠিক এমন ছিল না তাহের। পড়ালেখায় ভালই ছিল। ইন্টার পরীক্ষার সময়, এক মেয়ের সাথে ভালবাসার সম্পর্ক হয়। মিমি নাম। ভালবাসায় ভালবাসা অনেক দূর চলে যায়। রাত জেগে কথা বলা, সপ্তাহে তিন চার দিন দেখা করা। রিকশা করে বাতাস লাগিয়ে ঘুরে বেড়ানো। কাঁধে মাথা রেখে বসে সময় কাটানো। দেখা হলেই একটা করে ছোট কাগজে, ভালবাসি লিখে দেয়া। একটু মান অভিমানেও ভালবাসা। এরপর হুট করে একদিন তাহেরের মনে হয়, মিমিকে আর ঠিক ভাল লাগছে না। মিমিকে ঠিক ভালবাসা যায় না। প্রেম ভালবাসা মানে সময় নষ্ট। প্রেম ভালবাসা অপ্রয়োজনীয় জিনিস। মিমিকে একদিন না করে দেয়। মিমি মেয়েটা কাঁদে অনেক। জানতে চায়, কেন ছেড়ে যেতে চায়? তাহের বলে, ভালবাসা সম্ভব না। মিমি কষ্ট নিয়ে চলে যায়। দূরে অনেক দূরে। তাহেরের সাথে আর যোগাযোগ রাখে না। কিছুদিন যেতে না যেতেই তাহেরের আবার শুন্য মনে হয় বুকের ভিতর। মনে হয় মিমিকে ছাড়া থাকা সম্ভব না। মিমিকে দরকার , অনেক বেশি প্রয়োজন। মনের কথাগুলো বলার জন্য, বন্ধু হিসেবে পাশে রাখার জন্য, ভালবাসার জন্য। কিন্তু মিমি হারিয়ে গেছে। মিমিকে খুঁজে পায় না তাহের। মিমিকে ছাড়া প্রচণ্ড হতাশা বোধে ভুগে। বার বার মনে হয়, মিমিই জীবনের সব। অনেক দিনের পরিচিত মানুষ গুলোকে প্রচণ্ড অসহ্য লাগে। কারও সাথে ভাল করে কথা বলতে ইচ্ছা করে না। কথায় কথায় খারাপ খারাপ বকা দেয়। খারাপ কথা বলে। কয়েকদিন পর পর মরে যেতে ইচ্ছা করে। জীবন মনে হয় অর্থহীন, একদম অর্থহীন। নিজেকে খুব অপরাধী লাগে। বার বার মনে হয়, মিমিকে কষ্ট দেবার শাস্তি পাচ্ছে তাহের।
ঠিক কোন কিছুই ভাল লাগে না। কোন কিছুতে আগ্রহ নেই। ছন্নছাড়া জীবন চলছে। তাহেরের পাগলামিতে বন্ধুরা এক দিন তাহেরকে নিয়ে যায়, এক সাইকোথেরাপিস্ট এর কাছে। সব দেখে শুনে, সাইকোথেরাপিস্ট বলেন, তাহের ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডারে ভুগছে। হতাশার কারণে আনন্দ কমে যাচ্ছে। আনন্দের জায়গা দখল করে নিচ্ছে বিরক্তি। ইচ্ছে করছে মরে যেতে। কিছু ওষুধ দিয়ে দেন তিনি। লুডিওমিল, লেটজিল কিসব ট্যাবলেট। সাথে অনেক সময় নিয়ে বুঝান তাহেরকে। আসতে বলেন আবার, এক মাস পর। তাহের রুমে এসে জানালা দিয়ে ফেলে দেয় ট্যাবলেট গুলো। আর যায় না দেখা করতে। দেখা করে লাভ নেই। এর চেয়ে মরে যাওয়া ভাল। মরে গেলেই সব দুঃখ কষ্ট থেকে একদম মুক্তি। চিরতরে মুক্তি। মনের মধ্যে আর উঁকিঝুঁকি দিবে না, কষ্ট গুলো। বাবার আর খরচ করতে হবে না, এমন অপদার্থের পিছনে, লাখ লাখ টাকা। মিমিও খুব শান্তি পাবে, যখন শুনবে ওকে কষ্ট দেয়া মানুষটা মরে গেছে। সবচেয়ে বড় কথা, তাহেরের আর এই অসহ্য পৃথিবী দেখতে হবে না। সহ্য করতে হবে না, অসহ্য মানুষগুলোকে। তাহেরের মনের ইচ্ছা, অনেক দিনে ইচ্ছা , মরে যাওয়া পূরণ হবে। তাহেরের মনে মনে ভাবতেই ভাল লাগছে। এবার আর বেঁচে থাকার কোন, সম্ভাবনা নেই। ছাদ থেকে লাফ দিবে। পড়ে যাবে। সাথে সাথে মৃত্যু। মরার আগে একটা সিগারেট খাওয়া দরকার। জীবনের একমাত্র আপন জিনিসটা। তাহের একটা সিগারেট ধরিয়ে টান দিল। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছে ধোঁয়া। আর আস্তে করে বলল, একজন ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার রুগি মারা যাচ্ছে। হাহা।
শব্দ করে হাসছে তাহের। চারপাশে অন্ধকার। খুব অন্ধকার। এই অন্ধকারে হারিয়ে যাবে তাহের। এই অন্ধকারে একটু আলো জ্বলে উঠল, তাহেরের জিন্সের পকেটে। কে যেন কল করেছে। মরে যাবার আগে কারও সাথে কথা বলা উচিৎ না। মোবাইলটা বের করল ফেলে দেবার জন্য। নাম্বারটা অপরিচিত। ধরার প্রশ্নই উঠে না। তবুও কেন যেন রিসিভ করল তাহের। ওপাশ থেকে শান্ত কণ্ঠে কেউ বলল, কেমন আছ?
কণ্ঠটা অনেক পরিচিত। অনেক মায়া কণ্ঠটায়। তাহের বলল, ভাল আছি।
- কি করছ?
- মারা যাব তো। ছাদে উপর দাড়িয়ে আছি। সিগারেটটা শেষ হলেই, ছাদ থেকে লাফ দিয়ে মরে যাব।
- তাই? তা মরে যাবার কারণ শুনি?
- পরীক্ষায় ফেল করছি। ৬ বিষয়ের সব গুলায়।
- ভার্সিটিতে ফেল করতেই পার। ফেল না করলে, ছাত্র কিসের? এতে মরে যাবার কিছু নেই।
- আমার জীবন অসহ্য লাগছে। ভাল লাগছে না। আমার কাউকেই সহ্য হয় না। আমার জীবনের কোন অর্থ নেই।
- কে বলছে তোমাকে?
- আমিই বললাম।
- নিচে যাও তো। সিগারেট ফেলে দাও। রুমে গিয়ে কথা বল।

