somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিজস্ব অর্থায়নে বাংলাদেশ নির্মিত হচ্ছে মৎস্য সম্প্রদায়ের জন্য বিশ্বের প্রথম পাঁচ তারকা হোটেল !!

২২ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ১২:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


নির্মাণধীন পাঁচ তারকা হোটেল।

আহ্ মৎস্য প্রেমিক! মৎস্য সম্প্রদায়ের জন্য ওনাদের কতই না দরদ! আমরা মনুষ্য জাতি কত আরাম আয়েশে দিন কাটাচ্ছি। ইট পাথরে বিল্ডিংএ আলিশান জীবন যাপন করছি। গার্ল ফ্রেন্ড কে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। আমোদ ফূর্তি করছি অথচ আামাদের অতি প্রিয় মৎস্য সম্প্রদায় তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একি মেনে নেওয়া যায়? যায় না। তাহলে কি করতে হবে? অবশ্যই মৎস্য সম্প্রদায়ের জন্য নিরাপদ হাউজ তৈরি করতে হবে। এই হাউজের বৈশিষ্ট্য হবে হাওয়া হাউজ কিংবা হোয়াইট হাউজ থেকেও উত্তম।

• এটি মুক্তি যুদ্ধের চেতনা দ্বারা পরিচালিত হবে।
• এখানে যারা আসবেন তারা হবে অসাম্প্রদায়িক।
• 72 সংবিধান অনুযায়ী এর পরিচালন কাঠামো নির্ধারন করা হবে।
• মাঝে মাঝে ‘মদিনা সনদের’ আওয়াজ তুলা হবে।
• এটি একটি নিরাপদ এলাকা।এখানে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামরা দিয়ে পর্যবেক্ষন করা হবে।
• মৎস্য সম্প্রদায়ের প্রেমিকা-প্রেমিকারা যাতে নিরাপদে ডেটিং মারতে পারে তার ব্যবস্থা এখানে রাখা আছে।
• এখানে কোন ‘কাপল’ ডুকলে এলাকার বড় ভাই বলে খ্যাত বোয়াল, গজার, শৈল দ্বারা ফিটিং খাওয়ার কোন চান্স নেই।
• মনুষ্য সম্প্রদায়ের মধ্যে যেমন জঙ্গি আছে ঠিক তেমনি মৎস্য সম্প্রদায়ের মধ্যে কিছু জঙ্গি আছে। তারা যাতে লেখক, বুদ্ধিজীবী, ব্লুগার, বিজ্ঞান মনস্কা মাছদের এখানে আশ্রয় দেয়া হবে, যাতে জঙ্গিরা এখানে প্রবেশ করে হত্যা করতে না পারে।
• দলীয় ক্যাডারদের জন্য কিছু আসন সংরক্ষণ করা হবে।
• তথা কথিত ‘সুশীল সমাজের’ কিছু বুর্জোয়া টাইপের মৎস্য সম্প্রদায়ের ফ্রি লাঞ্চের ব্যবস্থা আছে।
• মৎস্য কন্যাদের জন্য রেন্ডিয়ান টিভি সিরিয়াল যেমন ‘নস্টা জ্বলসা, জিনা ভাংগা, প্রভুতি চ্যানেল দেখার সু-ব্যবস্থা থাকবে।
• বিম্পি-জামায়াতী মার্কা মাছদের এখানে আশ্রয় দেয়া হইবে না।
• ক্রশ ফায়ারে পারদর্শী ব্যাব ও পুলিশ মাছদের এখানে তিন দিনের থাকা খাওয়ার ফ্রি ব্যবস্থা থাকবে।
• রেন্ডিয়া বলে খ্যাত বড় ভাই কুমিরদের আবদার রক্ষার জন্য এখানে তাদের জন্য আলাদা কিছু ব্যবস্থা থাকবে। বিনিময়ে কিছু চাওয়া যাইবে না। তাদের অর্ডার সাপ্লাইয়ের ব্যবস্থা ইমাজেন্সি ভিত্তিতে করা হবে।
• তিস্তার পানি এর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারবেনা। কারণ তিস্তার পানি এখানে প্রবাহিত হলে এই বাঙলার মৎস্য সম্প্রদায়ের জন্য বিতৃষ্ণার সৃষ্টি হতে পারে। সেটি রেন্ডিয়ান বড় ভাইয়েরা ভোগ করবে।
• লেলিন ও মার্কসবাদী বিশ্বাসী যারা মেম্বার হওয়ার যোগ্য নয় তাদের কে এই হাউজে তুলে মন্ত্রীর পদ দেওয়ার বিধান থাকবে।
• সর্বপরি এখানে ছোট মৎস্য সম্প্রদায়ের জন্য তেমন কোন ভালো ব্যবস্থা না রাখতে পারার জন্য দু:খিত।
• আর এই ‘মৎস্য হাউজ’ জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল। তাই এটি নিয়ে কোন কথা বলা যাবে। কথা বললে সেই মৎস্য কে দেশদ্রোহী ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ বিরোধী বলে বিবেচিত হবে।
• এর পরিচালনা পর্ষদ সদস্যরা বেশির ভাগ বিনা ভোটে নির্বাচিত হবেন।
• এর ভিতর ‘আগে উন্নয়ন পরে গণতন্ত্র” জিগির তোলা হবে।

