somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পরীক্ষাকক্ষে ইউনিফর্ম আধা খোলা করে পরীক্ষা দিতে হয়

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

#পরীক্ষাকক্ষে ইউনিফর্ম আধা খোলা করে পরীক্ষা দিতে হয়#

গীবত করতে মন চায়না তার পরও করতে হয়। প্রথমে বলে রাখি আমি কোন দলের অন্ধ সমর্থক নই।   হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এর কথা খালি টিভিতে শুনা যায় আবার এই দৃশ্য দেখা ও যায়।  আসলে পল্লী বিদ্যুৎ এর সেবা'র ব্যবস্থা কে কি বলে অাখ্যায়িত করব বুঝতে পারছিনা।  কখন যাবে কখন না যাবে তার কোন নিদির্ষ্ট হিসাব নাই। 

২৪ঘণ্টায় যদি একটানা ৪ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকে,  ৫০বার আসা যাওয়া করে, পরীক্ষাকক্ষে ইউনিফর্ম আধা খোলা করে পরীক্ষা দিতে হয়, পরীক্ষার আগের রাতে বিদ্যুৎ এর আশায় ঘোড়ার মত ঘুমোতে হয়, মাসে তিন বার ডেস্কটপ এর পার্টস পরিবর্তন করতে হয়,  একটি মুসলিম দেশে আজানের সময় বিদ্যুৎ থাকেনা, ঈদের দিন বিদ্যুৎ থাকেনা- তাহলে এরকম বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কথা যারা জন্মসম্মুখে প্রচার করে & বলে তাদের দু'জনেরি লজ্জা হওয়া উচিত। আসলেই কি তাদের লজ্জা আছে?? 

কোন নেতা কোনদিন কি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা কেমন তা জনগণেরর নিকট এসে জানতে চেয়েছে?? বলার সুযোগ দিয়েছে??  সে আসলে তার সচিব বিদ্যুৎ কতৃপক্ষ কে কল দেয়, কল কেটে না দিতেই বিদ্যুৎ উপস্থিত
##যে দেশের গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা সে দেশ ডিজিটালের দিকে যাচ্ছে কি করে?? শুধু শহর উন্নত হলে সব উন্নত হয়না। শুধু কয়েকটা ক্ষেত্র উন্নত হলে সব উন্নত না। কোন কাজ করার সময় নিরপেক্ষতার সাথে করতে হয়। 

যে শহরে ১০০ গাড়ির প্রয়োজন & ১০০ গাড়ি চলার মত রাস্তা আছে, সে শহরে ৩০০০ গাড়ি চলার অনুমতি দিয়ে রাস্তায় ২২ঘণ্টা জ্যামে রেখে মন্ত্রী আসার আগে মাইকিং করার প্রয়োজন কি?? 

দেশের মুমূর্ষু মানুষের চেয়ে মন্ত্রীর দাম কোটিগুণ বেশী। এ্যমবুলেন্স সারাদিন হুইসেল বাজালে ও কতৃপক্ষ তারাতারি চলে যাওয়ার সে ব্যবস্থা করতে পারেননা, কিন্ত জনগনের অভিবাবক আসতে আসতে  রাস্তাঘাট,  ট্রাফিকজ্যাম,  ট্রাফিকপুলিশ,  নিয়ম নীতি সব ঠিক। রাস্তাঘাঠ কার জন্য?? 

আমাদের দেশে,  আমাদের গ্রামে জীবনযাপন ব্যবস্থায় আগের তুলনায় অনেক উন্নতি হয়েছে কিন্ত উন্নতির দিক থেকে অবনতির দিকটাই বেশি। সেই হিসাব করার কারো কোন প্রয়োজন নাই, প্রয়োজন নির্বাচনে জেতার।    মূলত আমাদের নেতাদের শিক্ষার অভাব তারা যদি ছোটবেলায় "স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন" এটা কি??  ভাল করে এর বিস্তারিত শিখত সব ঠিক হয়ে যেত & আজকে আমারা ও প্রকৃত শিক্ষা পেতাম,  আমাদের মন চাইত, দেশের সম্পদে পরিণত হতাম, ভাল মানুষকে ভোট দেওয়ার মত সমর্থন দেওয়ার মত জ্ঞান আমাদের & আমাদের মুরব্বীদের থাকত। আমাদের মুরব্বী রা এমন লোক কে ভোট দিতে বাধ্য হয় যাদের থেকে আগামীর ভবিষ্যতেরা গীবত, অমানুষী,  স্বার্থ, গরিবের প্রতি নির্বিচার, সাধারণ মানুষের উপর কৌশল এপ্লাই ইত্যাদি শিখতে পারবে। যার আশে-পাশেও দেশপ্রম বলতে কিছু নেই।  আসলে আজকাল ভাল মানুষ নির্বাচনী প্রার্থী হওয়ার ও  সুযোগ ও পায়না। এমন লোকেরা সুযোগ পাই যারা- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বই বিতরণী অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের বদনাম করে এবং তারা বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত ও হয়।
#বি.দ্র: ভুল ভ্রান্তি ক্ষমার চোখে দেখবেন।
শরফুদ্দীন আল মাহমুদ

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:৩১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×