তাহের হাতের সিগারেট ফেলে দিল। কেন যেন ওপাশের মেয়েটার কথা শুনতে ইচ্ছা করছে। পায়ের নিচে বৃষ্টির পানি মাড়িয়ে, তাহের আস্তে আস্তে চলে যাচ্ছে। রেলিং থেকে দূরে। রুমে চলে যাবে। ওপাশের পরিচিত কণ্ঠটার মায়াময় কথাগুলো শুনবে।
ওপাশ থেকে বলে যাচ্ছে, তুমি কি আমার জন্য একটা, ছোট চিঠি লিখতে পারবে? এমন হবে, যে তুমি অনেক ভুল করেছ, ভুল গুলো যেন আমি শুধরে দেই।
- হুম পারব।

তাহেরের হুট করে মনে হল, জীবনের মানে আছে। অর্থ আছে। বেঁচে থাকার কিছু আছে। মরে যাওয়া মানে হেরে যাওয়া। বেঁচে থাকা মানে, কাউকে নিয়ে বাঁচা মানে, জীবনের অর্থ পাওয়া। তাহেরের কেন মনে হচ্ছে এসব, জানে না। তবুও মনে হচ্ছে। বাঁচতে ইচ্ছা করছে। সুস্থ হতে ইচ্ছা করছে। হয়ত কারও জন্য। কিংবা নিজের জন্য। ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার রুগি হয়ে নয়, মানুষ হয়ে। সুখী মানুষ হয়ে।

জীবনে দুঃখ কষ্ট থাকে। হতাশা থাকে, বেদনা থাকে। অল্প কিছু পাওয়ার ভিড়ে, হয়ত অনেক না পাওয়া থাকে। তাই বলে জীবনে হেরে যাওয়া নয়। খুব একা মানুষটারও অনেক কাছের কেউ থাকে। জীবনে অমন কাছের কেউ বলে, মনে হয় কাউকে। তাদের আশায়, তাদের সাহসে, জীবন গুলো চলতে থাকে। অনেক হতাশার মাঝেও একটু আশা, সুখ হয়ে ধরা দিতে পারে। সুখ খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত মানুষগুলো , ঠিক একদিন ভাবতে শিখে, দুঃখ নিয়ে থাকা যাবে না। যখন চারপাশটা অনেক অন্ধকার, মেঘে ঢাকা আকাশ, চাঁদের আলো নেই। তখনও হয়ত অমন করে জ্বলতে উঠতে পারে মোবাইলের বাতিটা। একটু আশা হয়ে, বদলে দিতে পারে জীবনটা। বৃষ্টিতে ভিজলে ঠাণ্ডা লাগে, সর্দি জ্বরে মানুষ ভুগে। আবার এই বৃষ্টিতে হুট হাট মন থেকে চায়, আকাশের দিকে তাকিয়ে ভিজতে। নাক, চোখ ভিজিয়ে বলতে, বৃষ্টি অনেক ভালবাসি। শুধু ভাবনার পার্থক্য। শুধু সুখ খুঁজে নেয়ার তারতম্য।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১২:১০
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...

তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×