এই খবর পড়ে যারা আহ্লাদে আটখানা হচ্ছেন তারা হলো ছাগলের তিন নম্বর বাচ্ছা।

আসল খবর হলো:
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট পৌরসভার গোসাইরহাট বাজারে জেলা পরিষদের জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছে প্রভাবশালী মহল। ভূমি অফিস, পৌরসভা ও জেলা পরিষদের বাঁধা অমান্য করেই নির্মাণ কাজ চলছে। স্থানীয়দের শান্তনা দিতে জেলা পরিষদ লিজ বাতিল করেছে। এখন ভবন নির্মাণে আর বাঁধা নেই বলে জানায় জেলা পরিষদ।

গোসাইরহাট উপজেলার ইদিলপুর তহশিল অফিস, গোসাইরহাট পৌরসভা, শরীয়তপুর জেলা পরিষদ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৬২নং মহিষকান্দি মৌজার ৭৫১নং দাগে ৭.১১ শতাংশ জমি জেলা পরিষদের।

এই জমি গোসাইরহাট বাজার থেকে হাটুরিয়ার সংযোগ রাস্তা। রাস্তার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া খাল মেঘনা নদী ও আড়িয়াল খাঁ নদের সাথে সংযুক্ত। সেই খালই দখল করে নির্মাণ হচ্ছে বহুতল ভবন।

তহশিল অফিস সূত্রে আরও জানা যায়, বাংলা প্রদেশ কমুনিকেশন এন্ড ওয়াকর্স ডিপার্টমেন্ট এর পক্ষে ডিস্ট্রিক্ট বোর্ড কর্তৃক রক্ষিত জমিটি স্থানীয় প্রভাবশালী শহীদ রাড়ী ও সেরাজুল ঢালী দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছে। ইতি মধ্যে দখলদারদ্বয় জেলা পরিষদ থেকে খাল লিজ নেয়।

কৌশলে জেলা পরিষদের কতিপয় কর্মচারী ও কর্মকর্তা মোটা অংকের টাকা খেয়ে লিজ বাতিল দেখিয়েছে। কিন্তু ভবন নির্মাণে কোন বাঁধা দিচ্ছে না জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সে অভিযোগও উঠেছে এলাকায়।

এবার আপনারা কে কি বলতে চান দয়া করে একটু জানান।

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৩১
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যারা জানেন না তাদের জন্য! কফি এনিমা (Coffee Enema)!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩

কফি এনিমা হলো মলদ্বার দিয়ে কোলন বা বৃহদন্ত্রে তরল কফি প্রবেশ করিয়ে পেট পরিষ্কার করার একটি বিকল্প পদ্ধতি। নিচে এটি শরীরে দেওয়ার সাধারণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হলোঃ

প্রয়োজনীয় উপকরণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিলাদুন্নবী: ভালোবাসার নবী, মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮


মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন বা মিলাদুন্নবী শুধু একটি ঐতিহাসিক স্মরণদিন নয়; এটি মানবতার জন্য এক মহান আদর্শের কথা স্মরণ করার উপলক্ষ। তাঁর আগমন ছিল এমন এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

×