somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অমানুষদের পালস জানতে খুব ইচ্ছে করছে!!

০৬ ই জুন, ২০১৭ দুপুর ২:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


(এটা নেট থেকে নিয়ে শুধু একটু এদিক সেদিক করছি, প্রকৃত অবস্হা নয়)

একজন মানুষ যখন আরেকজন মানুষ কে অন্যায়ভাবে গুরুতর জখম করার জন্য আঘাত করে, তখন তার হার্টের(হৃদয়ের) ভিতর উক্ত কর্ম সম্পাদনের আগে এবং পরে যে পালস্ হয় তা 3D আকারে দেখতে খুব ইচ্ছে করছে।

বিগত দিনে ঢাকার শহরে একদল বাস ড্রাইভার, হেল্পার এবং কন্ড্রাক্টর ছিলো, যারা দিনে সাধারণ শ্রমিক হিসেবে যাত্রী পরিবহন করত, আর রাত্রে সেই বাস স্টাপগুলো দুর্ধর্ষ এবং ভয়ংকর রুপ ধারণ করে মানুষের মালামাল ছিনিয়ে নিত। এহেন গর্হিত কাজে মানুষের রক্তারক্তি পর্যন্ত চলে যেত।

এদেশের রাজনীতিবিদেরা জনগণের টাকা মেরে দেন, বিদেশে পাচার করেন এবং জনগণের কষ্টার্জিত জমানো রাষ্ট্রীয় টাকা আত্মসাধ করেন। সর্বশেষ সার্কাসে নির্বাচনের সময় জনগণের সামনে গিয়ে সাধু সেজে পুনরায় বড় লেকচার বক্তৃতা দেন। যেন তারা ধোয়া তুলসি পাতা।

এদেশের তথা কথিত সু-শীলরা নিজেদের কে উচ্চ স্তরের কামেল ওলী আল্লাহ্ ভাবেন (বিপরীতার্থে) । মুখে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার খই ফুটালেও তাদের কাজ কারবার দেখলে মনে হয় তারা কোন বিদেশী এজেন্ট। মিডিয়াতে তাদের সু-বচন!গুলো হাই লাইট করে প্রচার করা হয়। জনগণ সেগুলো গলধকরণ করতে না চাইলেও মিডিয়া সেগুলো জোড় করে গলধকরণ করাতে চায়! ফলাফল: তাদের বক্তব্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় চলে। ধর্মকামী এবং সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে সু-শীলদের চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করে।তারা (সু-চীল) ভাবে যাক, তবে সমালোচনা হ’ হয়েছে। এটাই কম কিসের!

দেশে ইয়াবা খোড়ের সংখ্যা স্বাভাবিকের চাইতে দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাইছে। ইয়াবা চক্র রুখার জন্য পুলিশ প্রশাসন আছে। প্রশাসনের কথা বার্তা, হাবভাব দেখলে মনে হয় তারা ইয়াবাসহ মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। মিছা কথা, খবর নিয়ে দেখবেন কিছু অসাধু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের যোগসাজেসে ইয়াবার মার্কেট বিপনন, বিতরন এবং বিজ্ঞাপনের গতি এবং নতুন মাত্রা পেয়েছে।

প্রতি বছর লাখ লাখশিক্ষার্থী লেখাপড়া শেষ করে চাকুরী যুদ্ধে অবর্তীণ হচ্ছে। এই যুদ্ধ ক্রুসেডর চাইতেও কঠিন। নিজের ভবিষ্যৎ, পরিবার গঠন এবং বৃদ্ধ ও অসহায় কৃষক পিতার ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নিতে না পারা যে একজন শিক্ষিত কর্মক্ষম যুবকের জন্য কত বেদনা দায়ক তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। রাষ্ট্র শুধু পাস দেখাতে পারলেই দায়িত্ব শেষ। বাকিটুকু শিক্ষার্থীদের নিজ দায়িত্ব। ফল প্রকাশের সময় দেশের শিক্ষামন্ত্রীর হাসিমাখা মুখ খানা দেখে অবাক হতে হয়। তারা দায়িত্ব শুধু পাস করানো। সেটা সে যথাযথভাবে পেরেছে।এবং বাকী যে পথ আছে তা শিক্ষার্থীদের উপর ছেড়ে দিয়ে তিনি হাঁপ ছেড়ে বেঁছে আছেন।

