
চলছে রমজান মাস। এই মাসে যে যার মত পারছে দান করছে। এই দান করার ব্যাপারটি সবাই একই দৃষ্টিতে নাও দেখতে পারে। আসুন জেনে নেই এই অধমের দৃষ্টিতে দান খয়রাত কে “কে কি চোখে দেখে”
হাসিব আজমল কে দশ টাকা দান করল।
এর দ্বারা আমরা কি বুঝলাম?
১। আজমল অভাবী তাই সে দান খয়রাত গ্রহন করে।
২। হাসিব সমাজে মহৎ তাই সে সমাজে দান খয়রাত করে।
এখন.....
এ কথা শুনার পর......
** জাফর ভাবলো হাসিব ভালো লোক তাই সে দান খয়রাত করে। আবার,
** শ্রী কৃষ্ণ ভাবলো হাসিবের দান খয়রাত করার উদ্দেশ্যে কোন স্বার্থ আছে।
বামপন্থীরা.....
দেশে সমাজতন্ত্রী কায়েম হলে দান খয়রাত করার কোন প্রয়োজন হয় না। সবাই সমান ভোগ করবে।
ডানপন্থীরা.....
দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র নেই বলেই আজ দেশের মানুষ অভাবে আছে।
ধর্ম গোষ্ঠী.......
যাকাত ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম হলে দেশের মানুষ গরীব থাকবে না।
বিরোদী দল......
দেশে অর্থনৈতিক নৈরাজ্য চলছে তাই দেশের মানুষ না খেয়ে থাকে।
সরকারী দল....
এই সরকারের আমলেই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়।
সুশীল সমাজ.......।
দেশে কোন ভিক্খা করার কোন প্রয়োজন নেই তাই গুলশান ও কূতনৈতিক পাড়ায় ভিক্ষা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মুক্তমনা ব্লগার.........।
মুক্ত চিন্তার পরিবেশ নাই সেজন্য দেশের জঙ্গীরা এদেশের মানুষ কে গরীব করে রেখেছে। এ থেকে পরিত্রান পেতে হলে মুহাম্মদের চৌদ্দ গোষ্ঠীকে গালাগাল করতে হবে।
ভাই বুঝলেন কিছু? মনে হয় বুঝলেন না।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



