#পরীক্ষাকক্ষে ইউনিফর্ম আধা খোলা করে পরীক্ষা দিতে হয়#
গীবত করতে মন চায়না তার পরও করতে হয়। প্রথমে বলে রাখি আমি কোন দলের অন্ধ সমর্থক নই। হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এর কথা খালি টিভিতে শুনা যায় আবার এই দৃশ্য দেখা ও যায়। আসলে পল্লী বিদ্যুৎ এর সেবা'র ব্যবস্থা কে কি বলে অাখ্যায়িত করব বুঝতে পারছিনা। কখন যাবে কখন না যাবে তার কোন নিদির্ষ্ট হিসাব নাই।
২৪ঘণ্টায় যদি একটানা ৪ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকে, ৫০বার আসা যাওয়া করে, পরীক্ষাকক্ষে ইউনিফর্ম আধা খোলা করে পরীক্ষা দিতে হয়, পরীক্ষার আগের রাতে বিদ্যুৎ এর আশায় ঘোড়ার মত ঘুমোতে হয়, মাসে তিন বার ডেস্কটপ এর পার্টস পরিবর্তন করতে হয়, একটি মুসলিম দেশে আজানের সময় বিদ্যুৎ থাকেনা, ঈদের দিন বিদ্যুৎ থাকেনা- তাহলে এরকম বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কথা যারা জন্মসম্মুখে প্রচার করে & বলে তাদের দু'জনেরি লজ্জা হওয়া উচিত। আসলেই কি তাদের লজ্জা আছে??
কোন নেতা কোনদিন কি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কেমন তা জনগণেরর নিকট এসে জানতে চেয়েছে?? বলার সুযোগ দিয়েছে?? সে আসলে তার সচিব বিদ্যুৎ কতৃপক্ষ কে কল দেয়, কল কেটে না দিতেই বিদ্যুৎ উপস্থিত
##যে দেশের গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা সে দেশ ডিজিটালের দিকে যাচ্ছে কি করে?? শুধু শহর উন্নত হলে সব উন্নত হয়না। শুধু কয়েকটা ক্ষেত্র উন্নত হলে সব উন্নত না। কোন কাজ করার সময় নিরপেক্ষতার সাথে করতে হয়।
যে শহরে ১০০ গাড়ির প্রয়োজন & ১০০ গাড়ি চলার মত রাস্তা আছে, সে শহরে ৩০০০ গাড়ি চলার অনুমতি দিয়ে রাস্তায় ২২ঘণ্টা জ্যামে রেখে মন্ত্রী আসার আগে মাইকিং করার প্রয়োজন কি??
দেশের মুমূর্ষু মানুষের চেয়ে মন্ত্রীর দাম কোটিগুণ বেশী। এ্যমবুলেন্স সারাদিন হুইসেল বাজালে ও কতৃপক্ষ তারাতারি চলে যাওয়ার সে ব্যবস্থা করতে পারেননা, কিন্ত জনগনের অভিবাবক আসতে আসতে রাস্তাঘাট, ট্রাফিকজ্যাম, ট্রাফিকপুলিশ, নিয়ম নীতি সব ঠিক। রাস্তাঘাঠ কার জন্য??
আমাদের দেশে, আমাদের গ্রামে জীবনযাপন ব্যবস্থায় আগের তুলনায় অনেক উন্নতি হয়েছে কিন্ত উন্নতির দিক থেকে অবনতির দিকটাই বেশি। সেই হিসাব করার কারো কোন প্রয়োজন নাই, প্রয়োজন নির্বাচনে জেতার। মূলত আমাদের নেতাদের শিক্ষার অভাব তারা যদি ছোটবেলায় "স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন" এটা কি?? ভাল করে এর বিস্তারিত শিখত সব ঠিক হয়ে যেত & আজকে আমারা ও প্রকৃত শিক্ষা পেতাম, আমাদের মন চাইত, দেশের সম্পদে পরিণত হতাম, ভাল মানুষকে ভোট দেওয়ার মত সমর্থন দেওয়ার মত জ্ঞান আমাদের & আমাদের মুরব্বীদের থাকত। আমাদের মুরব্বী রা এমন লোক কে ভোট দিতে বাধ্য হয় যাদের থেকে আগামীর ভবিষ্যতেরা গীবত, অমানুষী, স্বার্থ, গরিবের প্রতি নির্বিচার, সাধারণ মানুষের উপর কৌশল এপ্লাই ইত্যাদি শিখতে পারবে। যার আশে-পাশেও দেশপ্রম বলতে কিছু নেই। আসলে আজকাল ভাল মানুষ নির্বাচনী প্রার্থী হওয়ার ও সুযোগ ও পায়না। এমন লোকেরা সুযোগ পাই যারা- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বই বিতরণী অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের বদনাম করে এবং তারা বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত ও হয়।
#বি.দ্র: ভুল ভ্রান্তি ক্ষমার চোখে দেখবেন।
শরফুদ্দীন আল মাহমুদ

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