ডাক্তারের অপর নাম এখন গলা কাটা কসাই হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ অসুখ হলে প্রথমে চিপে থাকে। যখন আর উপায় থাকে না তখন একেবারে গরীবরা পীর ফকিরের কাছে যায়। তাবিজ, কবজ, পানি পড়া, তেল পড়া দিয়ে ঐশ্বরিক শক্তির মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে। তারচেয়ে উপরের শ্রেণি ডাক্তারের কাছে আত্ম সর্মাপন করে। এই সুযোগে ডাক্তার আর হাসপাতাল এজেন্সিগুলো রুগীর সর্বশান্ত করে ছাড়ে। অনেকে অপ-চিকিৎসার শিকার হয়। যারা মোটামুটি চিকিৎসা পেয়ে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেন তাদের মুখে একটি হাসির ঝিলিক ফুটে উঠে। কিন্তু এই হাসির পিছনে যে রুগীর অন্ধকার ভবিষ্যৎ লুকিয়ে আছে সেটি যদি গলা কাটা ডাক্তার আর হাসপাতাল এজেন্সিগুলো দেখত, তাহলে তারা সেবার নামে অতি মুনাফা লুটপাত করত না। আর মিডিয়াতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সফল গাঁথা, হাসি মাখা মুখ দেখে গরীবরা ভ্রু কুচকাত না।

এরকম নানা কিসিমের সমস্যা নিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের মহা সড়কে অনেকে তাল মিলাতে না পেরে আবল তাবল বকছে। আমার তা নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই, শুধু একটাই আফসোস, দেশের দায়িত্বশীল কর্তা ব্যক্তিদের নিজ নিজ কর্ম সম্পাদনের আগে এবং পরে হার্টের মধ্যে যে পালস্ হয় তার 3D মডেল দেখতে পারলাম না।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০১৭ দুপুর ২:৩২
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দাদুরা বুঝি এমনই হন

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬



সবুজের বুক চিরে ঝকঝক করে বাড়ির পথে এগিয়ে চলেছে ট্রেন। আনমনে জানলার দিকে তাকিয়ে সবুজের ছুটে চলা দেখছি। সদ্য ধোয়া রাস্তার পাশে শুকাতে দেওয়া পাটের গন্ধ এসে নাকে লাগছে। চোখ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্ভীক অভিযাত্রা

লিখেছেন আকিব হাসান জাভেদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩

আমি চলি ঐ প্রান্তে,
যেখানে অসৎ থেকে মানুষ হয়েছে সৎ।
আমি চলি উড়ে উড়ে,
ডানাহীন পাখির মতো,
যেখানে দুর্বলতাকে জয় করে
হয়েছে দুঃসাহস।
আমি চলি শক্তির সাথে,
দেহ যায় না ঝুঁকে।
করি না প্রণাম,
করি না চাটুকারিতা আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

চুপ - একদম চুপ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



আমরা শুধু চুপ থাকবো -
আমাদের কথা বলার মুখ নেই
আমাদের দেখার মতো চোখ নেই
আমাদের শোনার মতো কান নেই
মনে হয়, মনে হয় -
আমাদের হাত-পাও নেই।

আমাদের বিবেক নেই
আমাদের চিন্তা-চেতনাও নেই
আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই মিউজিয়ামঃ স্মৃতির বিরুদ্ধে বিস্মৃতির লড়াই....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৩



জুলাই মিউজিয়ামঃ স্মৃতির বিরুদ্ধে বিস্মৃতির লড়াই....

১৫ আগস্ট আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলাম জুলাই মিউজিয়ামে। সেখানে গিয়ে মনে হলো- এটি শুধু একটি জাদুঘর নয়; এটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের এক ভয়াবহ অধ্যায়ের বিরুদ্ধে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০২





হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

...................................................................
মানচিত্রের আঁকাবাঁকা রেখায় তারে পাবেনা,
সে নদী তো চেনা কোনো ঠিকানায় যাবে না।
তার কোনো কূল নেই, নেই কোনো ঘাট,
সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×