এই নারী উদ্যোক্তা দাবি করেন, কারাগারে নেয়ার ১০ দিন পর রিমান্ডের নামে তাকে থানায় এনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মানস বড়ুয়া প্রথমে তার স্বজনদের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় মধ্যযুগীয় কায়দায় তার স্তন ও গোপনাঙ্গে বৈদ্যুতিক শক দেয়া হয়। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। জ্ঞান ফেরার পর দেখেন শরীরের আরও কয়েক স্থানে ছ্যাঁকায় ফোস্কা পড়েছে।
http://www.jugantor.com/online/country-news/2017/04/18/45061/

সূত্র: যুগান্তর।
#সব পুলিশ আবার এরকম নয়,,,,পুলিশের জন্য আজ এতটুকু শৃঙ্খলা বজায় আছে। তবে পুলশি যে এরকম অহরহ ঘঠনা ঘঠাচ্ছে, সেখান থেকে কয়জন এরকম সংবাদ সম্মলেন করতছে??
#আমি হলাম নিরপেক্ষ, কিন্তু পুলিশ যে ক্ষমতার এতটা অপব্যবহার করে?? তাদেরকে তদারকি কারা করে?? তদারকির দায়িত্বে যারা আছে তারা এগুলো দেখেনা?? এরকম জগন্য কাজে সে নিশ্চয়ই প্রথম না, এর আগেরগুলো কি কর্তৃপক্ষের চোখে পড়েনি? #পুলিশ আইনের লোক, একজন নারীর এভাবে শ্লীলতাহানীও কি আইনের অর্ন্তভুক্ত??

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৭:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



